৪৪ বছরে আমরা কি করেছি?

গতকাল হতে অনেক ম্যাসেজ এসেছে আমার ফোনে। স্বাধীনতার ম্যাসেজ, বিজয়ের ম্যাসেজ! ফেইসবুকে দেখছি অজস্র স্টাটাস। সবাই একে অপরকে happy victory day বলে wish করছে। স্কুল, কলেজে, পাড়া, মহল্লায় মাইক বাজিয়ে স্বাধীনতার বুলি আওড়িয়ে কি লাভ? যদি না দেশের জন্য আমি কি করেছি সে প্রশ্নের জবাবে আমাকে নিশ্চুপ থাকতে হয়। ৪৪ বছর পেরিয়ে গেছে স্বাধিনতার। আমাদের দেশের জন্য আগে কিছু করতে হবে। না, কিছু পাওয়ার আশায় নয়, দেশকে ভালবাসি বলে করতে হবে। একটাই প্রশ্ন স্বাধীনতার পর দেশের জন্য এই পর্যন্ত আমরা কি করেছি? আমরা প্রায়শই রাজনীতিবিদদের এইক্ষেত্রে দোষারোপ করি। কিন্তু তাদের ক্ষমতায় বসায় কে? এসব রাজনীতিবিদদের কুৎসিত চেহারা আমাদের কাছে উন্মুক্ত হওয়ার পরও আমরা সব নির্লজ্জের মত তাদের গুনগান গাই। স্বাধীনতার পক্ষে বিপক্ষে আমরা অনেব তর্ক বিতর্ক করেছি। রাজাকার রাজাকার বলে মিছিল মিটিং করেছি। কিন্তু যারা আমরা এসব করেছি অধিকাংশই শুধুমাত্র কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে বা নিজের স্বার্থে করেছি। কিন্তু দেশের স্বার্থ নিয়ে আমরা কয়জনে ভেবেছি। দেখুন আমি ও কি করব ভেবে পাচ্ছি না তাই লম্বা চওড়া একটা স্টাটাস লিখে দিচ্ছি। কি করার আছে আমার একার। ৪৪ বছর অনেক লম্বা চাইলে সবাই মিলে অনেক কিছু করতে পারতাম। কিন্তু আমরা দারিদ্রতাকে দোহাই দিয়েছি। যেমনটা আমি আমার একাকীত্বকে দোহাই দিয়েছি। কিন্তু এভাবে আর কতদিন যাবে? আর নয়। চলুন প্রত্যেকে দেশের স্বার্থে কিছু করি। যতটুকু পারি ততটুকু করি। আপনার সাথে কেউ নেই তবুও আপনি একা নন, দেশ আপনার সাথে আছে। সেই ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধারা আছেন আপনার সাথে। দেশের রাজনৈতিক নেতারা কি করল, আমরা কি করলাম? এসব বির্তক দুরে রেখে, অাসুন দেশের জন্য এখন পর্যন্ত আমি কি করলাম, আগামীতে কি করব? সেটাই ভাবি, আর পাশের ভাইটিকেও উদ্ভুদ্ধ করি এবং এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করি।

৩ thoughts on “৪৪ বছরে আমরা কি করেছি?

  1. ইতিবাচক ক্ষোভ
    ইতিবাচক ক্ষোভ প্রকাশিত।
    প্রচার বা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা যা-ই বলি না কেন এগুলোরও প্রয়োজন আছে, নতুবা এটি এক সময়ে ভুলে যাবে সবাই।

    স্বাধিনতার>স্বাধীনতার
    ক্ষমতাঢ>ক্ষমতায়
    গুনগান>গুণগান
    অনেব>অনেক
    দারিদ্রতাকে>দরিদ্রতাকে
    বির্তক>বিতর্ক
    উদ্ভুদ্ধ>উদ্বুদ্ধ

    1. প্রয়োজন নেই, সেটা বলি নি।
      প্রয়োজন নেই, সেটা বলি নি। বলেছি দেশের জন্য কি করেছি সে প্রশ্নের জবাবে চুপ থাকতে হয় তাহলে এসব আনুষ্ঠানিকতার কোন মূল্য নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *