নন্দিত হয়ে পৃথিবী ছাড়ুন ধরণী তবেই আপনাকে মনে রাখবে নতুবা মিশে যাবেন ধূলোর মত…….

ভূমিষ্ঠ হয়েছি এ ধরনীতে ; হয়ত উপরে
বসে বিধাতার সাথে খুব নম্র ভদ্র
ব্যবহার করতাম কিংবা ছিলাম খুব
শান্ত শিষ্ট সভ্য আচরনের কোন জীব
তাই তার ফলস্বরূপ তিনি আমাকে তার
সেরা সৃষ্টি রুপে পাঠিয়েছেন এ
ধরনীতে ; মানুষ নামক প্রানীর স্বত্তা
লাভ করে পদধুলি পড়েছে আমার এ
বসুন্ধরায় ।
.
জন্মের স্বাদ গ্রহন পর্ব শেষ জানি তার
বিপরীত স্বাদটাও আমাকে ভোগ করতে
হবে একদিন পৃথিবীতে এ অবস্হান রত
প্রহরটুকু হচ্ছে ক্ষুদ্র একটা যাত্রার ন্যায়

পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ
রয়েছে “প্রত্যেক প্রাণীরই মৃত্যুর স্বাদ
ভোগ করতে হবে “.
.
অর্থ্যাৎ যে জন্মগ্রহন করেছে তার মৃত্যু
অনিবার্য এই নীতিটা আমার কাছে

ভূমিষ্ঠ হয়েছি এ ধরনীতে ; হয়ত উপরে
বসে বিধাতার সাথে খুব নম্র ভদ্র
ব্যবহার করতাম কিংবা ছিলাম খুব
শান্ত শিষ্ট সভ্য আচরনের কোন জীব
তাই তার ফলস্বরূপ তিনি আমাকে তার
সেরা সৃষ্টি রুপে পাঠিয়েছেন এ
ধরনীতে ; মানুষ নামক প্রানীর স্বত্তা
লাভ করে পদধুলি পড়েছে আমার এ
বসুন্ধরায় ।
.
জন্মের স্বাদ গ্রহন পর্ব শেষ জানি তার
বিপরীত স্বাদটাও আমাকে ভোগ করতে
হবে একদিন পৃথিবীতে এ অবস্হান রত
প্রহরটুকু হচ্ছে ক্ষুদ্র একটা যাত্রার ন্যায়

পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ
রয়েছে “প্রত্যেক প্রাণীরই মৃত্যুর স্বাদ
ভোগ করতে হবে “.
.
অর্থ্যাৎ যে জন্মগ্রহন করেছে তার মৃত্যু
অনিবার্য এই নীতিটা আমার কাছে
অনেকটা নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের
ন্যায় বোধ হয় “প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান
ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে”
.
ক্ষুদ্র এ যাত্রায় এখানে আমাদের
পরিচয়ের উদ্দেশ্য একটা নাম দেওয়া হয়
আমাদের পিতামাতা কর্তৃক আমরা
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পরক্ষনেই
নামটা সবাই কেমন অদ্ভুদ ভাবে
মূহুর্তেই ভুলে যায় সবারই মৃত্যুর পর এক
নাম ” লাশ”
.
পৃথিবীটা স্বার্থপরতার ভান্ডার
এখানে স্বার্থপরতার আনাগোনা চলে
অহরহ ,
স্বার্থপর জিনিসটা সবার চরিত্রেই
উপলব্ধ তাই বিনা কারনে তোমাকে
নিঃস্বার্থ ভাবে কোনদিনই
ভালবাসবে না যদি তাকে কিছু না দাও

.
যে পৃথিবীকে কিছু দিতে পারে না
তার নামটা মৃত্যুর পর লাশ হয়ে যায়
কিন্তু যে দিতে পারে তার নামটা
সবার মনের অন্যতম উচ্চতায় গাঁথা
থাকে যে গাঁথুনির মেয়াদকাল অসীম
অনন্তকাল ।
.
জন্মগ্রহন করার পর থেকে গন্ডীবদ্ধ
চিন্তার মধ্যে বেড়ে ওঠা পড়াশোনা
করা তবে সেটা জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে
নয় ভবিষ্যতের অর্থচিন্তায় এবং শুধু
তাতেই মগ্ন থাকা অতঃপর মোটা
অংকের কোন চাকুরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত
হয়ে নিজে ভাল থাকা পরিবারকে সুখে
রাখা তারপর স্রষ্ঠা নির্ধারিত
মেয়াদকাল উত্তীর্ন হবার পর
পরলোকগমন করা এটা আমাদের এখন
স্বাভাবিক জীবনযাত্রার একটা
উদ্দেশ্য এবং আমরা এটাই করে থাকি
সাধারনত ।
.
এতে করে কি হয় ???.
.
কয়জনের সুখের কারন হতে পারা যায়
আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কের চিন্তানুযায়ী
শুধু নিজেই সুখে থাকা যায় এর থেকে
বেশি কিছু নয় ।
.
আমি এই জীবনকে জীবন বলি না কারন
তবে তো আপনার মানুষ নয় অন্য কোন
প্রানী রুপে পৃথিবীতে আসা উচিত
ছিল।
.
মানুষ সকল সৃষ্টির সেরা জীব তার মধ্যে
বিধাতা সৃষ্টিশীলতা দিয়েছেন ;
দিয়েছেন একটা মস্তিষ্ক যেটার মূল্য
নূন্যতম ৫০০০ কোটি টাকা তবে সেটাকে
গন্ডীবদ্ধ রেখে অব্যবহৃত অবস্হায় যদি
আবার ফিরে যান তবে তো আপনার আর
একটা প্রানীর মধ্যে পার্থক্যের কোঠা
শূন্য ।
.
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনষ্টাইন
তার সম্পূর্ন মস্তিষ্কের মাত্র ২৮ ভাগ
ব্যবহার করেছিলেন আর নোবেলজয়ী
বিশ্বকবি রবি ঠাকুর ২২ ভাগ তবে কি
চিন্তা করতে পারেন আপনি যদি
আপনার মস্তিষ্ককে সম্পূর্ন ব্যবহার
করতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি কোন
উচ্চতায় পৌছাবেন ।.
.
ইচ্ছাশক্তি মানুষকে উপায়ের সন্ধান
দেয় আমরা অনেকে মনে করি অর্থ
ব্যতীত মানবের সেবা করা কিভাবে
সম্ভব কিন্তু এটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা
কারন ইংরেজিতে একটা কথা আছে ”
Money never starts an idea;rather it is money
what is starts by idea ”
.
মানবের তরে নিজেকে করতে কখনোই
অর্থ লাগেনা লাগে ইচ্ছাশক্তি ।
আমাদের সবার মস্তিষ্কে অলসতা খুব
তীব্র ভাবে বাস করে যেটা আমাদের
ইচ্ছাশক্তিকে তিলে তিলে শেষ করে
দিচ্ছে ।
.
আল হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্নিত রয়েছে
” মানবতার সেবায় যিনি নিজের
জীবনকে নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে
দিতে পারেন তিনিই মহামানব ”
.
সৃষ্টিকর্তা আমাদের পৃথিবীতে
পাঠিয়েছেন মানবতার সেবা করার
উদ্দেশ্য আর আমরা যদি সেটা থেকে
সারাজীবনই নিজেকে দূরে রেখে যত্ন
করে আমাদের মস্তিষ্কটাকে অকেঁজো
করে রাখি তবে আমাদের ভূমিষ্ঠ হবার
কোন মানে সেই ।
.
তাই পরের হিতার্থে চিন্তা করে দেখুন
প্রত্যেকটা মানুষই কোন না কোন দিক
দিয়ে বিশেষ প্রতিভার অধিকারী
তাই আপনি আপনার প্রতিভাটাকে সুপ্ত
করে না রেখে মানবতার তরে বিলিয়ে
দিয়ে দেখুন । নিজে অনুভব করতে
পারবেন প্রশান্তি।
.
নন্দিত হয়ে যান পৃথিবী থেকে তাতে
আপনার জগতে আসাটা সার্থক হবে ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *