‘ব’

নিজের পর্দা সরিয়েই জানালা দেখতে দিয়েছিলাম তোমায়
এখন কিনা আমাকেই বলছো পর্দাহীন ?
তুমি নাকি বিস্তৃত গগনে চোখ রাখোনি কোনোদিন,
জানালার কাচে কুয়াশা আঁকোনি একদিনও,
চুম্বন করোনি জানালার গ্রিলে কখনও,
এগুলো কে বলেছিলো সেদিন ?
এখন কিনা আমাকেই বলছো পর্দাহীন ?

আমার প্রবল অনিচ্ছা তোমার গ্রাহ্যতায় ছিলো না
ভালোবাসার দোহাই ছুঁড়েছ তুমি !
আকাশ বাতাস সাক্ষী রেখেছো চার দেয়ালের প্রকোষ্ঠে
আজ আমায় নষ্টের খাতায় নাম লিখাতে, তুমি উকিল
সাক্ষী ছাড়াই ?
কেন ?
এখন বুঝি সাক্ষীর প্রয়োজন নেই ?

আমার ত্রিভুজে হাত রেখে শব্দ গঠন করেছো তুমি ।
শিখিয়েছ ‘ব’ তে ‘বৈধতা’ সেখানে

নিজের পর্দা সরিয়েই জানালা দেখতে দিয়েছিলাম তোমায়
এখন কিনা আমাকেই বলছো পর্দাহীন ?
তুমি নাকি বিস্তৃত গগনে চোখ রাখোনি কোনোদিন,
জানালার কাচে কুয়াশা আঁকোনি একদিনও,
চুম্বন করোনি জানালার গ্রিলে কখনও,
এগুলো কে বলেছিলো সেদিন ?
এখন কিনা আমাকেই বলছো পর্দাহীন ?

আমার প্রবল অনিচ্ছা তোমার গ্রাহ্যতায় ছিলো না
ভালোবাসার দোহাই ছুঁড়েছ তুমি !
আকাশ বাতাস সাক্ষী রেখেছো চার দেয়ালের প্রকোষ্ঠে
আজ আমায় নষ্টের খাতায় নাম লিখাতে, তুমি উকিল
সাক্ষী ছাড়াই ?
কেন ?
এখন বুঝি সাক্ষীর প্রয়োজন নেই ?

আমার ত্রিভুজে হাত রেখে শব্দ গঠন করেছো তুমি ।
শিখিয়েছ ‘ব’ তে ‘বৈধতা’ সেখানে
আর এখন কিনা তুমিই ‘ব’ তে বলছ ‘বেশ্যা’
কিন্তু আমিতো কতো শব্দ গঠন শিখে নিয়েছিলাম একাই
‘ব’ তে ‘বউ’ ।
আজ বেপরোয়া পালাচ্ছো তুমি
আজ ব এর বাস্তবতার বহুমুখীতায়
যদি আমি ‘ব’ তে বিধাতা টানি ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *