সহি গুপ্ত পথ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় স্থান পেয়েছে সাইবার নিরাপত্তাসহ নানা ইস্যু। ফেসবুকের মাধ্যমে যাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় সেজন্য বাংলাদেশে ফেসবুকের স্থানীয় একটি অ্যাডমিন অফিস প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। – খবর বাঙলা নিউজের।

কথা হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত কি করে সম্ভব?
প্রধানমন্ত্রী

বলেছিলেন ধর্ম নিলে কিছু বললেও তার সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগে

। এরও কিছুদিন পরে আবার বললেন

ইছলাম কোন সন্ত্রাসীদের ধর্ম না


এরই সুত্র ধরেই বলতে পারি সন্ত্রাসীদের, ধর্ম ইছলাম কিনা সে, প্রশ্ন কেন ওনার মনে উদয় হইলো?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় স্থান পেয়েছে সাইবার নিরাপত্তাসহ নানা ইস্যু। ফেসবুকের মাধ্যমে যাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় সেজন্য বাংলাদেশে ফেসবুকের স্থানীয় একটি অ্যাডমিন অফিস প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। – খবর বাঙলা নিউজের।

কথা হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত কি করে সম্ভব?
প্রধানমন্ত্রী

বলেছিলেন ধর্ম নিলে কিছু বললেও তার সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগে

। এরও কিছুদিন পরে আবার বললেন

ইছলাম কোন সন্ত্রাসীদের ধর্ম না


এরই সুত্র ধরেই বলতে পারি সন্ত্রাসীদের, ধর্ম ইছলাম কিনা সে, প্রশ্ন কেন ওনার মনে উদয় হইলো?
কিংবা এও বলা যায়, ধর্মের সমালোচনা করলে অনুভূতিতে আঘাত লাগেই বা কেন?

ধরা যাক, মুছলিমদের সবাই নিরীহ এবং সন্ত্রাসী নয়। আই এস, বেকো হারাম, আইসিস সহ এ সকল জঙ্গি গোষ্ঠি বিপথগামী ও ইহা ইহুদি নাসারাদের চক্রান্ত!
এখন কথা হচ্ছে আমাদের এই “ধরি” টা র স্বপক্ষে কিন্তু কখনই জঙ্গিদের সহমত পোষণ করতে শোনা যায়নি।

জঙ্গিরা বরাবরই বলে আসছে তাদের কর্মকান্ড গুলো ইছলাম সমর্থন করে এবং সকল কার্যক্রমই কোরান-সুন্নাহ মেনেই পরিচালনা করা হয়।
ধারনা করি, প্রত্যেক জঙ্গি সদস্যই ইছলামী গ্রন্থ সম্পর্কে দেশের আর দশ জন আলেমদের থেকে বেশি জ্ঞ্যান রাখেন। আমাদের দেশের আলেমগনের ‘আলিফ লাম মিম’ পর্যন্তই দৌড়ঝাপ

জঙ্গিরা কখনই তাদের কোন কাজকে সন্ত্রাসী বলে মনে করেন না।
অথচো, দেশের সরকার প্রধান থেকে শুরু করে মডারেটগন কেন তবে তাদেরকে সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করে থাকেন?
জঙ্গিদের কে সন্ত্রাসী বলায় পরোক্ষভাবেই সাধারন মুছলিমিরা স্বীয় ধর্মকে আঘাত করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। করে যাচ্ছেন নবী অবমাননা।

আমরা যদি হাদিস- সিরাত দেখি সেখানে দেখতে পাই, প্রফেট মোহাম্মদ প্রবল আগ্রহেই হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন অন্য মতাবলম্বীদেরকে।
যার সাথে আমরা জঙ্গিদের খুব মিল পাই। এমন কি বাংলাদেশের ‘আনসারুল্লা বাঙলা টিম’ এই আনসারুল্লা অর্থ হচ্ছে সাহায্যকারী।
যাদের কার্যক্রমই হচ্ছে দ্বীন ইছলাম তথা শরিয়াহকে (ইছলামী রাজনীতি) প্রত্যেক অঞ্চলে বলবত রাখার জন্য জান মাল দিয়ে সাহায্য করা এবং প্রয়োজনে জিহাদ করা, কতল করা ইছলামী সমালোচনাকারীদের। প্রত্যেক জঙ্গি কিংবা আনসারুল্লা সদস্য একজন সাহাবীর নায় সম্মানীত হন ইছলামী শরিয়াহ অনুযায়ী। বিশ্বাস না হলে দেখে নিতে পারেন ইছলামী তথ্য সহ। বাঙলা ভাষায়ই অনেক তথ্য বহুল আর্টিকেল পাবেন এ ব্যাপারে।
অথচো, ইছলাম ধর্মেরই অন্য পক্ষ তাদেরকে সন্ত্রাসী বলায় এটাই প্রমানিত হয় যে, নবীজি ও তার সাহাবা গনকেও সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এবং এটা করেই যাচ্ছে মডারেটগন।

সারাদিন ইবাদতে মশগুল থাকেন জান্নাতের আশায়, জাহান্নামের ভয়ে অথচো যারা সাহাবীদের মত সম্মানিত তাদেরকেই সন্ত্রাসী বলে গালি দিচ্ছেন। নবী মোহাম্মদের যুদ্ধ গুলোকে অস্বীকার করছেন, তার বহুগামিতাকে মিথ্যে বলে সাব্যস্ত্ব করছেন সব সময়।
আপনি কি করে আশা করেন ৭২ হুর? কিংবা দুধের নহর অথবা শারাবান তাহুরা?
আপনি মুছলিম, কিন্তু জিহাদ , মালে গণিমত , যিযিয়া কর ইত্যাদি সমর্থন করেন না। তবে আপনি কিসের মুছলিম হলেন? এ প্রশ্নটা তোলা রইলো।

সুতরাং আমি বলে দিতেই পারি ‘প্রত্যেক মুছলিম হচ্ছে অস্তিত্ব সংকটে ভোগা এক একটা আম আদমী’। এরা না পাচ্ছে এস্পার না পাবে ওস্পার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *