মার্স ভাইরাসের ভয়াবহতা ও হজ্জ্ব প্রসঙ্গ!

বর্তমান বিশ্বের সাম্প্রতিকতম আতঙ্কের নাম- Middle East respiratory syndrome coronavirus (MERS-CoV) বা সংক্ষেপে- মার্স। আসুন মার্স সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিই-


বর্তমান বিশ্বের সাম্প্রতিকতম আতঙ্কের নাম- Middle East respiratory syndrome coronavirus (MERS-CoV) বা সংক্ষেপে- মার্স। আসুন মার্স সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিই-

শ্বাসযন্ত্রে আক্রমণকারী এই ভাইরাস প্রথম ২০১২ সালে সৌদিয়ারবে শনাক্ত করা হয়। Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS) পরিবারের একটি শক্তিশালী সদস্য এই মার্স ভাইরাসটি। বাদুড়ের শরীর থেকে আসা সার্স ভাইরাস ২০০২ সালে মহামারীর রূপ নিয়েছিল। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮শ মানুষ মারা যায়। জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদিয়ারব, আরব আমিরাত, ইয়েমেন, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, ইটালি, ফিলিপাইন এবং যুক্তরাষ্ট্রে এই মার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। মূলতঃ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকেই এভাবে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। ২০১২ সালে করোনা ভাইরাসের নতুন রূপটির খোঁজ মেলে সৌদি আরবে। মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রম) নামের এই ভাইরাসটি উটের দেহ থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়। মার্স ভাইরাসটি সার্সের চেয়ে মারাত্মক হলেও কম সংক্রমিত হয়। মার্স ভাইরাসে ৬৫৯ জন সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখনো পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯৯ জন।


উটের শরীরে মার্স ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষণ চলছে

মার্স ভাইরাসের ফলে জ্বর, কাশি, কফ, শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা এমনকি নিউমোনিয়ায়ও আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। অন্ত্র প্রদাহ, ডায়রিয়াও লক্ষ্য করা গেছে। ক্রমাগত অসুস্থতার ফলে শ্বাসকষ্ট চরম আকার ধারন করতে পারে। অনেক রোগীর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন- কিডনীতে সমস্যা, এমনকি মস্তিষ্কে শকজনিত কারনে মূর্ছাও যেতে দেখা যায়। জরিপে দেখা গেছে মার্স আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪৫.৫% রোগীই মৃত্যুবরণ করেছে। মার্স ভাইরাসের আক্রমণে অনেক ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়, যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট করে দেয়। বৃদ্ধদের জন্য এটা রীতিমতো বিভীষিকাময়। ডায়বেটিস, ক্যান্সার, ফুসফুসে প্রদাহও হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে বাহ্যিকভাবে লক্ষণগুলো প্রকট না হয়েও দেখা গেছে তারা ইতিমধ্যে ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।


মানব শরীরে মার্স সংক্রমণের এলাকা

মার্স এর প্রধান উৎস হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বাদুড়সহ বিভিন্ন পাখি, গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, শুকর, উটসহ অন্যান্য বন্য প্রাণী। প্লস প্যাথোজেনস নামের চিকিৎসা বিজ্ঞান সাময়িকীর একটি প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন যে মানুষের শ্বাসনালীর কোষের মধ্যে করোনা ভাইরাসটি বংশবিস্তার করে। ভাইরাসটি কোষের ভিতরে ঢুকে এর কোষ ঝিল্লির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এরপরে এগুলোর কাঠামো পরিবর্তিত করে নিজের চারপাশে শক্ত বেষ্টনী তৈরি করে ভাইরাসটি এর বংশ বিস্তার করতে শুরু করে। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ভাইরাসটি ছড়ায়। এ ছাড়া উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী থেকেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকে যায়। আবার এমনও দেখা গেছে, অনেক জায়গায় এ ভাইরাসটি শনাক্ত করা গেছে, কিন্তু সেখানে সংক্রমণের কোন উপযুক্ত কারন পাওয়া যায়নি। সেক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয়েছে অন্য কোন মাধ্যম যেমন- গবাদি পশুর মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকতে পারে। খুব বেশি মেলামেশা না হলে এক বাহক থেকে অন্য বাহকে ভাইরাসটি সংক্রমিত হওয়াটা একটু কঠিন। বিভিন্ন পশু ও পাখির দেহে এন্টিবডির খোঁজে গবেষনা চালিয়েছেন গবেষকরা, কিন্তু পাওয়া যায়নি। এখনো পর্যন্ত মার্স এর কোনো ভ্যাক্সিন আবিষ্কৃত হয়নি। তবে রোগের উপসর্গ অনুযায়ী যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।


মার্স ভাইরাসের আনুবীক্ষণিক ছবি-১

গবেষকরা সবাইকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যাপারে জানিয়েছেন। বিশেষ করে খামার, পশুপাখির হাট, বাজারে যাওয়ার ব্যাপারে। প্রাণী স্পর্শ করার ব্যাপারে উপযুক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী। দুধ, কাঁচা মাংস এসব মার্স ভাইরাস সংক্রমনের অন্যতম ভয়াবহ কারন। অপ্রক্রিয়াজাত প্রাণীজ দ্রব্যাদি ব্যবহারেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। মাংস, দুধ ইত্যাদি যথাযথভাবে জীবানুমুক্ত করে রান্না করার পরেই খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ডায়াবেটিকস, মুত্রনালীর সমস্যা, ফুসফুস আক্রান্ত রোগীসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন রোগীদের ক্ষেত্রে মার্স ভাইরাস প্রকট আকার ধারন করতে পারে। বর্বর আরবদেরকে কাঁচা উটের মাংস, দুধ, মুত্র খাওয়ার এমনকি প্রাণী সঙ্গমের ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞরা নিষেধ করে দিয়েছেন। উটের খামার, কসাইখানার কর্মীদেরকে কাজ শেষে জীবানুনাশক দিয়ে শরীর ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গবেষকরা। সরাসরি প্রাণীদেহ স্পর্শ করার সময় মুখে মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। কর্মীদের ব্যবহৃত পোশাক, জুতা ইত্যাদি থেকে পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য পশুদের দূরে রাখতে হবে। আক্রান্ত পশু জবাই করে তার মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে।


মার্স ভাইরাসের আনুবীক্ষণিক ছবি-২

স্বাস্থ্যকর্মীরাও মার্স ঝুঁকির বাইরে নয়। বিভিন্ন দেশে প্রচুর স্বাস্থ্যকর্মী মার্স আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের উপসর্গের কারনে প্রাথমিকভাবে মার্স ভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব হয় না, ফলে বুঝে ওঠার আগেই অন্যদের মাঝে সংক্রমণ ঘটে যায়। যার ফলে অনেক দেশের স্বাস্থ্যকর্মীরা এখন আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করছেন।

WHO এই মুহুর্তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ভ্রমণের ব্যাপারে সমর্থন করছে না। তারা গবেষক এবং বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে ভাইরাসটির মোকাবেলায় রক্ষণ কৌশল নির্ধারণ, প্রতিরোধ, প্রতিরক্ষা, চিকিৎসা প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। আক্রান্ত দেশগুলোতে উন্নততর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে তারা। পরিস্থিতি মোকাবেলা, প্রশিক্ষণ, নজরদারি, গবেষণাগারে তথ্য উপাত্ত সংরক্ষণ ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। WHO’র ডিরেক্টর জেনারেল ইন্টারন্যাশনাল হেল্থ রেগুলেশন এর অধীনে একটা ইমার্জেন্সি কমিটি গঠন করেছেন এ ধরনের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরী পরিস্থতি মোকাবেলা করার জন্য। Severe acute respiratory infections (SARI)র ওপর নজরদারি করার জন্য WHO তার সদস্যদেরকে নির্দেশ দিয়েছে। সেই সাথে অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়ার ওপরেও নজর রাখা অব্যহত রেখেছে। মার্স এর ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য বিশ্বব্যাপী সকল পর্যটককে সাবধান করে দিয়েছে। সকল স্বাস্থ্যকর্মীকে মার্স ভাইরাস সম্পর্কে প্রশিক্ষিত করণ ও উপযুক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।


মার্স ভাইরাসের আনুবীক্ষণিক ছবি-৩

মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছু পর্যটকদেরকে বলা হয়েছে যারা ডায়বেটিস, ফুসফুসের রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন মার্স ভাইরাসের কারনে অসুস্থতার তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। শুধুমাত্র সতর্কতা অবলম্বন করলেই ফ্লু, ডায়রিয়া ইত্যাদি থেকে সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব অনেকাংশে। হাত মুখ ধোয়ার কাজে শুধু সাবান বা পানিই যথেষ্ট নয়। এন্টিসেপ্টিক হ্যান্ড ওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। ফল, সব্জিসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য ভালো করে পরিষ্কার করে তারপর খেতে হবে। হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহার শেষে টিস্যু ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফেরার পর অতিস্বত্ত্বর মেডিক্যাল চেকআপের ব্যবস্থা করতে হবে।

সৌদিয়ারবে বেশ কিছু বাঙালি মারা যাওয়ায় প্রবাসী বাঙলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক কাজ করছে। রিয়াদের বাঙলাদেশি অধ্যুষিত এলাকার বেশ কয়েকটি হাসপাতালে বাঙলাদেশি রোগীদের ভিড় অনেক। রিয়াদের মুরসালাত ক্লিনিকের প্রবাসী বাঙলাদেশি ডা. রাইসুল মাসুদ জানিয়েছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা হলেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছুটে আসছেন ক্লিনিকে। বার বার জানতে চাইছেন, মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা। সৌদি আরবের স্থানীয় নাগরকিদের মধ্যে মার্স ভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি কাপড় ব্যবসায়ী নোয়াখালির আব্দুল করিম জানিয়েছেন, মার্স ভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে নিতান্ত জরুরী কাজ ছাড়া সৌদি নাগরিকরা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। তাই আগের চেয়ে বিক্রির পরিমাণ অনেক কমে গেছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে মোটা অংকের লোকসানের শিকার হতে হবে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় ঘুরেও আরোহী না পেয়ে হতাশ হয়ে বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাদেরকে। কুমিল্লার প্রবাসী বাংলাদেশি নাজমুল আক্ষেপ করে বলেন, ‘প্রতিদিন কোম্পানিকে ১৪০ রিয়াল জমা দিতে হয়। আগে যেখানে প্রতিদিন ২৫০-৩০০ রিয়াল আয় করা যেত সেখানে এখন কোম্পানির প্রতিদিনকার জমা ১৪০ রিয়াল উঠাতেই কষ্ট হচ্ছে। কারণ, যাত্রীদের ভয় যদি ট্যাক্সি চালক মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।’ মার্স ভাইরাসের ভয়াবহতা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক প্রবাসী দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। এমনি একজন লক্ষ্মীপুরের ৪২ বছর বয়সী মোমেন সর্দার জানান, ‘বেঁচে থাকলে টাকা-পয়সা অনেক হবে। যদি দেখি অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে তাহলে দেশে চলে যাব।’ প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজেদের আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষোভের সুরে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা নিয়ে হতাশাও ব্যক্ত করেছেন। চট্টগ্রামের মারুফ আক্ষেপ করে বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার দেশি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে এই মার্স ভাইরাস নিয়ে কোনো প্রচারণা চালাচ্ছে না। এতে করে স্বল্প শিক্ষিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাদের নিউজের একমাত্র উৎস স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল তারা মার্স ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়গুলো জানছে না। পাশাপাশি সরকারিভাবে যদি প্রচারণা চালানো হতো তাহলে দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পরিবার-পরিজনদের ভাইরাস নিয়ে নানাজনের কাছে নানা সংবাদে বিভ্রান্ত হতে হত না।

প্রতিবছরের মতো এবারও হজ মওসুম উপলক্ষ্যে সৌদিয়ারবের টার্গেট কয়েকশ’ বিলিয়ন ডলার উপার্জন। বিভিন্ন খাত থেকে সৌদিয়ারব এ উপার্জন করে। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন অমুসলিম দেশের ব্যবসায়িদের জন্য অস্থায়ী দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ দেয়া। যতো বেশি হজ যাত্রী, ততো বেশি ব্যবসা। হজ যতো না ধর্মের জন্য, তার চেয়ে বেশি শেখদের রাজকোষ ভর্তি করার জন্য। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ তাদের হজযাত্রীদের ওপর সৌদিয়ারব ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো, যারা হজ যাত্রাকে ইহকাল ও পরকালের একমাত্র পাথেয় মনে করে, ধর্মীয় অনুভূতির কারনে যাদের নাওয়া খাওয়া উল্টে যায়, সেসব দেশের পক্ষ থেকে সৌদি ভিসা প্রদানের ব্যাপারে তেমন কোনো বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়নি। কোনো প্রচারণাও নাই। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। মক্কা চেম্বার অফ কমার্সের হজ ও ওমরা কমিটির প্রেসিডেন্ট সাদ আল কুরাইশি বলেন, ‘যারা ফ্লু জাতীয় রোগের টিকা গ্রহণ করেনি এমন সব ব্যক্তিদের এবার হজের ভিসা দেয়া হবে না’। এখানে এই ফাঁকটি রেখে দেয়া হয়েছে। কারন, কোনো টিকায় মার্স ঠেকানো সম্ভব না। মার্সের এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক নেই। এদিকে রমজান মাসের বাকি আছে অল্প ক’দিন। হজ এবং ওমরা এজেন্সিগুলো মার্স সম্পর্কিত প্রচারণায় ভুল ধারনা দিচ্ছে বলে জানা গেছে। সৌদিয়ারবে অবস্থিত বাঙলাদেশী দূতাবাসে কর্মরত একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অপারগতা জানিয়ে বলেন, মার্স এর কারনে এবার সৌদিয়ারবে হজ উপলক্ষে আগত পূণ্যার্থীদের সংখ্যা কমে যাবে মনে করছেন সৌদি কর্তৃপক্ষ। যার কারনে তাদের বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রাও ব্যাহত হতে পারে বলে আশংকা করছেন। রাজ পরিবারের কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে প্রশাসন এবং মিডিয়াকে চাপ দেয়া হয়েছে, যেন মার্স সম্পর্কিত তথ্যগুলো ধামাচাপা দেয়া হয়।
বিগত ২৪মে’তে WHO’র এক রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে মার্স এ মৃত্যুর হার নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যও চেপে গেছে সৌদি সরকার। এসব কারনে ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রীদেরকে ভিসা দেয়ার আগে মেডিকেল চেকআপ করা হচ্ছে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে।


মার্স সংক্রান্ত ২৪মে ২০১৪’র রিপোর্ট

সম্প্রতি বাঙলাদেশে একজন মার্স আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ৫৩ বছর বয়সী আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গত ৪ জুন নিউইয়র্ক থেকে আবুধাবি হয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ের মধ্যে তিনি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ৯ জুন প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন বলে জানান আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান।

আমাদের দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এসব বিষয়ে কোনো মাথা ব্যাথা দেখা যাচ্ছে না। হজ বিষয়ক এজেন্সিগুলোর চাপে পড়ে দেশের হজযাত্রীরা যেনো প্যানিকড না হয়, তাই এই গুরুতর বিষয়টি দৃষ্টিগোচরে আনা হচ্ছে না। কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ক প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে না। এ সব কিছুর মূলে রয়েছে ব্যবসা। সম্প্রতি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে অবস্থিত একটি হজ কাফেলার অফিসে একজন হজযাত্রী এসব বিষয় নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হজ কাফেলার কর্মকর্তারা মার্স এর বিষয়টি একটি গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে তাঁর কাছ থেকে অগ্রিম টাকাও নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তিনি খবর নিয়ে জানতে পারলেন এর আসল ভয়াবহতা। এখন কাফেলার লোকজন এসব নিয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এর বিপরীত চিত্রও দেখা গেছে আন্দরকিল্লায় অবস্থিত আরো কয়েকটি হজ কাফেলার অফিসে। অনেক হজ যাত্রীর মুখে শোনা যায় একই কথা- হজ করতে গিয়ে যদি মার্স আক্রান্ত হয়ে মারাও যান, তবে সেটা হতে তাদের উপরি পাওনা! কি অদ্ভূত সাইকোলজি!

এখনই বাঙলাদেশ সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে মার্স প্রতিরোধে। অন্ততঃ এই বছর হজ ভিসা প্রদান বন্ধ রাখা উচিত। সৌদিদের হজ বাণিজ্যের কারনে আমাদের ১৬কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে দেয়া যাবে না। সৌদিউটভাইরাস থেকে উদ্ভূত মহামারীর হাত থেকে বাঁচাতে ধর্মানুভূতি এই বেলা দূরে সরিয়ে রাখা দরকার।

৪৫ thoughts on “মার্স ভাইরাসের ভয়াবহতা ও হজ্জ্ব প্রসঙ্গ!

  1. লা-ইলাহা-ইল্লা-আন্তা-সুবহানাক
    লা-ইলাহা-ইল্লা-আন্তা-সুবহানাকা ইন্নি-কুনতুম মিনাজ জোয়ালিমিন। ও রে বাবা এইডা আবার কি আল্লা, আল্লা, আল্লা…….এবার হজ্জ্বে জামুনা। মাফও চাই দোয়াও চাই। ডাবল পয়সা খরচ করনের মুরোদ নাই। :দেখুমনা: :দেখুমনা: :দেখুমনা:

    1. বাঁচলে আরো হজ করতে পারবেন।
      বাঁচলে আরো হজ করতে পারবেন। এবারের ট্যাকাগুলা ইচলামি বেংকে রাইখা কিছু শরীয়া মোতাবেক মুদারাবা মুনাফা কামায় লন। পরের বার হজ কইরা আসার সময় সেই সুদ থুক্কু মুনাফার ট্যাকায় সোনাদানা কিইন্যা আইনেন।

  2. সৌদিউটভাইরাস থেকে উদ্ভূত

    সৌদিউটভাইরাস থেকে উদ্ভূত মহামারীর হাত থেকে বাঁচাতে ধর্মানুভূতি এই বেলা দূরে সরিয়ে রাখা দরকার।

    হায়! হায়! সৌদিগো এবার হজ্জ্ব বানিজ্য পোঙা মারা খাবে। তবে আবাল বাঙালী ঠিকই সৌদিদের পোঙা মারা খাইতে যাইবে।

    এই পোস্ট প্রতিটা পরিবারে ফটুকপি কইরা ছাইড়া দেওয়া উচিত।

  3. বাংলাদেশের সকল হজ্জ্ব যাত্রীর
    বাংলাদেশের সকল হজ্জ্ব যাত্রীর এইবার হজ্জ্বে যাওয়ার আগে ভেবে দেখা উচিত। বেঁচে থাকলে হজ্জ্বে যেতে পারবেন ভবিষ্যতে। কিন্তু সৌদি আরবের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেকে স্বাস্থ্য ঝুকিতে ফেলে দেওয়া চরম বোকামী হবে। সবাই যার যার অবস্থান থেকে আপনার পরিবারকে সচেতন করুন। বিশেষভাবে যে ভাবে যে সব পরিবারে কেউ হজ্জ্বে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন তাদের সৌদি আরব যাওয়ার আগে একবার ভেবে দেখা দরকার।

    1. নিজের স্বাস্থ্য ঝুঁকি হলে
      নিজের স্বাস্থ্য ঝুঁকি হলে একটা কথা ছিলো। একজনের মাধ্যমে আরো কয়েকশ মানুষকে মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত করার কোনো অধিকার তাদের নাই।

  4. WHO এই মুহুর্তে মধ্যপ্রাচ্যের

    WHO এই মুহুর্তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ভ্রমণের ব্যাপারে সমর্থন করছে না।

    তাহলে কি আমাদের এইবারের হজ্ব করা হইবো না? আমরা কি এই সৈদীয়ারব চেয়েছিলাম? এইগুলান সব ইহুদী চক্রান্ত, লাল মাটির দেশ থেইক্যা এইদেশে আসছে এইগুলি। লাল মাটির দেশ “MARS” থেকে বোতলে কইরা আইন্যা, পূণ্যদেশে ছড়াইয়া দিসে ইহুদীরা চক্রান্ত কৈরা। ফতোয়া জারীর বিরুদ্ধে এমন অনাচার সইহ্য হইবো না। প্রয়োজনে মার্সে আক্রান্ত হইয়া মরুম তাও পূণ্য দেশেই মরুম!!!

  5. হুম .1. ১৬কোটি মানুষকে
    হুম .1. ১৬কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে দেয়া যাবে না।
    সৌদিউটভাইরাস থেকে উদ্ভূত মহামারীর হাত
    থেকে বাঁচাতে ধর্মানুভূতি এই
    বেলা দূরে সরিয়ে রাখা দরকার।
    2.প্রয়োজনে মার্সে আক্রান্ত হইয়া মরুম তাও পূণ্য
    দেশেই মরুম!!!
    3. হায়! হায়! সৌদিগো এবার হজ্জ্ব বানিজ্য
    পোঙা মারা খাবে। তবে আবাল বাঙালী ঠিকই
    সৌদিদের পোঙা মারা খাইতে যাইবে।

    ভাল একটি সচেতনতা মুলক. পোষ্ট . কিন্তু হজ্ব. নিয়ে বাজে তামাশা না করার অনুরোধ.

    1. এখানে বাজে তামাশা আপনি কোথায়
      এখানে বাজে তামাশা আপনি কোথায় পেলেন, বুঝলাম না।
      ১. বাঙলাদেশ থেকে প্রতিবছর কি পরিমাণ হজযাত্রী হজ করতে যায়, তা জানেন? যদি তাদের দ্বারা মার্স সংক্রমণ হয়, সেটা কতোটা ভয়াবহ হতে পারে, আন্দাজ করতে পারেন? এখন বরং হজের চাইতে স্বাস্থ্যঝুঁকির হার কে প্রাধান্য দেয়া উচিত।
      ২. আমি সরাসরি হজ গমনেচ্ছু যাত্রীদের সাথে কথা বলে এটাই বুঝতে পেরেছি, তারা মার্স এর ভয়াবহতা সম্পর্কে থোড়াই কেয়ার করে। তাদের চিন্তা একটাই- মার্স হয়ে মরলেই মোক্ষলাভ নিশ্চিত! এটাকে স্থূলভাবে না নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করুন।
      ৩. ‘সৌদিদের হজ বাণিজ্য’ শুনে কষ্ট পেলেন? আমার বাবা-মা’র মতো কট্টর ধর্মানুভূতি সম্পন্ন মানুষও হজ করে এসে এটা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। সর্বত্রই বাণিজ্য ছাড়া আর কিছুই নাই। সারা বিশ্বের অমুসলিম সব ব্যবসায়ীদেরকে মেলায় দোকান বসানোর মতো করে রাস্তাঘাটে-ফুটপাথে বেচাকেনার সুযোগ করে দেয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা আয় করছে সৌদি সরকার। হজটাকে তারা পৌষ সংক্রান্তি মেলায় পরিণত করে ফেলেছে সৌদি সরকার। আবাল বাঙালি, যারা হজটাকে জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য মনে করে ফেলেছে, দেশের মানুষের প্রতি যাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই, পরিবারকে কোন পর্যায়ে রেখে যাবে, সেই চিন্তা নেই; হজ করতে গিয়ে ওই দেশেই মরার বাসনা মনে ধারন করে- তাদের কথাই বলা হয়েছে।

      ‘তির্যক দৃষ্টিভঙ্গি’ বিষয়টি সবার পক্ষে হজম করা সম্ভব হয় না অনেক সময়।

  6. এই ধরণের মহামারী মোকাবেলা
    এই ধরণের মহামারী মোকাবেলা করার ভালো রেকর্ড আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগের আছে নিকট অতীতেই। আশা করি মার্স ভাইরাস মোকাবেলায়ও আমরা সমর্থ হবো। প্রয়োজন সচেতনতা। আর যারা ঝুঁকি স্বত্বেও সৌদি যাবে তারা নিজ দায়িত্বেই যাবে, ফেরার পর আচ্ছামতন কোয়ারান্টাইন কইরা রাখলেই হইব।

    1. আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,
      আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে জোর প্রচারণা চালানো উচিত। প্রচার মাধ্যমগুলোতেও এই ব্যাপারটি উঠে আসা উচিত।

  7. আতিক ভাইয়ের সাথে একমত। যেহেতু
    আতিক ভাইয়ের সাথে একমত। যেহেতু কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্তদের চিহ্নিত করা কঠিন, সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্য গামী এবং মধ্যপ্রাচ্য ফেরত সবাইকেই নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রয়োজনে কোয়ারেন্টাইন করার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    চমৎকার পোষ্ট। রোগের লক্ষন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শগুলো একটু হাইলাইট করে দিলে একটু ভালো হত।

    1. বিমান বন্দরেই বিশেষজ্ঞদের
      বিমান বন্দরেই বিশেষজ্ঞদের একটা দল সার্বক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ডবাই রাখা উচিত। যারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত যাত্রীদেরকে পরীক্ষা করবে। সন্দেহজনক মনে হলে আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

      লক্ষণ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক টার্মসগুলো কিন্তু বলা হয়েছে। আমি চেয়েছি আলাদা করে পয়েন্টগুলো মার্ক না করে সবাইকে পুরোটাই পড়ার জন্য উৎসাহিত করতে। কারন, পোষ্টটা একটু আকারে বড় হয়ে গেছে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য সন্নিবিষ্ট করার চেষ্টা করেছি পুরো পোষ্টজুড়ে।

      1. হাইলাইট করে দিলে যারা বড়
        হাইলাইট করে দিলে যারা বড় পোষ্ট পড়ে অভ্যস্ত না তাদের জন্য সুবিধা হবে শওকত ভাই।

    1. সেটাই… সরকার বাহাদুরের
      সেটাই… সরকার বাহাদুরের গোড়ায় ঝাঁকি না লাগা পর্যন্ত তো ঘুম ভাঙে না, এটাই একটা সমস্যা।

    1. মন্তব্যে লাইক দেয়ার একটা অপশন
      মন্তব্যে লাইক দেয়ার একটা অপশন চালু করা হোক ইস্টিশনে। ডাক্তার সা’ব রে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

  8. বর্বর আরবদেরকে কাঁচা উটের

    বর্বর আরবদেরকে কাঁচা উটের মাংস, দুধ, মুত্র খাওয়ার এমনকি প্রাণী সঙ্গমের ব্যাপারেও বিশেষজ্ঞরা নিষেধ করে দিয়েছেন।

    সর্বনাশ !! আরবরা উষ্ট্র সহবাস করে ??? খুঁজতে গিয়ে তো ব্যাপক উড়াধূড়া রেজাল্ট পেলাম ইয়াহুতে !!! তওবা তওবা।

    1. আরবরা তো বর্বর জাতি, নতুন করে
      আরবরা তো বর্বর জাতি, নতুন করে কিছুই বলার নাই। এমন পূণ্যভূমিতে তারা কলঙ্কময় কাজ করে বেড়াচ্ছে। উপরঅলা তো বেজার হবেই। সার্স মার্স টার্স দিয়া তাদেরকে শায়েস্তা করা হচ্ছে।

  9. এই নিন MERS ভাইরাস
    এই নিন MERS ভাইরাস সম্পর্কে-

    ভাইরাসের চিত্র-

    প্রতিরোধ ও চিকিৎসা- (দুখিত, এই মুহুর্তে আমার বংগানুবাদ করার মত সময় হাতে নাই, কেহ ইচ্ছা করলে বংগানুবাদ করে দিতে পারে)

    Middle East Respiratory Syndrome (MERS)
    VIRUS

    এটা CORONA VIRUS এর একটি উপদল।

    Prevention & Treatment

    Prevention

    Currently, there is no vaccine to prevent MERS-CoV infection. CDC is discussing with partners the possibility of developing one.
    CDC routinely advises that people help protect themselves from respiratory illnesses by taking everyday preventive actions:
    • Wash your hands often with soap and water for 20 seconds, and help young children do the same. If soap and water are not available, use an alcohol-based hand sanitizer.
    • Cover your nose and mouth with a tissue when you cough or sneeze, then throw the tissue in the trash.
    • Avoid touching your eyes, nose and mouth with unwashed hands.
    • Avoid personal contact, such as kissing, or sharing cups or eating utensils, with sick people.
    • Clean and disinfect frequently touched surfaces such as toys and doorknobs.

    Treatment

    There is no specific antiviral treatment recommended for MERS-CoV infection. Individuals with MERS can seek medical care to help relieve symptoms. For severe cases, current treatment includes care to support vital organ functions.

    সূত্র- http://www.cdc.gov/coronavirus/mers/about/prevention.html

    People Who May Be at Increased Risk for MERS

    Recent Travelers from the Arabian Peninsula
    If you develop a fever and symptoms of respiratory illness, such as cough or shortness of breath, within 14 days after traveling from countries in or near the Arabian Peninsula*, you should call ahead to a healthcare provider and mention your recent travel. While sick, stay home from work or school and delay future travel to reduce the possibility of spreading illness to others.
    Close Contacts of an Ill Traveler from the Arabian Peninsula
    If you have had close contact** with someone who recently traveled from a country in or near the Arabian Peninsula*, and the traveler has/had fever and symptoms of respiratory illness, such as cough or shortness of breath, you should monitor your health for 14 days, starting from the day you were last exposed to the ill person.
    If you develop fever and symptoms of respiratory illness, such as cough or shortness of breath, you should call ahead to a healthcare provider and mention your recent contact with the traveler. While sick, stay home from work or school and delay future travel to reduce the possibility of spreading illness to others.
    Close Contacts of a Confirmed or Probable Case of MERS
    If you have had close contact** with someone who has a probable or confirmed MERS-CoV infection, you should contact a healthcare provider for an evaluation. Your healthcare provider may request laboratory testing and outline additional recommendations, depending on the findings of your evaluation and whether you have symptoms. You most likely will be asked to monitor your health for 14 days, starting from the day you were last exposed to the ill person. Watch for these symptoms:
    • Fever (100° Fahrenheit or higher). Take your temperature twice a day.
    • Coughing
    • Shortness of breath
    • Other early symptoms to watch for are chills, body aches, sore throat, headache, diarrhea, nausea/vomiting, and runny nose.
    If you develop symptoms, call your healthcare provider as soon as possible. Before your medical appointment, call the healthcare provider and tell him or her about your possible exposure to MERS-

    সূত্র- http://www.cdc.gov/coronavirus/mers/risk.html

  10. মার্স ভাইরাসের মত কত ভাইরাস
    মার্স ভাইরাসের মত কত ভাইরাস ধরা পড়েছে৷ যেমন:
    (১) সোয়াইন ফ্লু- শুকর থেকে৷
    (২) বার্ড ফ্লু- মুরগি বা পাখি জাতীয় প্রাণী থেকে (৩) এনথ্রাক্স- গরু থেকে৷
    ___তো আজ পর্যন্ত শুনিনি এগুলো তে এতো সমস্যা থাকতেও খাওয়া বা পোষা ছাড়ান দেছে৷
    ___আর একটা কথা ভাইরাস যখন ধরা পড়েছে,অবশ্যই এর প্রতিষেধক,প্রতিরোধ,প্রতিকার এর ব্যবস্থা হবে৷ হজ্ব এখনও অনেক দেরি,হয়তো এর ভিতর একটা ব্যবস্থা হবে ইনশাল্লাহ৷ কারণ,তারা বসে নেই,শুধু ধৈর্য ধরুন,উপায় একটা বের অবশ্যই হবে৷

    1. যদি দেখা যায়, হাজীরা টাকা জমা
      যদি দেখা যায়, হাজীরা টাকা জমা দিয়ে রেডি, কিন্তু কোনো প্রতিষেধক বের হলো না- তখন কি হবে?

  11. বাহরে । ভালই তো ! অনেক পুরানা
    বাহরে । ভালই তো ! অনেক পুরানা একটা লেখা কিনা ইস্টিশনে গত সপ্তাহেও সর্বাধিক পঠিত, এই সপ্তাহেও তাই । নির্ঘাত এটা এক ধরণের স্প্যামিং না হয়ে যায়না ।

    হায়রে, এসব কি দিনকাল পড়লো …!

  12. আহারে ! সেই ১৯৫৩ সালের একটা
    আহারে ! সেই ১৯৫৩ সালের একটা লেখা টানা তিন সপ্তাহে জংশনে ১ নাম্বার পজিশনে। ব্লগের মুল্লুকে আর কত কি যে দেখমু!

    নৃত্যের ইমো কই পাই…?

    1. ১৯৫৩ সালের লেখা নিইয়ে আর কত

      ১৯৫৩ সালের লেখা নিইয়ে আর কত টানাহেচড়া করবেন শওকত সাহেব? এবার ক্ষান্ত দেন !!!

      এখানে টানা হেঁচড়া বলতে কি বুঝিয়েছেন, ব্যাখ্যা করুন। ব্যাখ্যা পছন্দ না হলে পরনের কাপড় বাঁচাতে পারবেন না। এটা কিন্তু কথার কথা না, বুইঝা নিয়েন।

    2. শেহজাদ আমান, আপনার সমস্যাটা
      শেহজাদ আমান, আপনার সমস্যাটা ঠিক কি খুলে বলুন তো? শওকত ভাইকে ব্লগের মারফত চিনি আজ প্রায় ৫ বছর ধরে। ফেইম সিকিং জিনিসটা সবার সাথে যায় না। একটু বুঝে শুনে কথা বইলেন এর পর থেকে। না হলে আপনার জন্য মানসিক ডাক্তার দেখানোর কথা বলতে বাধ্য হবো। আজাইরা প্যাঁচাল।

      1. একটু বুঝে শুনে কথা বইলেন এর

        একটু বুঝে শুনে কথা বইলেন এর পর থেকে। না হলে আপনার জন্য মানসিক ডাক্তার দেখানোর কথা বলতে বাধ্য হবো।

        অন্য ক্ষেত্রে কি করি জানিনা, তবে এক্ষেত্রে আমি বুঝে-শুনেই অভিযোগ করেছি। এটা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন !

      1. যা বলেছি ভাই, আমি
        যা বলেছি ভাই, আমি confidence-er সাথেই বলেছি। আমার মতে, আমার এক্ষেত্রে সন্দেহ বা আপত্তিটা মোটেই অযউতিক কিছু না। But, আপনি আপনি যখন বলছেন, তখন এটা নিয়ে আর মাথা আমি না হয় নাই ঘামালাম !

        1. আপনার সন্দেহটা খুলে বলুন।
          আপনার সন্দেহটা খুলে বলুন। গুয়ের মাঝে নাক গলিয়ে বসরাই আতর শুঁকতে গেলেও গুয়ের গন্ধ পাবেন। আগে নাক পরিষ্কার করে আসুন।

  13. গুয়ের মাঝে নাক গলিয়ে বসরাই

    গুয়ের মাঝে নাক গলিয়ে বসরাই আতর শুঁকতে গেলেও গুয়ের গন্ধ পাবেন।

    এটার সাথে দ্বিমত পোষণ করি।
    বিশেষ শ্রেণীর প্রাণীগুলো সারাদিন গু’এর মধ্যেই দিনাতিপাত করে,
    কিন্ত্য তাই বলে তাদের নাকে কি সুগন্ধ লাগতে পারে না? এটা কোন কথা হোল?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *