বিশ্বাস বনাম সত্য

বিশ্বাস হলো প্রমান এবং কারন ছাড়াই কোন কিছুকে মেনে নিয়ে মিথ্যার দাসত্ব করা। আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ সর্বজান্তা এবং মুহাম্মদ কুরানের লেখক নয় কিন্তুু কেন সর্বজান্তা আল্লাহ – ডাইনোসর, মংগলগ্রহ, ক্লোনিং, আদম – হাওয়ার পৃথিবীতে অবতরণের স্থানের নাম, ১ লাখ ২৪ হাজার নবী-রাসূলের নাম, মোবাইল, রেডিও, টেলিভিশন, স্যাটেলাইট – এরকম কয়েক লাখ বিষয় সম্বন্ধে বলতে অক্ষম সেটার উত্তর খুজে পাইনা।


বিশ্বাস হলো প্রমান এবং কারন ছাড়াই কোন কিছুকে মেনে নিয়ে মিথ্যার দাসত্ব করা। আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ সর্বজান্তা এবং মুহাম্মদ কুরানের লেখক নয় কিন্তুু কেন সর্বজান্তা আল্লাহ – ডাইনোসর, মংগলগ্রহ, ক্লোনিং, আদম – হাওয়ার পৃথিবীতে অবতরণের স্থানের নাম, ১ লাখ ২৪ হাজার নবী-রাসূলের নাম, মোবাইল, রেডিও, টেলিভিশন, স্যাটেলাইট – এরকম কয়েক লাখ বিষয় সম্বন্ধে বলতে অক্ষম সেটার উত্তর খুজে পাইনা।

★ সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত Commission on Scientific Signs in the Quran and Sunnah যারা ডলারের উপর ডলার খরচ করছে কুরানকে আল্লাহর বানী প্রমানের চেষ্ঠায়। এর প্রতিষ্ঠাতা জিদানী। এই কমিশনের ডোনেটরদের একজন ছিলেন ওসামা বিন লাদেন। ফ্রি প্রথম শ্রেণীর বিমান টিকিট, ৫-স্টার হোটেল বুকিং, ১,০০০ ডলার পারিশ্রমিক এবং বড় বড় নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ দিয়ে জিদানীর কমিশন কিছু পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের তাদের কনফারেন্সগুলোতে টেনে আনলেন। জিদানী বিজ্ঞানীদের “সম্পূর্ণ” নিরপেক্ষ থাকার আশ্বাস দেন এবং মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে স্বীকার করতে বাধ্য করেন যে কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণা রয়েছে। বিজ্ঞানী উইলিয়াম হেয় মন্তব্য করেন “আমি সেই ফাঁদে পা দিয়েছিলাম এবং পরে অন্যদের সাবধান করে দিলাম”। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এদের দূর্নীতি প্রকাশ পায়। শুনেছি জিদানী এখন এসব ছেড়ে ইয়েমেনে ইসলামী শাসন তন্ত্র কায়েমে ব্যস্ত।

লক্ষ্য করুন আল কোরআনের সূরা লুক্বমান, আয়াত নং ৩৪:
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋِﻨﺪَﻩُ ﻋِﻠْﻢُ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔِ ﻭَﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﺍﻟْﻐَﻴْﺚَ ﻭَﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺣَﺎﻡِ
ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪْﺭِﻱ ﻧَﻔْﺲٌ ﻣَّﺎﺫَﺍ ﺗَﻜْﺴِﺐُ ﻏَﺪًﺍ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪْﺭِﻱ ﻧَﻔْﺲٌ ﺑِﺄَﻱِّ ﺃَﺭْﺽٍ
ﺗَﻤُﻮﺕُ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠِﻴﻢٌ ﺧَﺒِﻴﺮٌ

অর্থাৎ একমাত্র সর্বশক্তিমান আল্লাহ জানেন, গর্ভের সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে, একমাত্র সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহই জানেন, কখন বৃষ্টি হবে, যা একমাত্র সর্বশক্তিমান ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষে জানা সম্ভব নয়।

গর্ভের সন্তান কবে জন্মগ্রহণ করবে, গর্ভের সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে এবং কবে, কোথায় বৃষ্টি হবে, এগুলো আমরা বিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আগে থেকেই জানতে পারি। পনরোশো বছর আগে আধুনিক বিজ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞ মানুষের তৈরি কোরআনের ধারণাই ছিলো না যে, ভবিষ্যতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হবে। এতেই প্রমাণিত হয় যে, আল কোরআন একটা মিথ্যা ও ভুলের সংকলন এবং মুসলিমরা সেই মিথ্যার দালাল।

ইসলামের পিঠ বাচাতে আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতা কমিয়ে নতুন অনুবাদ করা হয়। সর্বশেষ এই অনুবাদে কৌতুকের উপস্থিতি ব্যাপক। অনুবাদ বিকৃতি করেও তারা ইসলামের পিঠ বাচাতে অক্ষম
লক্ষ্য করুন আল কোরআনের সূরা লুক্বমান, আয়াত নং ৩৪:

ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋِﻨﺪَﻩُ ﻋِﻠْﻢُ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔِ ﻭَﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﺍﻟْﻐَﻴْﺚَ ﻭَﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺣَﺎﻡِ
ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪْﺭِﻱ ﻧَﻔْﺲٌ ﻣَّﺎﺫَﺍ ﺗَﻜْﺴِﺐُ ﻏَﺪًﺍ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺪْﺭِﻱ ﻧَﻔْﺲٌ ﺑِﺄَﻱِّ ﺃَﺭْﺽٍ
ﺗَﻤُﻮﺕُ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠِﻴﻢٌ ﺧَﺒِﻴﺮٌ
তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং গর্ভাশয়ে যা থাকে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকল্য সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন দেশে সে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

★ সেই মুরের কথা মনে আছে যার রেফারেন্স ড.জাকির নায়েক দিয়েছিলেন। তিনি বড় গলায় বলেছেন কুরান হাদীসের ভ্রুন ত্বত্ত পুরোপুরি আধুনিক আবিস্কারের সাথে মিলে যায়। আমি নিশ্চীত যে কুরান আল্লাহর পক্ষ হতে এসেছে। মজার ব্যাপার তিনি এত নিশ্চীত হবার পর ও ইসলাম গ্রহন করেন নি। তার দূর্নীতি প্রকাশ পাবার পর যখন ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল সাক্ষাতকার নিতে চাইল তখন তিনি সাক্ষাতকার দিতে অস্বীকার করলেন। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হল কোরান সম্পর্কে তিনি বললেন “ওসব অনেক আগে বলেছিলাম আর কিছু বলতে চাই না”

★ “বৈজ্ঞানিক বিস্ময়” সমর্থন হিসেবে জাকির নায়েক প্রায়ই পশ্চিমা ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ Dr Joe Leigh Simpson এর একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন। কিন্তু পরে ডঃ সিম্প্‌সন তার নিজের সেই মন্তব্যগুলোকে বলেছে “বোকা এবং লজ্জাকর”।
তাহলে যুক্তি খন্ডন করি
১.তাহলে যুক্তি হল নবী কারীম(স) এর পক্ষে ভ্রুন ত্বত্ত জানা অসম্ভব ছিল ঐ সময়ে তাই কোরান অবশ্যই আল্লাহর বানী। কিন্তু উনার আগে জন্ম নেওয়া অ্যারিষ্টেটল (৮৫০বছর আগে, গ্রীস) নেওয়া অ্যপরোক্রাইটিস(১০০০বছর আগে, গ্রীস), শরক(৪৪৭বছর আগে, ভারত), গ্যালেন(৪৩৯ বছর আগে, তুরস্ক) ভ্রুন ত্বত্ত সম্পর্কে ধারনা দেন। তারা কিভাবে ধারনা দিলেন। এক সাধু বলেছিলেন মানুষ নাকি ধ্যান করে অতীতে যেতে যেতে ভ্রুনাবস্থায় চলে যেতে পারে তবে এই ধ্যান বড় কঠিন। তারা কি সেভাবেই জেনেছিলেন।

২.এখন কথা হল মুহাম্মদ আসলেই এটা আল্লাহর কাছ থেকে প্রথম পেয়েছিলেন? একথা সত্য হতে হবে জরুরী নয়।
• হতে পারে মুহাম্মদ ধ্যানের ফলে জেনেছিলেন।তিনি তো হেরা গুহায় ধ্যান করতেন।
• তার চেয়ে বেশী সম্ভব তিনি ঐ মনীষীদের জ্ঞান ই লাভ করেছিলেন। কারন ৮০০বা হাজার বছর অনেক এই সময়ে তুর্কি বা গ্রীসের জ্ঞান আরবে যেতেই পারে।
কিন্তু মূল কথা হল যে যুক্তি কুরান যে আল্লাহর পক্ষ হতে এসেছে তা নিশ্চীত নয়।

৩.দেখা যাচ্ছে জাকির নায়েকের রেফারকৃত ডা.মুর আসলে সেই চক্রের টাকা খেয়েই ঐসব বলেছিলেন তিনি নিজে ইসলাম গ্রহন করেন নি। তার রেফারেন্স কি গ্রহনযোগ্য?

৪.আলাক শব্দটির মানে পরিবর্তন করা হয়েছে। এটা অসম্ভব নয়। কারন তারা টাকার বিনিময়ে কুরানকে আল্লাহর বানী প্রমান করতে চাচ্ছে তারা কি একটা আরবী ডিকশনারী বদলে দিতে পারে না। এটা একটা পরিস্কার ভন্ডামী নয় কি যে শব্দের মানে বদলে দিয়ে বিস্তৃতকে উটপাখির ডিম আর জমাট রক্তকে লেগে থাকা কিছু জোক ইত্যাদি বানানো। কারন অন্ধ বিশ্বাসীরা তো একে ও বিশ্বাস করবে। জাকির নায়েক কি সেই অন্ধবিশ্বাসী দূর্নীতিবাজ চক্রের সাথে জড়িত?????

কুরআনকে আল্লাহর বানী আখ্যায়িত করে জাকির নায়েক বলেন কুরান হাদীসে ভ্রুন ত্বত্ত খুজে পাওয়া গেছে।তিনি বলেন ইয়েমেনের শাইখ আব্দুল মাজিদ আযযানির নেতৃত্বে একদল মুসলীম কুরান হাদীস হতে ভ্রুন-ত্বত্ত সংগ্রহ করে তা বিখ্যাত প্রফেসর কেইথ মুরের কাছে নিয়ে যান।কেইথ মুর নাকি বলেছেন কুরান হাদীসের ভ্রুন ত্বত্ত পুরোপুরি আধুনিক আবিস্কারের সাথে মিলে যায়।স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যায় কুরআন আল্লাহর বানী।কারন তখন তো কোন অনুবীক্ষন যন্ত্র আবিস্কার হয় নি। যা দ্বারা মুহাম্মদ জেনে যাবেন। কারন মায়ের পেটে অবস্থান কারও পক্ষে জানা সম্ভব নয়। কিন্তু জাকির নায়েকের এই যুক্তি ও প্রমান করে না কোরান আল্লাহর বানী। তার যুক্তি খন্ডন ও পৃথিবীর সকল ইসলামী চিন্তাবিদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে। ধৈর্য ধরে পড়তে থাকুন।
ডঃ মরিস বুকাইলি আর ডঃ কিথ এল মুর, মাতৃগর্ভে মানব ভ্রুণ যে পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পায় এবং কোরআন যে বিস্ময়কর ভাবে তার বর্ণনা দেয়, এই ধারণা জনসাধারণের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছেনঃ

“আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি মৃত্তিকার উপাদান হইতে, অতঃপর আমি উহাকে শুক্রবিন্দুরূপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আধাঁরে; পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি “আলাক”-এ, অতঃপর আলাক্‌কে পরিণত করি পিণ্ডে এবং পিণ্ডকে পরিণত করি অস্থিপঞ্জরে; অতঃপর অস্থি-পঞ্জরকে ঢাকিয়া দেই গোশ্‌ত দ্বারা; অবশেষে উহাকে গড়িয়া তুলি অন্য এক সৃষ্টিরূপে। অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ কত মহান!” (সূরা মু’মিনূন ২৩:১২-১৪)

তাহলে আমরা দেখি যে কোরআনে পাচটি ধাপের বর্ণনা রয়েছে—

প্রথম ধাপ : নুৎফা (نُطْفَه) – বীর্য
দ্বিতীয় ধাপ : ‘আলাক্বা (عَلَق) – রক্তপিণ্ড
তৃতীয় ধাপ : মুদাঘা (مُضْغَه) – গোশতের খণ্ড বা পিণ্ড
চতুর্থ ধাপ : ‘আদাম (عَظَمَ) – হাড়
পঞ্চম ধাপ : গোশত দিয়ে হাড়কে ঢেকে দেওয়া।
কিছু তথ্য জানতে হবে

১. ইতিহাস থেকে জানা যায় যে হযরত মুহাম্মদের সময়কালেও এই মানব ভ্রুণের এই ধাপগুলো অজানা ছিল না, বরং মধ্যপ্রাচ্যে অনেকাংশে এগুলো সাধারণ জ্ঞান ছিল। হিপক্রিতাস, এরিস্টটল এবং গ্যালেনের প্রত্যেকেরই লেখাতে এই ধাপগুলোর বর্ণনা করেছেন:
প্রথম ধাপ : বীর্য
দ্বিতীয় ধাপ : মাসিক রক্ত
তৃতীয় ধাপ : মাংস
চতুর্থ ধাপ : হাড়
পঞ্চম ধাপ : গোশত দিয়ে হাড়কে ঢেকে দেওয়া
এই গ্রীক বিজ্ঞান আরবীয়দের কাছে পরিচিত ছিল।
এমনকি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর নিজের একজন সাহাবী, হারিস বিন কালাদ, জুনদি-শাপুর বিদ্যালয়ে গ্রীক মেডিসিন পড়েন এবং এভাবে হিপোক্রিতাস, এরিস্টটল এবং গ্যালেনের মেডিকেল শিক্ষার সাথে পরিচিত হন।

২. দ্বিতীয়ত, ‘আলাক্ব (عَلَق) শব্দটা “জোঁক” বা “ঝুলন্ত” দিয়ে অনুবাদ করা কেবলমাত্র আধুনিক একটা উদ্ভাবন। গত ১৪শ বছরে যতগুলো কোরআন অনুবাদ করা হয়েছে, সবগুলোতে “রক্তপিণ্ড” দিয়ে অনুবাদ করা হয়। বিখ্যাত আরবীয় মুসলিম চিকিৎসাবিদ ইবনে সিনা ও ইবনে কাইয়িম এই عَلَق শব্দকে জমাট রক্ত হিসেবেই ধরে নিয়েছেন, যেমনই ধরেছেন বিগত ১৪০০ বছরের প্রত্যেক কোরআন অনুবাদক।সেই দাহাহার মত এখানে ও শব্দ বিকৃতি ঘটেছে।

৩. তৃতীয়ত, আধুনিক ভ্রূণবিদ্যা অনুযায়ী, মাংসপেশী (উপরোক্ত পঞ্চম ধাপ) তৈরী হয় হাড়ের আগেই (উপরোক্ত চতুর্থ ধাপ)। হাড়কে “মাংস দিয়ে ঢেকে দেওয়া” হয় না বরং মাংসপেশী সৃষ্টির পরে সেই মাংসপেশীর ভিতরে আস্তে আস্তে হাঁড় বেরিয়ে এসে শক্ত হয়।

৫.ডঃ বুকাইলিও মানতে বাধ্য হয়েছে যে, “এখানে ভ্রূণ সম্পর্কে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা আধুনিক বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত তথ্যের সাথে আদৌ সঙ্গতিপূর্ণ নয়।” (বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান:মরিস বুকাইলি/জ্ঞানকোষ প্রকাশনী[২০০৮]পৃ-৩২৯)

কুরানে ফেরাউনের কথা লেখা আছে মমি করে রাখার কথা ! আর সে সময়ে আরবের সবাই জানতো মিশরের রাজা ফারাওদের মমি করে রাখার ঘটনা। কারণ আরব (মক্কা) মিশরের প্রতিবেশী দেশ। আর তাই মুহাম্মদ আগেই জানতো ফেরাউনের কথা। সে সময় মুসার (নবী) নীল নদ পাড়ি দেয়া এবং ফেরাউনের পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা লোক মুখে প্রচলিত ছিল। আর তাই এতে অলৌকিকতার কিছু নেই।
দুই দরিয়া পাশাপাশি প্রবাহিত হবার সময় একটার পানি আরেকটার পানির সাথে মিলিত হতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হয় কারণ পানির গতিশক্তির জন্য দুই পানি মিশতে কিছুটা সময় নেয়। তাছাড়া দুই রকম পানি পরস্পরের সাথে মিশতে এমনিতেই কিছু সময় লাগে। ফলে কিছু সময় পড়ে দুই রকম পানি এমনিতেই মিশে যায়। নীল নদ মিশরে হওয়ায় দুই দরিয়ার দুই রকম পানি প্রবাহিত হবার কথা ওই অঞ্চলের সবাই জানতো। আর এই কথা যখন মিশর ছাড়িয়ে আরবে আসে তখন কথাটা পরিবর্তিত হয়ে যায়। এবং মানুষ বলতে থাকে (অতিরঞ্জিত করে) যে দুই দরিয়ার পানি কখনই মিলিত হয় না। আর এই ভ্রান্ত কথাটাই মুহাম্মদ কুরানে ঢুকিয়ে দেয়। ফলে বুঝা যায় কুরআন মুহাম্মদ নিজেই লিখেছে। তা না হলে কুরানে এই ভ্রান্ত ও মিথ্যে কথাগুলো কেন লেখা হয়েছে যদি এটি আল্লার বাণী হয় ? এজন্যই কুরানে এই ভ্রান্ত ও মিথ্যে কথাগুলো লেখা আছে কারণ কুরআন লিখেছে (তৈরী করেছে) মুহাম্মদ নিজে।

মুসলিম চাপাবাজ বা ইসলামী চিন্তাবিদরা তাদের লেকচারে বলেন কুরানে নাকি বিগ ব্যাঙ সম্পর্কে বলা আছে। তারা বলেন।
“অবিশ্বাসীরা কি দেখে না স্বর্গ ও পৃথিবী একত্রিত ছিল অতঃপর আমরা উভয়কে পৃথক করে দিলাম” (সুরা আম্বিয়া:৩০)

তারপর বলেন ১৪০০ বছর আগে মরুভূমিতে নাযিলকৃত কোন গ্রন্থ এতটা বৈজ্ঞানিক সত্য ধারন করতে পারে কি করে।

১.আয়াতের ভাষ্য অনুযায়ী পৃথিবী আর স্বর্গ একত্রিত ছিল অতঃপর আল্লাহ পৃথক করে দিলেন। বিগ ব্যঙ তত্ত্বটাতে কি বলা হয়েছে পৃথিবী আর স্বর্গ একত্রিত ছিল ? আসলে বিগ ব্যাঙ এর সময়তো পৃথিবীর তো তখন অস্তিত্বই ছিল না। এটা বোঝার জন্য স্টিফেন হকিং হতে হয় না। স্বর্গ মানে ইসলামিক জান্নাত মানে বিশেষ প্রকৃতির বেশ্যাপল্লী যেখানে ৭২ টা কুমারী নারী বসে আছে মদ-শরাব নিয়ে সেই জাতীয় কিছু তো বিজ্ঞান খুজে পায় নি। আর পৃথিবীর সাথে সেই স্বর্গ একত্রিত থাকাতো দূরের কথা। এই আয়াত একটা ইসলামিক মিথলোজী হিসেবে পরিচয় লাভ করতে পারে কিম্বা বড়জোড় মহাবিশ্ব সম্পর্কে ইসলামিক থিওরি বলা যেতে পারে বিগ ব্যাঙ নয়। কিন্তু মুসলিমরা একটা এরাবিয়ান মিথোলোজীকে বিগ ব্যাঙ বলে উপস্থাপন করেছেন।

২. যদি মহাবিশ্ব সম্পর্কে ইসলামিক থিওরীর সাথে আগের বিজ্ঞানিদের লেখাগুলো তুলনা করি তবে দেখব তাদের বক্তব্য কুরানের চেয়ে উচুমানের। এরিষ্টেটল বলছিলেন যে Everything was mixed and Everything comes from everything. এই বক্তব্য অনেক বেশী বিগ ব্যঙ আলোকে সত্য। কুরানের রচয়িতা তার গ্রন্থে এরিষ্টটলের কিছু তত্ত্ব ব্যবহার করলে ও তিনি সম্ভবত এই তত্ত্বটি জানতেন না। জানলে তিনি হয়ত বলতেন “অবিশ্বাসীরা কি দেখো না সবকিছু মিশ্রিত ছিলেন অতঃপর আমি তাদের পৃথক করলাম।” বুকাইলিবাদীরা বলত দেখ আসলেই তো মহাবিশ্বের সব কিছু মিশ্রিত ছিল। পরে বিস্ফোরনের পর আলাদা হয়েছে।কিন্তু ১৪০০ বছর আগের একজন মূর্খ ব্যক্তি কিভাবে এটা জানলেন।অতএব কুরান আল্লাহর বানী।কিন্তু আমি দেখালাম এটা একজন ব্যক্তি ২২০০ বছর আগে বলে গিয়েছিলেন।এরিষ্টেটলের এই মন্তব্য এরিষ্টেটলের ফিজিক্স বলে মর্যাদা পায় বিগ ব্যঙ হিসেবে না।

৩.আমরা এবার একটু ধর্ম গ্রন্থগুলোর দিকে তাকাই কারন আগেই বলেছি আয়াতটা একটা ইসলামিক মিথলোজী।অনেক ধর্মীয় মিথলোজী ই কুরানের চেয়ে বেটার তবে আমি এখানে হিন্দু ধর্মেরটা শুধু আলোচনা করব।হিন্দু ধর্মীয় তত্ত্বে আমি পড়েছিলাম(বইটার নাম মনে নাই সম্ভবত উপনিষদ) যে আদিতে মহাবিশ্ব একটা ডিম্বের মত ছিল তারপর ডিমফুটে সব বের হল।এখন হিন্দুদের এই মিথলোজী কথা কিন্তু অনেক বেশী বিগ ব্যাঙ এর সাথে যায় অন্তত কুরানের চেয়ে তো বেশী।এই বক্তব্য এই কথা কুরানে থাকলে তো জাকির নায়কের মত বুকাইলিবাদীরা এভাবে উপস্থাপন করত ডিম্ব বলতে তো ঐ বিগ ব্যঙ এর আগের যে পিন্ডের ন্যায় অবস্থা সেটাকে বুঝানো হয়েছে কোরানে আর ডিম ফুটা বলতে বিস্ফোরনকে বলা হয়েছে।১৪০০ বছর আগের মূর্খ মানুষ কিভাবে এটা জানল।সে এটা অবশ্যই আল্লাহর থেকে পেয়েছে।তাই কোরান আল্লাহর বানী।কিন্তু আমরা কি দেখছি যে মুসলীমদের ভাষ্য অনুযায়ী হিন্দু ধর্ম ভুল হলে ও আমরা দেখছি সেই ভুল ধর্মের মিথলোজীও আল কোরানের মিথলোজীর চেয়ে বিজ্ঞানসম্মত ও শ্রেষ্ঠ।তাহলে আল কোরানে কি অবস্থাতো ভুলের চেয়ে ও নিকৃষ্ট।

৪.যেহেতু আয়াতটি অবিশ্বাসীদের প্রশ্ন করে শুরু হয়েছিল তো আমি অবিশ্বাসী হিসেবে বলব সরি কুরানের রচয়িতা আমি তো কোন সুস্থ বিজ্ঞানসূত্রে(ইসলামিক গান্জ্ঞুটি বিজ্ঞান বলে থাকলে অন্য কথা) জানি না যে পৃথীবি স্বর্গ একত্রিত ছিল।তাই এটা তো বৈজ্ঞানিক সত্যই না তাহলে ১৪০০ বছর আগের বই কিভাবে বৈজ্ঞানিক সত্য রাখে মুসলিমদের এই প্রশ্নই ভুল।

পরিশেষে বলতে পারি বুকাইলিবাদীদের দাবি অনুযায়ী আল কুরানের এই আয়াতকে বিগ ব্যাঙ মিরাকল বলা যায় না।তাছাড়া যেহেতু আমরা দেখি যে কোরানের চেয়ে বেটার বিজ্ঞান বেটার মিথলোজী কোরানের আগে ছিল।তাই অবিশ্বাসীদের উদ্দেশ্য ছুড়ে দেয়া কোরানের আয়াতটি যা ই বলে থাকুক না কেন তা অন্তত প্রমান করে না কুরান আল্লাহর বানী।

“অবিশ্বাসিরা কি দেখে না যে পৃথিবী ও স্বর্গ একত্রিত ছিল পরে তা পৃথক করলাম”
এখন অনেকে বলেছেন যে না সঠিক বক্তব্যটি হবে “অবিশ্বাসিরা কি দেখে না যে পৃথিবী ও আকাশসমূহ একত্রিত ছিল পরে তা পৃথক করলাম”

তারা তারপর বলেন ১৪০০ বছর আগে মরুভূমিতে নাযিলকৃত কোন গ্রন্থ এতটা বৈজ্ঞানিক সত্য ধারন করতে পারে কি করে।
যুক্তি খন্ডনের শুরু বলে রাখা ভাল কুরানে বর্নিত আকাশের মানে নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। এখনো আমি ৩ ধরনের মতবাদ পেয়েছি

ক.সাত আসমান মানে হল ৭ টি প্লানেট। তার মানে আকাশ মানে প্লানেট।
খ.কার ও মতে এটা বায়ুর স্তর।
গ.মুযতাদিলাদের মতবাদ যাদের মতে আকাশ লৌহ জাতীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত যার দরজা ও আছে।এটি আমি ডীগ্রী/অনার্সের ইসলামিক স্টাডিস বইতে পড়েছিলাম।সেই বইতে নবী মুহাম্মদের মিরাজের বর্ননায় ও পড়েছিলাম যে তিনি বলেছেন যখন তিনি প্রথম আসমানে উপনীত হন তখন দ্বাররক্ষী দরজা খুলে দেন।
কোনটাকে যে লেখক আকাশ বলেছেন তিনিই জানেন।

১. মুসলিমরা যেটা বলেছেন ১৪০০ বছর আগের গ্রন্থ কিভাবে এত বৈজ্ঞানিক সত্য ধারন করে। আসলে আপনারা যেটা অনুমান করেছেন যে ১৪০০ বছর মানে এত আগের একজন মানুষের পক্ষে পৃথিবী আর আকাশ একত্রিত ছিল এটা লেখা অসম্ভব ছিল। তাই এই লেখা আল্লাহ লিখেছেন।
কিন্তু তিনি ভূল। প্রাচীন আমলের মানুষের মধ্যে ও এ ধারনা ছিল পৃথিবী ও আকাশ একত্রিত ছিল। আমি উদাহরন হিসেবে গিলগামেশের কথা বলব যিনি খ্রিষ্ট পূর্ব ১৮০০ শতকে এ কথা বলেছিলেন যে পৃথিবী ও আকাশ একত্রিত ছিল। এখন আজ থেকে ৩৮০০ বছর আগের গিলগামেশে এ কথা লেখা থাকলে ১৪০০ বছর আগের মুহাম্মদ এটা লিখতেই পারেন।

২.মুসলিমরা বলে থাকেন আকাশ ও পৃথিবী একত্রিত ছিল তা বৈজ্ঞানিক সত্য।কিন্তু কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য। অনেকে এভাবে উপস্থাপন করেন যে বিগ ব্যঙ এর আগে সব একত্রিত ছিল তার মানে পৃথিবী ও আকাশ ও একত্রিত ছিল। কিন্তু তাই কোরানের আয়াতটি হল বিগ ব্যঙ। বক্তব্যটা কতটা কারেক্ট আমি জানি আসলে বিগ ব্যঙ এর সময় তো পৃথিবীর অস্তিত্বই ছিল না।

যদি ১০০% হয় তবু ও আমি একে আল্লাহর বানী বলতে পারি না। কেননা যদি সেইম গেইম আমি গিলগামেশের সাথে খেলি তবে বলা যাবে যে সে লেখাটা ও বিগ ব্যঙ। কিন্তু এটা যেহেতু কুরানের আগে লেখা তাই বলতে হয় এটা বেটার মিরাকল। কিন্তু আমরা বেটার মিরাকলকে যদি আল্লাহর বানী না মানি তবে কোরানকে ও আল্লাহর বানী বলে মানার কোন যু্ক্তি নাই।

৩.আমি লেখার শুরুর অংশে এরিষ্টেটলের কথা উল্লেখ করেছি যিনি বলেছেন “Everything was mixed.Every thing comes from everything. দেখুন বুকাইলিবাদীদের মতে সব কিছু মিশ্রিত ছিল(যদি ও তা কুরানে বলা নাই) তার মানে পৃথীবি ও আকাশ মিশ্রিত ছিল।অন্যদিকে এরিষ্টেটল কোরানে বহু আগে ডাইরেক্ট বলেছেন সবকিছু মিশ্রিত ছিল।কোনটা বেটার?

৪.আরেকটা ব্যপার না বললেই নয় যে তখন সম্ভবত আরবদের মধ্যে এ ধারনা ছিল যে পৃথিবী ও আকাশ একত্রিত ছিল। এটা মুহাম্মদ নিজে থেকে লিখেন নি।তিনি যা জানতেন তাই ই লিখেছেন কারন তিনি লিখেছেন “অবিশ্বাসীরা কি দেখে না” তার মানে যাদের বলা হচ্ছে তারা আগে থেকেই এটা জানত। কুরান নতুন কিছু বলেনি। আমরা আগের বই পড়ে প্রাচীন গ্রিক রোমান মিসরীয়দের ধারনা জানতে পারলে ও আরবদের সম্পর্কে জানতে পারি নি। ইসলাম প্রতিষ্ঠার পর বেশীরভাগ ই ধংস্ব করা হয়েছে বলেই জানি।

তাহলে কি দেখছি কোরানের বক্তব্যের বৈজ্ঞানিক সত্যতা যেমন সন্দেহজনক। তেমনি কোরানের মত বক্তব্য কোরানের ২৪০০ বছর আগে এবং কোরানের চেয়ে বেটার বক্তব্য ও কোরানের আগেই বলা হয়েছে। তাই মুসলিম – ইসলামী চাপাবাজরা ১৪০০ বছর আগের লেখা দেখে বিস্মিত হলে ও আমরা হতে পারি না।

কুরানে কি এমন কোন কথা লেখা আছে যেটা সেই সময়ের মানুষ আগে থেকে জানতো না ?
কুরআন পড়লে দেখা যায় কুরানে যেসব কথা বলা আছে যেমন চাদ সূর্যের আবর্তন, সমতল পৃথিবী, পাহাড় পর্বত নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা, রাত দিন সমর্কে উদ্ভট কথা বার্তা, পৌরানিক কাহিনী, মানুষকে ভয় ভীতি এবং প্রলোভন ইত্যাদি কোন একজন মানুষ লিখে রেখেছে !!! সমগ্র কুরানে এমন একটি বিষয়ও পাওয়া যাবে না যেটা সেই সময়ের মানুষরা জানতো না !
এমনকি মুহাম্মদের ব্যাক্তিগত অজ্ঞতাগুলোও স্পষ্ট করে ফুটে উঠেছে সমগ্র কুরানে !!! যেমন দুই দরিয়া পাশাপাশি প্রবাহিত হয় কিন্তু কখনই মিলিত হয় না। মানুষ মাটি ও পানি দিয়ে তৈরী। মানুষ শুক্রানু ও জমাট রক্ত থেকে জন্ম গ্রহণ করে। পাহাড় তৈরী করা হয়েছে যাতে পৃথিবী কোন এক দিকে কাত হয়ে পড়ে না যায়। পৃথিবী সমতল। রাত দিন পরিবর্তিত হয় তাদের আপন গতিতে অর্থাৎ রাত দিন একে অন্যে চলাচল করে রাত দিনের পরিবর্তন ঘটায় ! ইসা নবী হচ্ছে মুছা নবীর ভাগিনা। পৃথিবী সমতল। চাদ সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরে (কিন্তু পৃথিবী স্থির) এবং আল্লাহর আরশের নিচে গিয়ে সেজদা দেয় ! তারকা তৈরী করা হয়েছে আকাশের সুন্দর্যের জন্য এবং শয়তানদেরকে শাস্তি দেবার জন্য। শিলা বৃষ্টি আকাশে মজুত করা থাকে ! আকাশ হচ্ছে কঠিন পদার্থের তৈরী এবং যেকোন সময় সেই কঠিন আকাশের কোন খন্ড পৃথিবীতে পতিত হতে পারে ! এসব মিথ্যে ধারণা গুলো মুহাম্মদ বিশ্বাস করতো বলে কুরানে এগুলো লেখা আছে।

এছাড়া কুরানে এমন একটি বিষয়ও পাওয়া যায় না যেটা মুহাম্মদ জানতো না ! কুরানে সেসব বিষয়ই লেখা আছে যেগুলো মুহাম্মদ জানতো এবং বিশ্বাস করতো। আর তাই কুরানে উল্লেখিত সব বিষয় মুহাম্মদের জ্ঞানের পরিধির মধ্যেই থেকে গেছে এবং মুহাম্মদের অজ্ঞতা ও মিথ্যে ধারণাগুলোও কুরানে উল্লেখিত হয়েছে।

আর তাই খুব সহজেই বোঝা যায় যে কুরআন কোন অতি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারো লেখা নয় বরং কুরআন একজন অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের দ্বারা লেখা হয়েছে।
অর্থাৎ কুরআন কোন সৃষ্টিকর্তার লেখা গ্রন্থ নয় বরং এটি মুহাম্মদের লেখা গ্রন্থ (মুহাম্মদ মুখে বলত এবং সেগুলো সাহাবীরা লিখে রাখত)।

২৩ thoughts on “বিশ্বাস বনাম সত্য

  1. অবশ্যই জানা আছে। সেগুলো নিয়েও
    অবশ্যই জানা আছে। সেগুলো নিয়েও লেখা আছে। আসলে এক পোস্টে সবকিছু লিখলে লেখা অনেক বড় হয়ে যায় তাই পরবর্তী পোস্টে সেসব নিয়ে বিস্তারিত দিবো।

  2. দেখা যাচ্ছে জাকির নায়েকের

    দেখা যাচ্ছে জাকির নায়েকের রেফারকৃত ডা.মুর আসলে সেই চক্রের টাকা খেয়েই ঐসব বলেছিলেন তিনি নিজে ইসলাম গ্রহন করেন নি। তার রেফারেন্স কি গ্রহনযোগ্য?

    আসুন এম্রায়োলজিস্ট কিথ মুরের নিজের মুখ থেকেই কিছু কথা শোনা যাক–
    https://www.youtube.com/watch?v=IObOzMAQ3hI

    আপনার হয়ত জানা নেই, শুধু কিথ মূর একাই নন আরো অন্তত ৮ জন সাইন্টিস্ট কোরানের সত্যতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন–

    Prof. Gerald G. Goeringer
    Prof. William W. Hey
    Prof. T. V. N. Persaud
    Prof. E. Marshall Johnson
    Prof. Alfred Kroner
    Prof. Joe Simpson
    Prof. Yoshihide Kozai
    Prof. Tejatat Tejasen*

  3. ২. দ্বিতীয়ত, ‘আলাক্ব (عَلَق)

    ২. দ্বিতীয়ত, ‘আলাক্ব (عَلَق) শব্দটা “জোঁক” বা “ঝুলন্ত” দিয়ে অনুবাদ করা কেবলমাত্র আধুনিক একটা উদ্ভাবন। গত ১৪শ বছরে যতগুলো কোরআন অনুবাদ করা হয়েছে, সবগুলোতে “রক্তপিণ্ড” দিয়ে অনুবাদ করা হয়।

    উহু ।আরবী ডিকশোনারীতে বহু আগেই থেকেই আলাক শব্দের বেশ কয়েকটি অর্থ রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত হচ্ছে– ঝুলন্ত বস্তু –
    গুগল ট্রান্সলেশনে– google translation علق বসিয়ে সার্চ দিন। পাবেন–

    علق
    hang
    علق, عرض, دلى, زين, عرض فى, لصق على جدار
    suspend
    علق, قطع, أرجأ تنفيذ حكم, أوقف عن العمل, أجل, تدلى
    annotate
    علق, كتب الحواشي
    hang up
    شنق, علق, أنهى محادثة هاتفية
    dangle
    استرخى, دلى, علق, تدلى, تبع
    rest
    بقي, توقف, أزال, استراح, استند, علق
    hinge
    توقف, علق, رك

    আর মায়ের জরায়ূতে ভ্রুণ সম্পুর্ন ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে নীচের ছবির মত-

    তাই আলাক শব্দের অর্থ জোকের মত ঝুলন্ত এটাই ্সবচেয়ে সঠিক.যেটা কোরানে বলা হয়েছে।

  4. হাবশী গোলাম, এইসব বালছাল
    হাবশী গোলাম, এইসব বালছাল লেখককে কোনো ভাবেই বোঝানো যাবেনা। এরা এইসব করে বিদেশী ভিসা পাওয়ার লোভে ॥

    1. বিদেশী ভিসা বলতে যদি ইউরোপ বা
      বিদেশী ভিসা বলতে যদি ইউরোপ বা আমেরিকার কথা বুঝিয়ে থাকেন; তবে ইসলামের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করলেও আর ভিসা পাবার সম্ভাবনা নাই।
      বিশ্বমন্দায় ইউরোপে বেকারত্ব চরমে পৌচেছে। কোথাও চাকরী নাই। সেখানে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমারা আর লো প্রফাইল নাস্তিক আমদানী করতে মোটেও আগ্রহী নয়।
      ইউরোপে ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে যাতায়াত করি বলেই; সেখানকার পরিস্থিতি ভালই জানা আছে।

      1. পশ্চিমারা আর লো প্রফাইল
        পশ্চিমারা আর লো প্রফাইল নাস্তিক এবং আস্তিক কোনটাই আমদানী করতে মোটেও আগ্রহী নয়।
        ইউরোপে ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে যাতায়াত করি বলেই; সেখানকার পরিস্থিতি ভালই জানা আছে। তা এত হাই প্রোফাইল মানুষ এখানে কি করেন???

    2. সাউদ ভাই। এইসব বালছাল
      সাউদ ভাই। এইসব বালছাল ধার্মিকদের কোনো ভাবেই বোঝানো যাবেনা। এরা এইসব করে কাল্পনিক বেহেস্তের ভিসা পাওয়ার লোভে ॥

  5. বিদেশে কি নাস্তিক রপ্তানি হয়
    বিদেশে কি নাস্তিক রপ্তানি হয় নাকি? বিদেশীরা কি নাস্তিক আমদানি করার জন্য বসে আছে নাকি???

  6. ……… [মডারেটেড]
    @

    ……… [মডারেটেড]
    @ শয়তানের দল।

    হাবশী গোলাম ভাইকে ধন্যবাদ পোস্ট সংশ্লিষ্ট সুন্দর কমেন্ট করার জন্য। @ হাবশী গোলাম।

    1. @সাউদ আল মুহাম্মাদ,
      ইস্টিশনে

      @সাউদ আল মুহাম্মাদ,
      ইস্টিশনে কোনভাবেই গালিগালাজকে প্রমোট করা হয় না। আপনাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হল।

  7. সাউদ আল মুহাম্মদ, তুই তুকারি
    সাউদ আল মুহাম্মদ, তুই তুকারি শব্দ প্রয়োগ করে আপনি নিজেই বুঝিয়েছেন, আপনি একজন পেশাদার লেখক। যা লেখেন তা কেবল নিজের লাভেই লেখেন। এজন্য বিতর্কিত চমকপ্রদ লিখা লিখে সবাইকে আকর্ষন করার প্রচেষ্টা চালান। আপনি
    নিজে মুহম্মদ নাম ব্যবহার করে আবার মুহম্মদের সমালোচনা করেন। যে ব্যাক্তিটাকে আপনি মিথ্যাবাদী মনে করেন তাঁর নাম নিজের নামের সাথে লাগানোর কী দরকার। ফুটানি মারানো বন্ধ করুন দয়া করে।

    1. আপনার মুহাম্মদকে গিয়ে বলেন সে
      আপনার মুহাম্মদকে গিয়ে বলেন সে সাউদ ভাইয়ের নাম কেন ব্যাবহার করে। মুসলিম নামের মানে বোঝেন? ইসলামী নাম কাকে বলে??

    2. প্রিমরোজ প্রিমরোজ, ধার্মিকরা
      প্রিমরোজ প্রিমরোজ, ধার্মিকরা কত ভালো তার প্রমান এই পোস্টের কমেন্ট গুলো। কে এবং কারা কি এবং কেমন খারাপ কমেন্ট করেছে তার প্রমাণ এখানেই আছে। প্রমান দেখেও যারা মিথ্যে কথা বলে ভালো ব্যাবহারের যোগ্য তারা নয়।
      তুই একজন পেশাদার শয়তান। যা লেখিস তা কেবল নিজের লাভেই লিখিস। এজন্য বিতর্কিত চমকপ্রদ কমেন্ট লিখে সবাইকে আকর্ষন করার প্রচেষ্টা চালাস। তুই
      নিজে অমুসলিম / নাস্তিক নাম ব্যবহার করে আবার অমুসলিম / নাস্তিকদের সমালোচনা করিস। যে ব্যাক্তিটাকে তুই মিথ্যাবাদী মনে করিস তাঁর নাম নিজের নামের সাথে লাগানোর কী দরকার। ফুটানি মারানো বন্ধ কর দয়া করে।

    3. ভালোই মজা পাচ্ছি। যুক্তি –
      ভালোই মজা পাচ্ছি। যুক্তি – তর্ক বাদ দিয়ে এরা ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে যেটা এদের অভ্যাস। পরাজিতরা এমনি হয়। এটাই পরাজিতদের স্বভাব।

      1. পাতি নাস্তিকের লগে যুক্তিতর্ক
        পাতি নাস্তিকের লগে যুক্তিতর্ক করা অনেক আগেই ইস্টিশন এ থাকা মুসলমান বাঙ্গালীরা ছাইড়া দিছে ,কারণ হেরা যানে এইগুলা বেচারা পাতি নাস্তিকেরা গুষুপ্ত আচিপ্পার মত ইউরোপ আমরিকায় গিয়া হটডগ খাওয়ার লাইগাই লিখতেছে ।

        1. মুসলিম থেকে হওয়া নাস্তিকদের
          মুসলিম থেকে হওয়া নাস্তিকদের কথা আমি জানি। অমুসলিম থেকে হওয়া নাস্তিক বা নাস্তিক নামধারী ভূয়া নাস্তিকদের কথা আমাকে বলে লাভ নেই।

  8. দুই চারটা হিন্দু নাস্তিক সেজে
    দুই চারটা হিন্দু নাস্তিক সেজে বিদেশে গেছে আর দুই চারটা নাস্তিক বিদেশে গেছে। হাতেগোনা দু একজনের কথা বলে ছাগলের বাচ্চা ছাগলেরা চিল্লান কেন??? আইএস জংগীদের জন্য সব মুসলিমকে জংগী বলতে হবে???

    1. দুই চারটা হিন্দু নাস্তিক সেজে

      দুই চারটা হিন্দু নাস্তিক সেজে বিদেশে গেছে আর দুই চারটা নাস্তিক বিদেশে গেছে। হাতেগোনা দু একজনের কথা বলে ছাগলের বাচ্চা ছাগলেরা চিল্লান কেন???
      আইএস জংগীদের জন্য সব মুসলিমকে জংগী বলতে হবে???

      এই চঊদ বাঈয়া জাগায় আইছেন!আমার প্রশ্ন হইলো ,আপনে যদি এসাইলামের লোভ না ই করেন তাইলে বলগে রিভার্স খেলতেছেন কেন ?

  9. পাতি ধার্মিকরা কই থেকে যে উদয়
    পাতি ধার্মিকরা কই থেকে যে উদয় হয় 🙂 জুম্মা জুম্মা সাতদিন বয়স হয়নি তাতেই নিজেদের এডাল্ট ভাবে।

    1. আমি যদি ঠিক সময় বিয়া করতাম
      আমি যদি ঠিক সময় বিয়া করতাম তাইলে তোমার মত আমার একটা পোলা থাকতো হ্যায় ও বলগে আইসা এইরকম লাফাইতো ।

  10. কুরানে বিজ্ঞান খঁুজে যারা,
    কুরানে বিজ্ঞান খঁুজে যারা, তাদের সাথে তর্কে যাওয়া মানে বিরাট বোকামি।অনেক সময় নিয়ে লিখেছেন,পড়ে ভাল লাগ্লো আপনার এই যুক্তিপূর্ণ বিশ্লেষণী লেখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *