সেদিনের দুই নরপিশাচ

সেদিনের দুই নরপিশাচঃ

সেদিনের দুই নরপিশাচঃ
আজ শোকাবহ ১৪ই ডিসেম্বর।১৯৭১ সালের এইদিনে অর্থাৎ চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র ২ দিন আগে জাতিকে মেধশুণ্য করার নীলনকশা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের।আর এই হত্যাকাণ্ডের শিরোমণি ছিল দুই কুখ্যাত আলবদর চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান।বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নীলনকশায় স্বাধীনতার ঠিক আগে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তারা দুজনেই জামায়াতে ইসলামীর তখনকার সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা ও আল-বদর সদস্য ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ‘সক্রিয় অবস্থান’ নেন।৭১’ সালের ১১ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত’ আলবদর বাহিনীর ‘চিফ এঙিকিউটর’ ছিলেন আশরাফুজ্জামান খান। আর চৌধুরী মঈনুদ্দীন ছিলেন সেই পরিকল্পনার ‘অপারেশন ইনচার্জ’।এই দুই আল-বদর নেতার নেতৃত্বে দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের অপহরণ ও নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। ওই সময় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়জন শিৰক, ছয় জন সাংবাদিক ও তিনজন চিকিৎসকসহ ১৮ বুদ্ধিজীবীকে অপহরণের পর নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে।আশরাফুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বেজড়া ভাটরা (চিলেরপাড়) গ্রামে। চৌধুরী মুঈন উদ্দীনের বাড়ি ফেনীর দাগনভুঞার চানপুরে। বর্তমানে আশরাফুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে এবং চৌধুরী মঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে রয়েছে।
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের পর ধরা পড়ে আল-বদর কমান্ডার খালেক মজুমদার বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছিল। তখন সে জানিয়েছিল যে, আল-বদররাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে; আর চৌধুরী মঈনুদ্দীন বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অপারেশন-ইন-চার্জ। এ বিষয়ে সে বছর ২৩ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক-এ এবং ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ অবজারভার-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইত্তেফাক-এর প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘নরপিশাচ আল-বদরের আরেকজন গ্রেফতার : অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটিত’। ‘অ্যাবস্কনডিং আল-বদর গ্যাংস্টার’ শিরোনামে বাংলাদেশ অবজারভার-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতে ইসলামীর সদস্য চৌধুরী মঈনুদ্দীনকে ঢাকায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অপারেশন-ইন-চার্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে ধরা পড়া আল-বদর রিং লিডার ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মকর্তা আবদুল খালেক। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে চৌধুরী মঈনুদ্দীনের ছবিও ছাপা হয়েছিল। ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে ‘অ্যা জার্নালিস্ট ইজ লিঙ্কড টু মার্ডার অব বেঙ্গলিজ’ শিরোনামে নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যে বাংলা পত্রিকাটিতে মঈনুদ্দীন কাজ করতেন সেখানকার সহকর্মী রিপোর্টারদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন বন্ধুবৎসল, ভদ্র ও বুদ্ধিমান যুবক হিসেবে। তার চেহারা ছিল আকর্ষণীয়। দাড়ি ছিল সুন্দর করে ছাঁটা। একটি ডানপন্থি মুসলিম রাজনৈতিক দলের নেতার কাছ থেকে আসা টেলিফোন কল রিসিভ করা ছাড়া তার অন্য কিছু ব্যতিক্রম ল্ক্ষ্য করা যেত না। কিন্তু গত কয়েকদিনের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ওই কলগুলো ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। মঈনুদ্দীনকে শনাক্ত করা হয়েছে উগ্রপন্থীদের একটি গোপন কমান্ডো ধরনের সংগঠনের প্রধান হিসেবে, যে সংগঠনটি কয়েকশ বাঙালি অধ্যাপক, চিকিৎসক, আইনজীবী ও সাংবাদিককে ঢাকার একটি ইটখোলায় নিয়ে হত্যা করেছে। যুদ্ধের শেষ তিন রাতে আল-বদর নামে পরিচিত ওই সংগঠনের কালো সুয়েটার ও খাকি প্যান্ট পরা সদস্যরা বুদ্ধিজীবীদের ধরে বধ্যভূমিতে নিয়ে যায়। আটক আল-বদর সদস্যরা জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতার পরে সব বাঙালি বুদ্ধিজীবীকে মেরে ফেলা।

ব্রিটেনে বসবাসরত তিনজন বাংলাদেশির একাত্তরে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে ১৯৯৫ সালে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করে ব্রিটিশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টুয়েন্টি টুয়েন্টি টেলিভিশন। কয়েক পর্বের এ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রচার করে চ্যানেল ৪। অভিযুক্ত এই তিন যুদ্ধাপরাধী হলো চৌধুরী মঈনুদ্দীন, আবু সাঈদ ও লুৎফর রহমান। ‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইল’ নামের ওই প্রামাণ্যচিত্রে চৌধুরী মঈনুদ্দীনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের তথ্যপ্রমাণ (প্রত্যদর্শীদের বিবরণসহ) তুলে ধরা হয় সেগুলো হলো–
১. অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীকে অপহরণ ও গুম করা
A family member present at the scene states: “they stormed into the house brandishing guns and with gamchas over their faces. While being taken away, [Prof Chaudhury] pulled down the gamcha from one of the men’s faces, I recognised him immediately. It was Mueen-Uddin; I knew him because he used to come to our house to study.”
২. সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে অপহরণ ও গুম করা
Serajuddin Hossain’s wife identified Chowdhury Mueen-Uddin as one of the men who took her husband.
৩. সাংবাদিক আতাউস সামাদকে অপহরণের চেষ্টা।
Two tenants were woken up by a gang of men and saw the faces of the leader. After independence, when a photograph of Mueen-Uddin’s face was published they both recognised him as the man leading the abductions, that night.

একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যা, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ, বেআইনিভাবে ঘরে প্রবেশ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র প্রভৃতি অভিযোগে চৌধুরী মঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ১৯৯৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী গিয়াসউদ্দীনের বোন ফরিদা বানু মামলাটি করেন। গিয়াসউদ্দীন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আল-বদরের একটি দল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুহসীন হল প্রাঙ্গণ থেকে চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায় গিয়াসউদ্দীনকে। আর ফিরে আসেননি তিনি। অপহরণকারী দলে ছিল আশরাফুজ্জামান ও চৌধুরী মঈনুদ্দীন। মামলার বাদী ফরিদা বানু জানান, তিনি ও তাঁর অন্য স্বজনরা ১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি গিয়াসউদ্দীনের গলিত লাশ শনাক্ত করেছিলেন। পরে তাঁরা জানতে পারেন যে, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক সিরাজুল হক, রাশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের ও ডা. গোলাম মর্তুজাসহ আরো কয়েকজনকে একই কায়দায় ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মর্তুজার স্ত্রী এবং সিরাজুল হকের ছেলে দুই অপহরণকারীকে চিনতে পারেন। ওই দুজন হলো আশরাফুজ্জামান ও চৌধুরী মইনুদ্দিন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঘাতক-দালালদের মধ্যে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ছিল দুজন। এরা হলো চৌধুরী মঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান। একজন বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অপারেশন ইনচার্জ, অন্যজন চিফ এক্সিকিউশনার বা প্রধান জল্লাদ। এই প্রধান জল্লাদই হলো আশরাফুজ্জামান। সে ছিল ইসলামী ছাত্রসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সেই সুবাদে আলবদর হাইকমান্ডেরও সদস্য। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের পর আশরাফুজ্জামানকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পত্রিকায় তার ছবিসহ সংবাদ ছাপা হয়েছিল। ওই সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞের এই জল্লাদকে ধরিয়ে দিন’। যে গাড়িটিতে করে ঘাতকরা বুদ্ধিজীবীদের বধ্যভূমিতে নিয়ে যেত, তার চালক মফিজউদ্দিন ধরা পড়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছিল বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে প্রধান জল্লাদ হিসেবে আশরাফুজ্জামানের ভূমিকার কথা।

আশরাফুজ্জামানের ৩৫০ নম্বর নাখালপাড়ার বাড়ি থেকে একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি উদ্ধার করেছিল মুক্তিবাহিনী। ওই ডায়েরির দুটো পৃষ্ঠায় ২০ জন বুদ্ধিজীবীর নাম পাওয়া যায়, যাঁদের মধ্যে আটজনকে হত্যা করা হয়। তাঁরা হলেন–মুনীর চৌধুরী, ড. আবুল খায়ের, গিয়াসউদ্দীন আহমেদ, রাশীদুল হাসান, ড. ফয়জুল মহী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. গোলাম মর্তুজা। এঁদের প্রত্যেককে আশরাফুজ্জামান নিজে গুলি করে হত্যা করেছিল বলে জবানবন্দি দেয় মফিজউদ্দিন। ডায়েরির অন্যান্য পাতায় দালাল বুদ্ধিজীবীদের নামের পাশাপাশি আলবদর হাইকমান্ডের নামের তালিকা ছিল। এতে মঈনুদ্দীন ছাড়াও ছিল কেন্দ্রীয় কমান্ড সদস্য শওকত ইমরান ও ঢাকা শহরপ্রধান শামসুল হকের নাম।দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আশরাফুজ্জামান পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে। সেখানে রেডিও পাকিস্তানে চাকরি নেয় সে। পরে চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। এখনো সেখানেই আছে।
চৌধুরী মঈনুদ্দীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পালিয়ে আসেন যুক্তরাজ্যে। এরপর থেকে এখানেই বসবাস করছেন এবং এই দীর্ঘ সময়ে নিজেকে একজন মুসলিম নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গড়ে তুলেছেন মুসলিম এইড নামক চ্যারাটি প্রতিষ্ঠান। ইস্ট লন্ডন মসজিদের পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন দীর্ঘ দিন। আরেক যুদ্ধ্বাপরাধী আবু সাঈদকে নিয়ে একবার গড়ে তুলেন দাওয়াতুল ইসলাম নামক সংগঠন। পরে নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে আলাদা হয়ে ইসলামী ফোরাম ইউরোপ ( আইএফই) গঠনের মধ্য দিয়েই মুসলিম নেতা হিসাবে বিলেতের রাজপরিবারের সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন ব্যাক্তিগত সম্পর্ক। পাশাপাশি যুক্ত হন ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের সঙ্গে। যুদ্ধ্বাপরাধী বিচার শুরু হওয়ার পর বিতর্কের মুখে মুসলিম এইড ও ইস্ট লন্ডন মসজিদের পরিচালনা পর্ষদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও নেপথ্যে থেকে বিলেতের জামায়াত ইসলামের কলকাঠি নাড়ছেন। মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার চলাকালীন সময়ে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন আল-জাজিরাকে এক সাক্ষাৎকারে চৌধুরী মুঈনুদ্দীন বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হবেন না। এবং এর কারণে হিসেবে তিনি বলছেন, বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনাল একটি কৌতুক। তারা একটি সাজানো বিচার করছে। যদিও বিচার চলাকালীন সময় ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে (বিবিসি) এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থেকে নিজের নাম কাটাতে তিনি একটি ‘স্বচ্ছ’ বিচারের মুখোমুখি হতে চান। – সম্প্রতি বিডিনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে চৌধুরী মইনুদ্দিন দম্ভভরে বলে,”“বিচারক ও তাদের চ্যালাচামুণ্ডারা নিজেরা উল্টো ঝুলে পড়লেও আমাকে ঝোলাতে পারবে না।” উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার দায়ে আলবদর কমান্ডার চৌধুরী মঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ

ট্রাইব্যুনাল-২। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে ৩ নভেম্বর এই রায় দেয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত ১১টি অভিযোগের সবগুলো প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে তাদেরকে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
চৌধুরী মঈন উদ্দিন ১৯৭১ এর পর দুইবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। একবার জিয়াউর রহমানের আমলে আরেকবার এইচএম এরশাদের আমলে। ‘এ সময় তাদের সাথে পুলিশ প্রটেকশন এবং সে পাকিস্তান দূতাবাসের গাড়িতে করে এসেছিল।

আজ শোকাবহ ১৪ই ডিসেম্বর ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস” এ অনতিবিলম্বে যেন এই খুনী নরপিশাচদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হয় সেই প্রত্যাশাই করি।

তথ্যসূত্রঃ

আলবদর ছিল গোপন কমান্ডো বাহিনী


চৌধুরী মঈনুদ্দীন : বুদ্ধিজীবী হত্যার অপারেশন-ইন-চার্জ
http://sherpurnews24.com/2013/11/exclusive-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9D%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE/
http://www.manobkantha.com/2015/08/07/56214.php

২ thoughts on “সেদিনের দুই নরপিশাচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *