সকল মুসলিম ভাই ও বোন এর কাছে অনুরোধ লেখাটা পড়বেন

কাউকে ধ্বংস করতে হলে অবশ্যই
আগে তার ব্যক্তিগত বিষয় তথ্য গতিপথ সম্পর্কে জানতে হবে যতটা সে না জানে।
আস্তিকের চেয়ে নাস্তিকরা ধর্ম সম্বন্ধে বেশী জ্ঞানী।
আপনি কতটুকু ধার্মিক, আপনার ধর্ম নিয়ে আপনি কতটুকু জানেন, কিন্তু একজন নাস্তিকের সাথে ধর্ম নিয়ে কথা বলে দেখবেন, আপনাকে মগা বানাতে তার দুইমিনিট সময় লাগবেনা।
আপনি তখন তার বয়ান শুনে ঠিকই মগা হয়ে যাবেন।
সে কথা বলবে যুক্তিসহকারে।
নাস্তিকরা অত্যন্ত ধৈর্য্যশীল হয়।
আপনি যতই উত্তেজিত হয়ে কথা বলবেন, সে ততই যৌক্তিক ও ঠান্ডা মাথায় কথা বলবে।
তার কথার যুক্তি দিয়ে সে আপনাকে অভিভূত করার ক্ষমতায় রাখবে।


কাউকে ধ্বংস করতে হলে অবশ্যই
আগে তার ব্যক্তিগত বিষয় তথ্য গতিপথ সম্পর্কে জানতে হবে যতটা সে না জানে।
আস্তিকের চেয়ে নাস্তিকরা ধর্ম সম্বন্ধে বেশী জ্ঞানী।
আপনি কতটুকু ধার্মিক, আপনার ধর্ম নিয়ে আপনি কতটুকু জানেন, কিন্তু একজন নাস্তিকের সাথে ধর্ম নিয়ে কথা বলে দেখবেন, আপনাকে মগা বানাতে তার দুইমিনিট সময় লাগবেনা।
আপনি তখন তার বয়ান শুনে ঠিকই মগা হয়ে যাবেন।
সে কথা বলবে যুক্তিসহকারে।
নাস্তিকরা অত্যন্ত ধৈর্য্যশীল হয়।
আপনি যতই উত্তেজিত হয়ে কথা বলবেন, সে ততই যৌক্তিক ও ঠান্ডা মাথায় কথা বলবে।
তার কথার যুক্তি দিয়ে সে আপনাকে অভিভূত করার ক্ষমতায় রাখবে।

আপনার যে ধর্মই হোক, আপনার যে কোনো একটা ধর্ম পরিচয় আছে কিন্তু নাস্তিকদের কোনো ধর্ম নেই, তারা সব ধর্মকে অবমাননা হেই কটাক্ষ করে।

তারা মানবতার বয়ান দেয়, কিন্তু তারা জানেনা।
সব ধর্মেই মানবতাকে কতটা গুরুত্ব সহকারে মূল্যবোধ দিয়েছে।
.
আজ থেকে তিন বছর আগের কথা
আমাদের পাশের এলাকায়-সাকছি আল ইত্তেহাদ যুব ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উদ্যাগে বার্ষিক মাহফিল হয়েছিলো।
বক্তার নাম কি ছিল মনে নেই তবে তার কিছু কথা এখনো মনে আছে যা বর্তমানে সেই কথাগুলোর সাথে একরূপতা মিল খুঁজে পাচ্ছি।
—(আমি গুছিয়ে লিখতে পারিনা তার জন্য দুঃখিত)—
বামপন্থীরা গোপনে পাহাড়ের উপর পাঠাগার স্থাপন করে, সেখানে হাজার হাজার ছাত্রকে মুসলিম দের ধার্মিক শিক্ষা দেয় আবার নাস্তিকতাও দেয়।
তার পাশেই এক মুসলিম তরুণ বসবাস করে, তার কাছে বেড়াতে যায় তার এক মুসলিম বন্ধু।
বিকেলবেলা তারা ঘুরতে বের হয়।
ঘুরতে ঘুরতে পাহাড়ের উপর পোঁছে যায়।
বামপন্থিদের পাশে যে ছেলেটা বাস করে সে তাদের সম্বন্ধে জানে, আর যে বন্ধুটি বেড়াতে আসছে সে জানেনা।
তখন আছরের আযান দিতেছে, দুইজনই নামাজ পড়ে, যেহেতু নামাজের সময় হয়েছে তখন।
যে বন্ধু জানেনা সে তাকে জবরদস্ত করে নাস্তিকদের সঙ্গে নামাজ পড়াতে নিয়ে যায়, বন্ধুর বাধ্য হয়ে দুইজনই সেখানে নামাজ পড়ে।
সেখান থেকে বাসায় ফিরে আসার পর তার বন্ধু আবার নামজ পড়ার জন্য অনুরোধ করে,
কিন্তু না জানা বন্ধুটির তখন বলে উঠে সেখানেতো ফুটন্ত ফুলদের সাথে কত সুন্দর করে নামাজ পড়লাম আবার এখানে পড়বো কেনো।
তখন তার বন্ধু তাকে সব কিছু বুঝিয়ে বলে।
তারা মুসলিম না তারা বামপন্থী।
তারা নিজেদের এমন ভাবে তৈরি করতেছে জেনো ইসলামকে ধংশ করতে তাদের জন্য সহজ হয়, ইসলামকে নির্মূল করতেই তাদের এই কার্যকালাপ।
.
এবার আমার কথায় আসি।
.
বর্তমানে আমরা ফেইসবুকে অনেক ইসলামিক নামে আইডি, পেইজ, গ্রুপ, ইভেন্ট, ইত্যাদি দেখে থাকি।
সবগুলো কিন্তু রিয়েল না কিছু কিছু আছে ইসলামের নাম দিয়ে খুলে ইসলামকে কটাক্ষপাত করার জন্য নিজেদের ইসলামিক পরিচয়তা দেয়।
তাদের কাছ থেকে মুসলিম ভাই ও বোনেরা সাবধান থাকবেন।
কিছুদিন আগে একটা আইডি থেকে বিভিন্ন পেইজের লেখাতে এড মি কমেন্ট করতেছে।
কিছু ইসলামিক ফ্রেন্ড প্রয়োজন, ভাল ধার্মিক হলে এড দিন।
যাক ভালই তা দেখে আমিও তাকে রিকুয়েস্ট দিলাম।
তার এবাউটে ধর্মের জায়গা লিখা ছিলো-ইসলাম।
তখন কিন্তু সে ফেবুতে এত বেশী ফেমাস ছিলোনা।
৫দিনপর দেখলাম তার অনেক ফ্রেন্ড, ফলোয়ার, লাইক, কমেন্ট, ইত্যাদি।
সবসময় ইসলামিক লেখা স্ট্যাটাস দেয়,
সবাই তার সাথে তার লিখায় সর্বসম্মত একমত পোষণ করে।
তার লিখাগুলো আমিও নিয়মিত পাঠ করি
তবুও তাকে কেমন জানি সন্দেহ সন্দেহ হত।
সবসময় তাকে ফলো করতাম।
তার প্রতিটি লিখা কপি করে দুই চারজন বড় ভাইকে দেখাতাম কোথাও কোনো ভুল আছে কিনা,কিন্তু তখন কোনো ভুল পেতাম না।
কিছুদিন পর দেখলাম সে যদি দিন ৫টা ইসলামিক পোষ্ট দেয় তার মাঝে একটা পোষ্ট দিত মানবতাকে নিয়ে।
তখন সে লিখায় ইসলামকে অনেক কটাক্ষ করে লিখতো।
যে সব মুসলিমরা তার লিখা গুলোতে একমত ছিলো তারা সবাই জানে সে অনেক ভাল লেখক।
কিন্তু যখন সে একটা দুইটা ইসলাম বিরোধিতা লেখা লিখে তখন ওই একমত ভাইয়েরা তার এই লিখা গুলোতেও একমত পোষণ করে।
তা দেখে আমি একমত ভাইদের সাথে ইনবক্সে যোগাযোগ করি।
কিন্তু দুঃখের বিষয় কেওই আমার কথা বুঝতে চায়নি, সবাই বলেছে তার সাথে আমার দন্ধ আছে, আমি নাকি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেছি।

আমি অনেক প্রমাণ দেয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু তাদের বুঝাতে পারিনি কারণ ওই নাস্তিক প্রথমেই ধার্মিক পোষ্ট দিয়ে তাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেয়।
এমন একটা সময় আসছে যে তার প্রতিটি লিখা ছিলো ইসলাম বিরুদ্ধ।
তখন সবাই জেনে গেছে সে একজন নাস্তিক।
এবং তার এবাউটে ধর্মের যায়গা লিখে দিয়েছে ইসলাম ধংস হোক।
তার আইডি এখন অনেক ফেমাস।
তাকে এখন আর কেওই রিপোর্ট করে ব্যান করতে পারতেছেনা।
আর সে নিয়মিত ইসলাম ধর্মের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসলাম বিরোধিতা লিখা লিখেই যাচ্ছে।
তা দেখে আমার এক্টুও সহ্য হতোনা।
আমি তার পোস্টে কোনো লাইক কিংবা কমেন্ট করতাম না কারণ আমার একটা কমেন্ট এর কারণে হয়তো অন্য দুই তিনজনের আইডির রিপোর্ট বিফলে যাবে।
দুইদিন আগে তার একটা লিখা ছিলো ইসলামকে অনেক কটাক্ষ করে।
যা আমি একজন মুসলিম ঘরের সন্তান হয়ে বলতে পারতেছিনা।
তবেঁ একজন মুসলিম ঘরের সন্তান, মাসে এক ওয়াক্ত নামজও পড়েনা, তার সামনে যদি এই ধরনের কোনো কথা বলতো তাহলে তখনই তাকে জবাই দিয়ে দিত।
এমন কিছু কথা তার সেই লিখাতে কমেন্টে করেও অনেকেই বলছে।
যারা প্রথমে প্রতিটি লিখাতে একমত ছিলো তারাই এখন দুইমত।

সর্বশেষঃ কে বা কাহারা তার আইডি ব্যান করে দিয়েছে।
আজ দুইদিন তাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিনা।
তবেঁ সে নতুন রুপ নিয়ে আবার ফিরে আসবে। যেহেতু সে নাস্তিক তার কোনো ধর্ম নেই তার কাজ শুধু হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান মুসলমান এইসব ধর্মের মাঝে মানবতার দোহাই দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করানো।

সবাই এদের মত জানোয়ার দের কাছ থেকে সাবধান থাকবেন আর হ্যাঁ তারা যখন কাউকে কটাক্ষ করে লিখবে তখন তাদের স্ট্যাটাসে কোনো ভাল খারাপ কমেন্ট বা লাইক দিবেন না।
আপনার একটি লাইক কিংবা কমেন্ট এর জন্য তিন চারটা আইডির রিপোর্ট রিমুভ হয়ে যাবে।
যত পারবেন তাদের এড়িয়ে চলুন।
আর নিজের আইডি থেকে একটা রিপোর্ট করে তাকে ব্লক করে দিবেন।
.
লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কোথাও ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

৫ thoughts on “সকল মুসলিম ভাই ও বোন এর কাছে অনুরোধ লেখাটা পড়বেন

  1. মসজিদে বোমা মেরে নামাজরত
    মসজিদে বোমা মেরে নামাজরত অবস্থায় মানুষ হত্যা কারা করে? নাস্তিকরা, নাকি ধার্মিকরা? দুই কলম লিখে ধর্মের সমালোচনা করা বেশি খারাপ? নাকি মসজিদে বোমা মেরে মুসলমান মারা বেশি খারাপ?

  2. প্রাসঙ্গিক হওয়ায় অনন্য আজাদ
    প্রাসঙ্গিক হওয়ায় অনন্য আজাদ এর ফেসবুকে কিছু আগে একটি ছোট্ট লেখা এখানে শেয়ার করলাম-

    গত বছর পাকিস্তানে একটা মেয়েদের স্কুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার উদ্দেশ্যে দু’জন ইসলামিক মৌলবাদী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিল। মৌলবাদী জঙ্গিদের শরীরে বোমা প্যাঁচানো ছিল। সহস্রাধিক ছোট্ট ছোট্ট মেয়েদের হত্যা করাই ছিল তাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। হাতে থাকা ইলেকট্রনিক সুইচটি মৌলবাদীদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। জঙ্গিরা অনেক কৌশলে স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিল।

    স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেই দু’জন ইসলামিক মৌলবাদী দু’দিকে অবস্থান নিয়েছিল। যাতে অধিক সংখ্যক শিশু-বাচ্চা-মেয়েদের হত্যা করা সম্ভব হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়মত ইলেকট্রনিক সুইচটি একজন মৌলবাদী প্রেস করলেও আরেকজন কোন এক উদ্ভট কারণে প্রেস করতে ব্যর্থ হয়।

    হাজার হাজার মানুষের চিৎকারে যখন স্কুল প্রাঙ্গণ রক্তাক্ত; লাশের স্তূপ ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, ঠিক সে সময়ে জীবিত থাকা আরেক জঙ্গি তাড়াহুড়া করে ইলেকট্রনিক সুইচটি প্রেস করে। এবং বিকট শব্দে স্কুল প্রাঙ্গণ কেঁপে উঠে। ছোট্ট ছোট্ট মেয়েদের রক্তে ভেসে যায় প্রাঙ্গণ।

    ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মূল ঘটনা এখনই শুরু।

    যে জঙ্গিটি সময়মত আত্মঘাতী বোমা হামলা চালাতে ব্যর্থ হয়েছিল; সেই মৌলবাদী জঙ্গিটি প্রাণে বেঁচে যায়। তাড়াহুড়া করার কারণে বুকে প্যাঁচানো বোমাটি পায়ে এসে পড়ে এবং তার দুটি পা বোমায় উড়ে যায়।

    হাসপাতালে যখন ইসলামিক মৌলবাদী জঙ্গির জ্ঞান ফেরে তখন তার পাশে দুজন নার্স দাঁড়িয়ে ছিল। জঙ্গিটি এদিক ওদিক তাকায়। তারপর নার্সকে জিজ্ঞেশ করে বাকি ৭০জন কোথায়? নার্স অবাক হয়ে জঙ্গিকে জিজ্ঞেশ করে ৭০জন কে?

    তখন সেই মৌলবাদী জঙ্গি উর্দুতে বলে, ‘ আমি তো এখন বেহেশতে; আমাকে তো বলা হয়েছিল ৭২টি হুর নারী দেয়া হবে। তাহলে এখানে কেনো মাত্র দুজন দাঁড়িয়ে?

    মৌলবাদীটি ভেবেছিলো, সে মারা গেছে এবং সে তখন বেহেশতে আর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন নার্সকে সে হুরপরী ভেবেছিলো।

    এইভাবে ধর্মান্ধ মৌলবাদীগোষ্ঠী মুসলমানদের বেহেশতের স্বপ্ন দেখিয়ে, ৭২ হুরের স্বপ্ন দেখিয়ে, আল্লাহ্‌র ভয় দেখিয়ে মানুষ হত্যা করতে বাধ্য করে। বেহেশতের লোভে শুধু পাকিস্তানে মৌলবাদীরা মানুষ হত্যা করে না; বাঙলাদেশেও এইভাবে ব্রেইন ওয়াস করা হয় ছোট্ট ছোট্ট মাদ্রাসার ছাত্র থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। যে ধর্ম মানুষ হত্যা করতে শেখায় সে ধর্ম মানুষের নয়।

  3. ওয়াদা করলাম এই নিউজ এর সত্যতা
    ওয়াদা করলাম এই নিউজ এর সত্যতা প্রমান করুন, প্রমান করতে পারলেই নগত ২০,০০০ টাকা পুরস্কার আমার সাধ্যমতে। আর প্রমান করতে না পারলে নিজেই চিন্তা করুন নাস্তিকদের দৌড় কতদুর পর্যন্ত। মিথ্যা নিউজ বানিয়ে ইসলামকে বদনাম করা যাবে না। এখন প্রমানিত যে আপনার জন্ম কোন বৈশ্যালয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *