ইচ্ছে থাকলেও উপায় নাই, বর্ষবরণ উৎসব উৎযাপন করা

একটু ভেবে দেখেছেন কি?? প্রায় প্রত্যেক বছর অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বাঙ্গালীর একটি বড় মাপের অংশ বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উৎযাপন করতে পারেনা।

আগে বছরের এই সময় এস.এস.সি পরীক্ষা চলত। তখন এস.এস.সি পরীক্ষার্থীরা এই উৎসব উৎযাপন করতে পারতনা। এই বছর সহ বিগত কয়েক বছর যাবৎ বছরের এইসময় এইচ.এস.সি পরীক্ষা হচ্ছে, ফলে কয়েক লক্ষ্য বাঙ্গালী এই উৎসব উৎযাপন করতে পারেনা।

সরকার একটু খেয়াল রাখলেই হয়ত এরাও উৎসব উৎযাপনকারীদের সাথে একাত্ত হয়ে বাংলা বছরকে বরণ করতে পারত। কিন্তু প্রতি বছর একি ব্যপার ঘটলেও কেও কি তা লক্ষ্য করছে?? নাহ করছে না !!! করলে তো এমন হতো না বা এটা নিয়ে কথা শুনতাম। তাই আমি বলব করছেনা।


একটু ভেবে দেখেছেন কি?? প্রায় প্রত্যেক বছর অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বাঙ্গালীর একটি বড় মাপের অংশ বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উৎযাপন করতে পারেনা।

আগে বছরের এই সময় এস.এস.সি পরীক্ষা চলত। তখন এস.এস.সি পরীক্ষার্থীরা এই উৎসব উৎযাপন করতে পারতনা। এই বছর সহ বিগত কয়েক বছর যাবৎ বছরের এইসময় এইচ.এস.সি পরীক্ষা হচ্ছে, ফলে কয়েক লক্ষ্য বাঙ্গালী এই উৎসব উৎযাপন করতে পারেনা।

সরকার একটু খেয়াল রাখলেই হয়ত এরাও উৎসব উৎযাপনকারীদের সাথে একাত্ত হয়ে বাংলা বছরকে বরণ করতে পারত। কিন্তু প্রতি বছর একি ব্যপার ঘটলেও কেও কি তা লক্ষ্য করছে?? নাহ করছে না !!! করলে তো এমন হতো না বা এটা নিয়ে কথা শুনতাম। তাই আমি বলব করছেনা।

যদিও তারা বর্ষ বরণ উৎসব উৎযাপন করতে চায় কিন্তু তারা পারছেনা।
আসলে কি তারা পারছেনা, নাকি তাদের কে কোন ভাবে বা কোন কারনে পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না??
আমি বলব দেওয়া হচ্ছে না।

প্রতিবারই এইচ এস সি রুটিনে পরীক্ষার মাঝে অনেক ছুটি থাকে অনেক পরীক্ষার মাঝে ৭/৮ দিন বা তারও বেশী ছুটি থাকে। এই ছুটিগুলো যদি পহেলা বৈশাখ কে মাঝ খানে রেখে দেওয়া যায় তাহলেই তো তারা উৎসব উৎযাপন করতে পারে কিন্তু তা হয় না দেখা যায় তার পর দিন ই পরীক্ষা থাকে, এই বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

না ভেবে,না চিন্তা করে, দেখলে অনেকের ক্ষেত্রে(যারা পরীক্ষার্থী বা তাদের পরিবার) মনে হবে ১ বছর ই তো ব্যপার না। কিন্তু ভেবে দেখেন আজ আমি কাল আমার ছোট ভাই পরশু আমার পরবর্তী প্রজন্ম !!!

প্রতি বছর এই পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কিন্তু কম থাকেনা। প্রায় কয়েক লাখ। তার মানে কি প্রতি বছর সরকার অলিখিত ভাবে কয়েক লাখ বাঙ্গালীকে বর্ষবরণ থেকে বিরত রাখছে না ???আমি শুধু এইসরকারের কথাই বলছিনা বরং বিগতবারেও যারা যারা সরকারে ছিলেন তাদের কথাও বলছি।

এক ধরনের গোষ্ঠী বা ধর্ম ব্যবসায়ী অপশক্তি আছে যারা এই বর্ষবরণ উৎসবের বিরোধিতা করে, তারা চায় না যে বর্ষবরণ উৎসব হোক। তাহলে বিগত ও বর্তমান সরকারও কি এই এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বর্ষবরণ উৎসব পালনের ক্ষেত্রে ব্যহত করে ঐ গোষ্ঠী গুলোর সাথে কি এক রকমের হাত মেলাচ্ছেন না???

হা হা হা!! ব্যাপার গুলো অনেক সুক্ষ তাই কেউ এত নিয়ে মাথা ঘামায় না, কিন্তু এই ছোট বিষয়টার মাধ্যমে আমরা কত বড় ক্ষতি করছি তা কল্পনাতিত!!!!!

১ thought on “ইচ্ছে থাকলেও উপায় নাই, বর্ষবরণ উৎসব উৎযাপন করা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *