একাত্তুরে ধর্ষণ ও খুনের অভিসন্ধি কি ছিল পাকিস্থানের?

ডিসেম্বর মাসটা পৃথিবীর অনেক স্মৃতি বহন করে ৷ তারমধ্যে বাঙালীর বুক জুড়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস হিসেবে বেঁচে আছে । ১৯৭১ সাল । পাকিস্থানের বরবর্তা বাঙালীকে করেছিল আগুন সৈনিক । মূলত ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ভাষা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে পাকিস্থানের দুই অংশের মধ্যে বৈরীতার সূত্রপাত । তা ছিল অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক । পাকিস্থানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অপারেশন সার্চলাইটের স্বৃকার হয় সার দেশ । তারমধ্যে মূলত্ব ছিল , আগরতলা ষড়যন্ত্র ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথ্থান ইত্যাদী ।

ডিসেম্বর মাসটা পৃথিবীর অনেক স্মৃতি বহন করে ৷ তারমধ্যে বাঙালীর বুক জুড়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস হিসেবে বেঁচে আছে । ১৯৭১ সাল । পাকিস্থানের বরবর্তা বাঙালীকে করেছিল আগুন সৈনিক । মূলত ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ভাষা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে পাকিস্থানের দুই অংশের মধ্যে বৈরীতার সূত্রপাত । তা ছিল অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক । পাকিস্থানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অপারেশন সার্চলাইটের স্বৃকার হয় সার দেশ । তারমধ্যে মূলত্ব ছিল , আগরতলা ষড়যন্ত্র ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথ্থান ইত্যাদী ।

পাকিস্থান নিজেকে বারবার প্রমান করেছে শাসক নামধারী জুলুমবাজ । বাঙালীর আবেগকে কখনই গুরুত্ব দেয়নি পাকিস্থান । নিজেদের নারকীয় হামলাযজ্ঞের মধ্যে প্রতিষ্ঠা পেতে চেয়েছিল পাকিস্থান ।

বুদ্ধিজীবি হত্যা , সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হত্যা , ধর্ষণ ছিল পাকিস্থানের পরিকল্পিত অত্যাচার । একাত্তুরের যুদ্ধে পাকিস্থান এত ধর্যণের মূল কারণছিল , নতুন পাকিস্থানপন্থীর জন্ম দিতে । তারা হত্যার মধ্যে পাকিস্থানী বিরোধী শেষ করতে চেয়েছিলেন । আর দুই লক্ষ নারীকে ধর্ষণের মধ্যে গড়তে চেয়েছিলেন পাকিস্থান পন্থী জনগোষ্ঠি । এটি কিন্তু পাকিস্থানিরা না বুঝে করেছেন ,তা নয় , সবটাই ছিল তাদের মাস্টার প্ল্যান ।

৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ের ফসল বাংলাদেশের লালা সবুজের বিজয় ।যে বিজয় ছিল মমস্পর্শী বিজয় ।

সেই পাকিস্থান কিন্তু আজও ভুলতে পারেনি বাংলাদেশ নামে রাষ্ট্রের কাছে হারের ইতিহাস । ৭৫ ছিল সেই হারের প্রতিশোধ । যে বঙ্গবন্ধুর এত বিশ্বাস , তাকে মারার মত কেউ নেই বাংলায় । বাংলাদেশে যখন বিজয় পতাকা উড়ে । পাকিস্থান নতুন করে আবার ষড়যন্ত্র শুরু করে । বন্দিরত শেখ মুজিব কে জেলখানায় গিয়ে বলে । ইন্দ্রাগান্ধী বাংলাদেশ দখল করে নিয়েছে । মুজিব চক্রান্তকারী পাকিস্থানের কথা বিশ্বাস করেন না ।
ইয়াহিয়া খানও শে খ মুজিবকে বলেছিলেন , চলুন আমরা দু’জনে এক হয়ে যুদ্ধ করে ইন্দ্রাগান্ধীর কাছে থেকে দেশটাকে আমাদের দখলে নিয়ে আসি । কিন্তু না , বঙ্গবন্ধু পাকিস্থানকে বিশ্বাস করেনি । আর করার কথাও ছিলনা । কেনো করবেন । পাকিস্থান তো এমন প্রমাণ কখনই দেয়নি বাঙালীকে যে , বাঙালী প্রীতি ছিলেন । বাঙালী জাতি ইংরেজের দাসত্ব চুকিয়ে পাকিসাথানের দাসত্বে বলির পশু হয়েছিলেন ।কিন্তু আজ তো বাংলাদেশ স্বাধীন । স্বাধীন পতাকা ওড়ে । নিজের পরিশ্রমে বাংলাদেশ তার ঐতিয্য রক্ষা করে যাচ্ছে । তা হলে পাকিস্থানের অসুবিধাটা কোথায় ! নাকগলান ব্যপারটা আজও বহল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে । কেন তারা রাজাকারের ফাঁসি নিয়ে বাংলাদেশকে বিব্রত করছে ? কেন তারা এত বড় আপরাধ করার পরও ক্ষমা চাইবার ধৃষ্ট্রতা দেখায় না ? কেনো তারা জঙ্গী ছাপলায়ের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করছে ?

রাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জনগণের সময় এসেছে পাকিস্থানের বিরুদ্ধে জবাব দিতে । ৭১ কে ভুলে গেলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে । পাকিস্থানকে আরও একবার নতুন করে বর্জন করতে হবে । মুখে উচ্চারিত করতে হবে,জয় বাংলা , জয় বাংলাদেশ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *