বাহাই ধর্ম – ২য় পর্ব

বাহাউল্লাহ কতৃক প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম বা বিশ্বাস যার নাম বাহাই। বিংশ শতাব্দীতে এই ধর্মের উৎপত্তি ঘটে ইরানে।
বাহাই ধর্ম মতে পরনিন্দা, খুন -হত্যা নিষিদ্ধ। এটা জঘন্যতম অপরাধ। বাহাই ধর্ম সব সময় অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে। বাহাইরা বিবাহ খুব ধুম ধাম করে করে না। এই ধর্মে বিবাহের নিয়ম খুব সহজ। নারী-পুরুষ বলে “অবশ্যই আমরা ঈশ্বরের ইচ্ছায় চলব”। এই ধর্মে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ, বাহাইরা তালাক করাকে নিরুৎসাহিত করে।
এছাড়া বাহাই ধর্ম অন্ধ বিশ্বাস নিরুৎসাহিত করে, বিজ্ঞান সম্মত চর্চার মাধ্যমে ধর্মকে পালন করতে উৎসাহিত করে।

বাহাউল্লাহ কতৃক প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম বা বিশ্বাস যার নাম বাহাই। বিংশ শতাব্দীতে এই ধর্মের উৎপত্তি ঘটে ইরানে।
বাহাই ধর্ম মতে পরনিন্দা, খুন -হত্যা নিষিদ্ধ। এটা জঘন্যতম অপরাধ। বাহাই ধর্ম সব সময় অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে। বাহাইরা বিবাহ খুব ধুম ধাম করে করে না। এই ধর্মে বিবাহের নিয়ম খুব সহজ। নারী-পুরুষ বলে “অবশ্যই আমরা ঈশ্বরের ইচ্ছায় চলব”। এই ধর্মে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ, বাহাইরা তালাক করাকে নিরুৎসাহিত করে।
এছাড়া বাহাই ধর্ম অন্ধ বিশ্বাস নিরুৎসাহিত করে, বিজ্ঞান সম্মত চর্চার মাধ্যমে ধর্মকে পালন করতে উৎসাহিত করে।
বাহাই ধর্মের মূল ও প্রধান প্রার্থনা হল মানবসেবা। বাহাই সমাজে কোন ইমাম,পুরোহিত,যাজক শ্রেণির অস্তিত নেই। ১৫ বছরের অধিক বয়স্কদের প্রার্থনা বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক সুস্থ বাহাইরা প্রতি বছর মার্চ মাসের ২-২০ তারিখ পর্যন্ত উপবাস পালন করেন।বাহাই ধর্মে মদ,জুয়া,সমকামিতা নিষিদ্ধ। পৃথিবিতে বর্তমানে তাদের প্রধান সাতটি প্রার্থনাগার রয়েছে।
বাহাই মতে ১৯ মাসে এক বছর, আর ১৯ দিনে এক মাস।বছরে ১১ দিন ধর্মীয় ছুটি রয়েছে । এর মধ্যে ৯ দিন বাহাইরা কোন কাজ করেন না।
মৃত্যুর পর বাহাইদের কবর দেয়া হয়ে থাকে।

৯ কোনা বিশিষ্ট তারা এদের ধর্মীয় প্রতিক।

প্রথম পর্বটি পড়া না থাকলে পড়ে নিন।তাহলে ভালোভাবে বুঝতে পারবেন বাহাইদের সম্পর্কে।

৩য় পর্বে আমি বাহাউল্লাহকে নিয়ে আলোচনা করব।

কারো কোন মন্তব থাকলে বা এই ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে আথবা তথ্য দেওয়ার থাকলে দয়া করে কমেন্ট বক্স এ লিখুন।

পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ,আশা করি আগামীতেও পাশে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *