নির্বাচন ও মালাউন প্রসঙ্গ।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গণতন্ত্রের যেই সংঙ্গা,সেই সংঙ্গায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র কি আদৌ সংঙ্গায়িত করা যায় কি না জানি না।নির্বাচনেই যা সীমাবদ্ধ, ক্ষমতার পালা বদলই যার সারকথা।
তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ পাবলিক টয়লেট।এক পক্ষ টয়লেটে বসে আরামসে প্রাকৃতিক কর্ম সম্পন্ন করে তো আরেক পক্ষ টয়লেটের দরজার সামনে পা পেঁচিয়ে দাঁড়িয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলে,”তাড়াতাড়ি বাইর হ ,কাপড় নষ্ট হইয়া গেল”।
তারই ধারবাহিকতায় শুরু হয়েছে স্থানীয় নির্বাচন। প্রথমে সিটি কর্পোরেশন এখন পৌরসভার নির্বাচন।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গণতন্ত্রের যেই সংঙ্গা,সেই সংঙ্গায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র কি আদৌ সংঙ্গায়িত করা যায় কি না জানি না।নির্বাচনেই যা সীমাবদ্ধ, ক্ষমতার পালা বদলই যার সারকথা।
তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ পাবলিক টয়লেট।এক পক্ষ টয়লেটে বসে আরামসে প্রাকৃতিক কর্ম সম্পন্ন করে তো আরেক পক্ষ টয়লেটের দরজার সামনে পা পেঁচিয়ে দাঁড়িয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলে,”তাড়াতাড়ি বাইর হ ,কাপড় নষ্ট হইয়া গেল”।
তারই ধারবাহিকতায় শুরু হয়েছে স্থানীয় নির্বাচন। প্রথমে সিটি কর্পোরেশন এখন পৌরসভার নির্বাচন।
নির্বাচনী মাঠ সরগরম নির্বাচনী আলোচনায়। যদিও ব্যাক্তিগত ভাবে এই রাজনৈতিক কর্মকান্ড গুলো এড়িয়ে চলি তারপরও সবসময় এড়ানো যায় না। কোন কোন সময় যেঁচে এসে ঘাড়ে পড়ে তখন অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে হয়।
তেমনি এক নির্বাচনী ঘরোয়া সভায় উপস্থিত থাকতে হয়েছিলো। সভার বিষয়বস্তু-নির্বাচনী ভোট পরিসংখ্যান।
যেহেতু এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচিত হবে সেহেতু এই পদের পরিসংখ্যান একটু অন্যরকম। যথারীতি আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে ,পুরো পৌরসভার মানচিত্র মেলে ধরে একজন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ সবাইকে বুঝিয়ে বলছে। দেখুন এইটা হলো বিএনপির সাইড এই কেন্দ্রগুলোতে বিএনপির প্রার্থীরা পাশ করে এইদিকে আওয়ামীলীগের সাইড এদিকের কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা পাশ করে আর এইদিকে হলো হিন্দু এলাকা। মালাউনরা নৌকা মার্কায়ই ভোট দিবো সুতরাং চিন্তার কিছু নাই! আমাদের কাজ করতে হইবো বিএনপির এলাকাতে।
বাহ এমন চমৎকার কথা শুনার পরে আর সভায় বসে থাকতে ইচ্ছা করলো না। চুপচাপ বেরিয়ে আসলাম।
মাথায় চিন্তা ঘুরতে লাগলো হায়রে মালাউনের বাচ্চারা”না হলি ঘরকা না হলি ঘাটকা”।প্রত্যেকটা নির্বাচন তোদের জন্য অভিশাপ বয়ে আনে,এমনই এক লেবেল লাগিয়ে নিয়ে জন্মেছিস এই দেশে। যদি বিএনপির প্রার্থী পাশ করে তবে তোদের উপর নির্যাতন নেমে আসে আওয়ামীলীগ কে ভোট দেবার অপরাধে। আর যদি আওয়ামী লীগ পাশ করে তবে নিযার্তনের শিকার হতে হয় বিএনপিকে ভোট না দেবার অপরাধে। আর উভয় ক্ষেত্রেই আওয়ামী থাকে নিশ্চুপ। কারণ সবই নাকি বিচ্ছিন্ন ঘটনা!
এই প্রসঙ্গেই জানতে চেয়েছিলাম এক দাদার কাছে। ওনার বক্তব্য হলো,”আমরা ভোট দেই মুজিবের নৌকারে।যেইটা আমাদের বাপ দাদার রক্তের সাথে মিশে আছে। নৌকায় ভোট না দিয়ে তো আর রক্তের সাথে বেইমানি করতে পারি না”।
যখন জানতে চাইলাম,”যেই নৌকারে আপনার বাপ দাদায় ভোট দিছে সেটা ছিলো হালের নৌকা যেটা ৭৫এ ডুবে গেছে। আর এখন হলো ডিজিটাল ইঞ্জিনের নৌকা,নৌকা কি আর আগেরটা আছে”?
দাদা বলে কি করবো,এছাড়া ভরসা পাইনা তো।
সত্যি,মালাউনের বাচ্চারা মালাউনই থেকে যাবে বড় জোড় মালু হতে পারবে মানুষ হতে পারবে না।

১ thought on “নির্বাচন ও মালাউন প্রসঙ্গ।

  1. সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ এর মধ্যে
    সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ এর মধ্যে একজন মালাউন বীরশ্রেষ্ঠও পাওয়া গেলনা। হালার মালাউনের পত্তনই হয় অন্যের কাঁধে ভর করে বৈতরণী পার হয়ে পরে ঐ কাঁধেই আঘাত করা। হালার মালাউনের বাচ্চারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *