কালো মেয়ের বিশ্ব জয়




আমাদের মতো পশ্চাৎপদ সমাজে কালো মেয়েদের যন্ত্রণা অনেক। অনেক উন্নত দেশের মেয়েরাও এ ধরনের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পায় না। কালো মেয়েদের জীবন যাপন একটু আলাদা হতে তাই বাধ্য। আলাদা বৃত্তে থেকে সমাজের লাঞ্ছনা গঞ্জনা সইতে সইতে নিঃশ্বেষ হয়ে যায় অনেক প্রতিভা। সমাজের এই মনোভাবের সুযোগ নিয়ে ফেয়ার এন্ড লাভলির মতো কোম্পানিগুলো মেয়েদের নিয়ে জঘন্য অপমানের খেলায় মেতে ওঠে। এর মাঝেই কেউ কেউ আবার এই আলাদা বৃত্তে থেকেই নিজেকে গড়ে নেন আলাদা করে। কালো বর্ণ হলেও রূপবতী হওয়া যায় এমনটা প্রমাণ হয়ে গেছে অনেক আগেই। তারপরও কালো, তাই তাকে শুধু রূপবতী হলেই হয় না।বিশ্বজয়ের প্রতিভা নিয়ে জন্মাতে হয় তাকে। বেড়ে উঠতে হয় নানা সংগ্রাম ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। এমন কজন কৃষ্ণাঙ্গী বিশ্বজয়ীদের নিয়ে এই আয়োজন
সেরেনা ও ভেনাস উইলিয়াম
টেনিস কোর্টে ঝড় তোলা দুই মার্কিন

অপরাহ উইনফ্রে
বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আফ্রিকান, আমেরিকান ধনী, আমেরিকার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ জনহিতৈষী ব্যক্তি। বিভিন্ন জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী এবং একমাত্র উঁচু দরের ধনকুবের কৃষ্ণাঙ্গী সুন্দরী। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টক শোটি তার নামে নামাঙ্কিত। জনপ্রিয় এই টক শো অপরাহ উইনফ্রে শো’র জন্যই তার এত খ্যাতি, প্রতিপত্তি।

নাওমি ক্যাম্পবেল
মডেল সম্রাজ্ঞী।

হ্যালি বেরি
সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহণকারী অস্কারজয়ী অভিনেত্রীদের একজন তিনি।

আগবানি দারিগো
প্রাণোচ্ছল আর সুন্দর মুখশ্রীর আগভানি সবকিছুকে জয় করে ২০০১ সালে নাইজেরিয়ার সববেয়ে সুন্দর নারীর খেতাব জয় করেন। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তিনিই প্রথম আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ সুন্দরী যার মাথায় শোভা পেয়েছে মিস ওয়ার্ল্ডের হীরের মুকুট।

বিয়োন্স নোয়েলস
চমকানো রূপ, নিজস্ব স্টাইল আর সুমধুর কণ্ঠের জাদুতে কাবু করেছেন বিশ্বকে। পুরো নাম বিয়োন্স গিসেল নোয়েলস।

কন্ডোলিসা রাইস
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ thoughts on “কালো মেয়ের বিশ্ব জয়

  1. লেখাটা অনেক সুন্দর হয়েছে।
    লেখাটা অনেক সুন্দর হয়েছে। :থাম্বসআপ:
    এই লিস্ট আরো বড় করা যায়। যাইহোক ইউরোপিয়ানরা বর্ণবিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু আমরা তাদের থেকে অনেক বেশী বর্ণবিদ্বেষী। আমাদের বিদ্বেষটা ছুপা, কাজে কাজে আমরা প্রমান করি, মেয়েরাই যার ভুক্তভোগী।

  2. অনাদি কাল থেকেই পুরুষ জাতি
    অনাদি কাল থেকেই পুরুষ জাতি নারীকে ঘরে বন্দী করে ভোগ্যপণ্য বানিয়ে রেখেছে। তাই নারী কালা কি সাদা, সুন্দর কি অসুন্দর এই নিয়ে এতো আলোচনা সমালোচনা চলতো। কিন্তু দিন এখন পাল্টেছে (যদিও আমাদের দেশে পরিবর্তন অনেক ধীর হচ্ছে), নারী এখন শুধু ভোগ্যপণ্য হিসেবেই পরিচিত না, সবার আগে তাঁরা মানুষ তারপর নারী, সেটা নিজ যোগ্যতায় প্রমাণ করতে পেরেছে তাঁরা। এখন আর নারী সুন্দর্য্য শুধু রূপের মধ্যে সীমাবদ্ধতা নেই, তার আসল সুন্দর্য্য বিবেচিত হয় তার কর্মে বা সে কতটুকু প্রতিভাবান তার উপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *