তোমরা যারা নাস্তিক

বাংলা নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী
তারা নাকি বিজ্ঞান পড়ে নাস্তিক
হয়েছে!

জবাব :
এইটা একেবারেই ডাহা মিথ্যাচার।
কেননা বৈজ্ঞানিক জার্নাল কিংবা
বিজ্ঞানের কোনো বই-পুস্তকেও স্রষ্টার
অনস্তিত্ব প্রমাণ করার তো প্রশ্নই ওঠে না,
এমনকি নাস্তিকতার পক্ষে বা ধর্মের
বিপক্ষেও কিছু পাওয়া যাবে না। তাহলে
তারা বিজ্ঞান পড়ে নাস্তিক হইলো
ক্যামনে! তবে হ্যাঁ, বিজ্ঞানের মোড়কে
মগাজিৎ-মার্কা ঠাকুর্মার কোনো ঝুলি
পড়ে তারা নাস্তিক হলে হতেও পারে।
মজার বিষয় হচ্ছে বাংলা নাস্তিকদের
মধ্যে অতি চালাক কেউ কেউ আরো এক ধাপ
এগিয়ে যেয়ে দাবি করছে এই বলে যে,
তারা কোরআন পড়ে নাস্তিক হয়েছে! যে
কোরআনে মানুষকে প্রতি মুহূর্তে

বাংলা নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী
তারা নাকি বিজ্ঞান পড়ে নাস্তিক
হয়েছে!

জবাব :
এইটা একেবারেই ডাহা মিথ্যাচার।
কেননা বৈজ্ঞানিক জার্নাল কিংবা
বিজ্ঞানের কোনো বই-পুস্তকেও স্রষ্টার
অনস্তিত্ব প্রমাণ করার তো প্রশ্নই ওঠে না,
এমনকি নাস্তিকতার পক্ষে বা ধর্মের
বিপক্ষেও কিছু পাওয়া যাবে না। তাহলে
তারা বিজ্ঞান পড়ে নাস্তিক হইলো
ক্যামনে! তবে হ্যাঁ, বিজ্ঞানের মোড়কে
মগাজিৎ-মার্কা ঠাকুর্মার কোনো ঝুলি
পড়ে তারা নাস্তিক হলে হতেও পারে।
মজার বিষয় হচ্ছে বাংলা নাস্তিকদের
মধ্যে অতি চালাক কেউ কেউ আরো এক ধাপ
এগিয়ে যেয়ে দাবি করছে এই বলে যে,
তারা কোরআন পড়ে নাস্তিক হয়েছে! যে
কোরআনে মানুষকে প্রতি মুহূর্তে
আস্তিকতার দিকে আহ্বান জানানো
হয়েছে, সেই কোরআন পড়ে কেউ নাস্তিক
হওয়ার দাবি করলে তার মস্তিষ্ক গোবর
দিয়ে তৈরী হতে হবে! যারা এই ধরণের
দাবি করছে তাদের ব্যাপারটা এরকম
দাঁড়াচ্ছে:
– তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ে
রাজাকার হয়েছে! 😛
– রিচার্ড ডকিন্সের “দ্যা গড ডিলিউশন”
পড়ে আস্তিক হয়েছে! 😀
– “প্রজাতির উৎপত্তি” ও “বিবর্তনের পথ ধরে”
বই দুটি পড়ে বিবর্তনে অবিশ্বাসী হয়েছে!
এই ধরণের চিড়িয়াদের কথাবার্তা শুনলে
ব্যাপক বিনুদোন পাওয়া যায়! বাস্তবতা
হচ্ছে বিজ্ঞান বা কোরআন পড়ে কেউ
নাস্তিক হতে পারে না। বাস্তবে
উল্টোটাই ঘটে। যারা নিজেদেরকে
নাস্তিক দাবি করছে তারা আগে নাস্তিক
হয়ে ইসলাম-বিরোধী লেখা থেকে
কোরআনের মধ্যে বিভিন্ন ফাঁক-ফোঁকড়
দেখিয়ে ও বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞান
দিয়ে তাদের নাস্তিকতাকে ডিফেন্ড
করার চেষ্টা করে।

৩ thoughts on “তোমরা যারা নাস্তিক

  1. আপনি নিজের মনগড়া এক ডাহা
    আপনি নিজের মনগড়া এক ডাহা মিথ্যা দিয়ে পুরা একটা পোস্ট দিয়ে দিলেন। নাস্তিকদের কতজন বলেছে তারা বিজ্ঞান পড়ে নাস্তিক হয়েছে?
    আমি নিজেই নাস্তিক হয়েছি ধর্মীয় বই পড়ে। এত হাস্যকর কথাবার্তা লেখা আছে ধর্মীয় বই গুলোতে, এগুলোর কিছু নিয়ে লেখছি এখন।

    তবে হ্যা, বিজ্ঞানের দর্শন ভাল ভাবে ধরতে পারলে ধর্মীয় আবর্জনা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

    1. ধর্মগ্রন্থ যদি পড়া হয় তার
      ধর্মগ্রন্থ যদি পড়া হয় তার ছিদ্রান্বেষনের জন্য তাহলে তার ফলাফল কতখানি ইতিবাচক হবে??এটা হলো আপনার অন্তরের বক্রতা আর বিজ্ঞান? যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে সে বিজ্ঞানের ব ও বোঝেনা

      1. ছিদ্র যদি না থাকে, তবে খুঁজতে
        ছিদ্র যদি না থাকে, তবে খুঁজতে খুঁজতে শরীর ঘামিয়ে ফেললেও তো কোনো ছিদ্র পাওয়া যাবে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে- ধর্মগ্রন্থে ছিদ্র পাওয়া যায়। অতএব ছিদ্র আছে। তাই ছিদ্রান্বেষীরা ছিদ্র খুঁজে পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *