“খোকা তুই যুদ্ধে যা”

সালটা ১৯৭১,দেশে তখন চলছে মুক্তি যুদ্ধ।পাকিস্থানি সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোশরা নির্বিচারে সাধারণ মানুষদের হত্যা করছে।

সে বছর নিউটন একাদশ শ্রেণীর নটর ডেম কলেজ এর ছাত্র। নিউটনের বাবা মারা গেছে অনেক আছে। আপন বলতে মা ছাড়া তেমন কেউ নেই। তার মা আবার অন্ধ। নিউটনের মা ওকে অনেক ভালবাসত।তার মা বলত যুদ্ধে গেলে নাকি মানুষ ফিরে আসে না।তবুও মা কেন জানি আমাকে যুদ্ধে যেতে বলত। মা চাইত আমি যেন দেশের জন্য যুদ্ধ করে স্বাধীনতা আনতে পারি।মায়ের হাতে লাল সবুজের পতাকা তুলে দিতে পারি।

সালটা ১৯৭১,দেশে তখন চলছে মুক্তি যুদ্ধ।পাকিস্থানি সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোশরা নির্বিচারে সাধারণ মানুষদের হত্যা করছে।

সে বছর নিউটন একাদশ শ্রেণীর নটর ডেম কলেজ এর ছাত্র। নিউটনের বাবা মারা গেছে অনেক আছে। আপন বলতে মা ছাড়া তেমন কেউ নেই। তার মা আবার অন্ধ। নিউটনের মা ওকে অনেক ভালবাসত।তার মা বলত যুদ্ধে গেলে নাকি মানুষ ফিরে আসে না।তবুও মা কেন জানি আমাকে যুদ্ধে যেতে বলত। মা চাইত আমি যেন দেশের জন্য যুদ্ধ করে স্বাধীনতা আনতে পারি।মায়ের হাতে লাল সবুজের পতাকা তুলে দিতে পারি।
তাদের বাড়ির পাশে ফখরুদ্দিন নামের এক লোক থাকত।তার বড় ভাই ভাষা আন্দোলনে শহীদ হয়েছিল।তিনি রেডিওতে সব সময় খবর শুনতেন।নিউটন একদিন ফখরুদ্দীনের রেডিওতে কার যেন রক্ত গরম করা ভাষন শুনতে পায়।সেই ভাষণ শোনার পর থেকে তার মনে কেমন যেন অস্তিরতা কাজ করছে। এক পর্যাযে আমি আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *