সেই বানরওয়ালা….

আধুনিকতার যুগ, প্রজন্ম আজ অনেক
অগ্রসর আর এই আধুনিক পরিবেশে বেড়ে
উঠছে আমাদের ভবিষ্যৎ কর্নধার
শিশুরা!!
.
মাত্র ১০ বছর আগে যদি একটু ব্যাক করে
দেখি তবে আজকের এই বিশ্বকে মনে
হবে সব সব রুপকথা আজকের এই বিশ্ব
ছিল কল্পনার অতীত!!
.
আজ দীর্ঘদিন পর দেখতে পেলাম এক
অবাক ব্যক্তিকে সেই বানরওয়ালা!!
.
আজো মনে পড়ে থাকতাম এক অজপাড়া
গাঁয়
বয়স ৭ হবে প্রায়ই আসতো বানরওয়ালা
কাঁধে তার একটা বানর শিকলে আবদ্ধ
জীর্নশীর্ন বস্ত্র তার পরনে পায়ে ছিল
একজোড়া চটি যা দেখে মনে হত
চটিজোড়া বোধহয় এক যুগ বয়স পার
করেছে!!
.
সারাটা দিন বাড়ি বাড়ি ঘুরে সেই
বানর খেলা দেখাতো সে যা আয় করত

আধুনিকতার যুগ, প্রজন্ম আজ অনেক
অগ্রসর আর এই আধুনিক পরিবেশে বেড়ে
উঠছে আমাদের ভবিষ্যৎ কর্নধার
শিশুরা!!
.
মাত্র ১০ বছর আগে যদি একটু ব্যাক করে
দেখি তবে আজকের এই বিশ্বকে মনে
হবে সব সব রুপকথা আজকের এই বিশ্ব
ছিল কল্পনার অতীত!!
.
আজ দীর্ঘদিন পর দেখতে পেলাম এক
অবাক ব্যক্তিকে সেই বানরওয়ালা!!
.
আজো মনে পড়ে থাকতাম এক অজপাড়া
গাঁয়
বয়স ৭ হবে প্রায়ই আসতো বানরওয়ালা
কাঁধে তার একটা বানর শিকলে আবদ্ধ
জীর্নশীর্ন বস্ত্র তার পরনে পায়ে ছিল
একজোড়া চটি যা দেখে মনে হত
চটিজোড়া বোধহয় এক যুগ বয়স পার
করেছে!!
.
সারাটা দিন বাড়ি বাড়ি ঘুরে সেই
বানর খেলা দেখাতো সে যা আয় করত
তাতে কখনো বা আঁধপেটা আর কখনো
বা তার আয়ের উৎস ঔ বানরটার পেট
চালাতে বিসর্জন দিতে হয়েছে নিজের
আহার তবু তার কোন আক্ষেপ নেই আর
থাকলেই বা কি কার কাছে রাখবে তার
এই আক্ষেপটুকু!!
.
কোন বাড়ি থেকে যদি কখনো দুটো
টাকা বেশি পেত কোন বাড়ির কত্রীর
কাছ থেকে বা কেউ যদি সন্তুষ্ট এক ঘটি
পানি তার মুখে তুলে দিত এক অন্যরকম
আনন্দে ছলছল করত তার চোখ কখনো বা
বিস্ময়ে তার চোখ থেকে পড়েছে
দুফোঁটা অশ্রু যা অদৃশ্য বা অদেখাই ছিল
সবার কাছে!!.
.
আজ যুগ পাল্টেছে বদলে গেছে সময় এখন
আর বাচ্চার আনন্দ ঔ বানরওয়ালার
খেলা দেখার মাঝে সীমাবদ্ধ নেই সে
আজ বিনোদন খোঁজে ভিডিও গেম,
ডরিমন, বেন 10, টম এন্ড জেরি দেখার
মাঝে!!
.
হয়ত বানরওয়ালাটা আজো আসে
কিন্তু ফিরে রিক্ত হাতে কারন কার
খেলা দেখার জন্য আজ আর কেউ করেনা
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা হয়ত আজ সে
সারাটা বেলা কাটায় অনাহারে পড়ে
থাকে রেললাইনের পথের ধারে
পার্কের ঔ ভাঙ্গা বেঞ্চে এমনি করে
খাদ্যাভাবে হয়ত শুকিয়ে অসার কঙ্কাল
হয়ে গেছে তার বানর টাও কে রেখেছে
তার খবর!!
.
আমরা সবাই স্বার্থপর কোনদিনও
ভবিষ্যৎ এ মনে রাখিনা সেই
ব্যক্তিটাকে যে পূর্বে আমাদের ঠোঁটের
কোনে চোখের পানে আনন্দের হাসির
কারন ছিল দিনের পর দিন মাসের পর
মাস আমাদের অকাতরে
নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়েছেন যিনি
বিনোদন !!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *