পৃথিবীটা পুরুষের

এই পৃথিবীটা পুরুষের নিয়ন্ত্রণে। পুরুষের দখলে। কবি সাহিত্যিক থেকে শুরু করে রাজনীতিক সকলেই পুরুষতান্ত্রিকতার নিদর্শন রেখে গেছে। তাদের বর্ণনা ও ব্যাখ্যাতে নারীকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে নারী শুধু সৌন্দর্যের জন্যে; কামনার জন্যে; সঙ্গমের জন্যে। পুরুষের চোখে নারীর গুণ শুধু দুটি। সৌন্দর্য ও রাঁধুনিতে পারদর্শী। এছাড়া নারীর গুণ আত্মসম্মান ব্যক্তিত্ব নিয়ে পুরুষের চিন্তিত হবার সময় নেই।


এই পৃথিবীটা পুরুষের নিয়ন্ত্রণে। পুরুষের দখলে। কবি সাহিত্যিক থেকে শুরু করে রাজনীতিক সকলেই পুরুষতান্ত্রিকতার নিদর্শন রেখে গেছে। তাদের বর্ণনা ও ব্যাখ্যাতে নারীকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে নারী শুধু সৌন্দর্যের জন্যে; কামনার জন্যে; সঙ্গমের জন্যে। পুরুষের চোখে নারীর গুণ শুধু দুটি। সৌন্দর্য ও রাঁধুনিতে পারদর্শী। এছাড়া নারীর গুণ আত্মসম্মান ব্যক্তিত্ব নিয়ে পুরুষের চিন্তিত হবার সময় নেই।

পুরুষতান্ত্রিকতায় নারী যা করবে তা শুধু পুরুষের জন্য হতে হবে। যা নারীর তাও কেঁড়ে নেবে পুরুষ। খুবই নিকৃষ্ট ও জঘন্য বিষয় হল নারীর জন্য পৃথিবীতে কিছু নেই। যা আছে সব পুরুষের। নারীর মাথার চুল থেকে পায়ের নখ সবই পুরুষের।

নারীর শরীরের প্রতিটি অঙ্গই কিনে ফেলেছে পুরুষ। মাসের পর মাস পেটে বাচ্চা ধারণ করবে নারী কিন্তু বাচ্চা পৃথিবীতে এলে স্বামীর নাম যুক্ত হবে বাচ্চার নামের শেষে; নারীর মাথাও বিক্রি হবে স্বামীর নামে সিঁদুর দিয়ে, গলায় সামান্য একটা মালা পড়বে সেটাও স্বামীর দীর্ঘায়ুর জন্য, নারী হাতও চুষে রেখেছে পুরুষ; নারী হাতে চুড়ি পড়বে সেটাও নাকি স্বামীর মৃত্যুর পর ভেঙে ফেলতে হবে, বাচ্চা’কে দুধ খাওয়াবে নারী কিন্তু প্রশংসা কুড়াবে স্বামীর নামে। সঙ্গমে সুখ পাবে নারী পুরুষ উভয়ই কিন্তু স্বামীর শক্তির গুণকীর্তন করতে হবে নারীর।

৩ thoughts on “পৃথিবীটা পুরুষের

  1. সময় পাল্টাচ্ছে…সেই
    সময় পাল্টাচ্ছে…সেই পাল্টানোর সাথে যেন আমরা সবাই সংযুক্ত হই, এবং পুরুষ তন্ত্রের পরিবর্তে সাম্য তন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি-এটাই কাম্য ।

  2. ভাল লিখেছেন অনন্য ভাই।
    ভাল লিখেছেন অনন্য ভাই। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার কারণে নারীদের মধ্যেও দাস-মনমানিসিকতা চলে এসেছে। তারা এখন নিজে প্রতিষ্ঠিত হলেও নামের পাশে বিয়ের পর স্বামীর পদবী লাগাতে গর্ববোধ করে। নিজে একজনের সাথে প্রেম করলেও, যদি পরিবার সেই সম্পর্ক মেনে না নেয়, তাহলে রিলেশান ভেঙ্গে বাপের পছন্দের ছেলেকেই বিয়ে করে। মেয়েদের নিজেদেরও দাস-মনোবৃত্তি থেকে বের হতে হবে; কিন্তু এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে, স্বাবলম্বী, মুক্তমনের হওয়া মানেই নিজেকে উচ্ছ্ররংখলতার স্রোতে ভাসিয়ে দেয়া নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *