তোমার এই সোনার বাংলা নিয়ে এত ফটর ফটর করবা না, বাঁচলে বাঘের মত বাঁচতে হয়, মুরগীর মত জীবনের চেয়ে আত্মহত্যা করা অনেক ভালো।

তুর্কি সেনাবাহিনী ভুলবশত রুশ বিমান ভূপাতিত করার ফলে অর্থনীতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল রুশ ফেডারেশন । আর বার্মিজ নাসাকা বাহিনী বিজিবি হত্যা করল এবং বিএসএফ দ্বারা সাধারণ মানুষ হত্যার স্বীকার হচ্ছে। তখন বাংলাদেশ কি বলল?

বাঁচলে বাঘের মত বাঁচতে হয়, মুরগীর মত জীবনের চেয়ে আত্মহত্যা করা অনেক ভালো।

তুর্কি সেনাবাহিনী ভুলবশত রুশ বিমান ভূপাতিত করার ফলে অর্থনীতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল রুশ ফেডারেশন । আর বার্মিজ নাসাকা বাহিনী বিজিবি হত্যা করল এবং বিএসএফ দ্বারা সাধারণ মানুষ হত্যার স্বীকার হচ্ছে। তখন বাংলাদেশ কি বলল?

বাঁচলে বাঘের মত বাঁচতে হয়, মুরগীর মত জীবনের চেয়ে আত্মহত্যা করা অনেক ভালো।
ছোট বেলা থেকে ঐ এক ৭১ এর বীরত্ব গাঁথা , আর পঁচা কাদা-মাটি ধান ক্ষেতের বিশ্রী সৌন্দর্যের গল্প সুনে বড় হয়েছি। আব্বা খুব ফটর ফটর করত বাংলাদেশ দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর একটা দেশ, আমাদের দেশ গরিব হতে পারে কিন্তু আমরা বেস সুখী। আমাদের সেনা বাহিনী দুনিয়ার মধ্যে সেরা, এরা বিভিন্ন দেশে যায়, বিদ্রোহী দমন করতে আর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।

আব্বার এই ফটর ফটরের জবাবটা দেওয়া খুব দরকার এখন তার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া উচিৎ দেখ তুমি তোমার ছেলের কাছে ভুয়া এই আজগুবি গল্প করবা না। তোমার দ্বারা এমন এক নরকে আমায় আল্লাহ্‌ পাঠিয়েছে, যেখানে কখন যে দুর্বৃত্তের হাতে খুন গুমের স্বীকার হব, কখন যে রাস্থা ঘাটে দুর্ঘটনার স্বীকার হব। কখন যে সরকারী দলের নিয়ন্ত্রণে থাকা পুলিশ বাহিনীর দ্বারা হয়রানীর স্বীকার হবে, কখন যে বিরোধী দলীয় সন্ত্রাসি-ক্যাডারদের দ্বারা হত্যার স্বীকার হব কোন নিশ্চয়তা নাই।

আব্বা তুমিই বল,
এটা কোন মাৎসান্যায় কবলিত জনপদ।
যেখানে গণপরিবহণে নৈরাজ্য চলে ইচ্ছে মত ভাড়া খসায়।
বাজারে বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্র করতে কোন পদক্ষেপ নাই ইচ্ছে মত মুল্য নেয়। খারাপ পন্য বাজার ছয়লাভ। যে জনপদে সবচেয়ে ব্যয় বহুল হল চিকিৎসা অথচ এটা ফ্রী হওয়ার কথা ছিল। তুমি উত্তরে বলবা সদর হাস্পাতাল আছে না? আমি বলি কি বাবা ঐ সদর হাস্পাতালের ডাক্তাররা তোমার রোগ কি হয়েছে সেটা জানার দরকার মনে করে না নাবলতেই প্রেসক্রিপশন লিখে ফেলে। ঔষধ তো আছে প্যারাসিটেমল সর্বরোগের মহাঔষধ। আর আছে এই টেষ্ট সেই টেষ্ট তাও আবার ঐ ব্যাক্তিমালিকানার প্রতিষ্ঠানে গিয়ে করতে হবে। ডাক্তার বলে পরে একবার আমার পার্সোনাল চেম্বারে এস এই নাও কার্ড।

এটা এমন একটা জনপদ যেখানে শ্রমিক অধিকারের বিষয় গুলো পাস কাটিয়ে যায়। এই মাৎসান্যায় কবলিত জনপদে একজন নারী শ্রমিক মাত্র ৬০টাকা মজুরিতে সারাদিন কাজ করে।
এখানে নূন্যতম কোন মজুরির বিধান নেই একজন শ্রমিক আজ ২০১৫ সালেও ১৫০০টাকা বেতনে চাকুরী করে। আর এদেশে সরকারী আমলা-গামলারা পায় বেসিক স্কেল ৮০! হাজার টাকা।

বাদ দাও বাবা, তোমার এই সোনার বাংলা নিয়ে আমার সামনে আর চাপা মারবা না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *