সহানুভূতি, দয়া, সাহায্য এসব চাই না; স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই।

একটু আগে খবর দেখছিলাম,বাঁশখালীতে ক্ষতিগ্রস্থদের দেখতে গিয়েছেন মানবাধিকার কমিশন চেয়্যারম্যান ডা. মিজানুর রহমান এবং নোয়াখালীতে গিয়েছেন ঘাদানিকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবীর।
তারা সেখানের ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে গিয়েছেন,ক্ষতির অবস্থা দেখেছেন আর সেগুলো চ্যানেলে দেখানো হয়েছে,তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলোর কথাগুলো দেখানো হচ্ছিল,সেই মানুষগুলোর কথা শুনে আর কিছুই না বারবার মনে পড়ছিল “গেরিলা” সিনেমার কিছু কিছু অংশ। কি ছিলো সেই অংশগুলোতে আর এই মানুষগুলোর কথাতে যা মিলে যাচ্ছিলো বলে আমার মনে এসেছে?

মনে পড়ে আপনাদের গেরিলা সিনেমার নরেন গোয়ালার কথা? যখন সে তার নাম বলেছিল তখন কিরকমভাবে চমকে উঠেছিল কাজের মেয়েটি? মনে পড়ে শেষের দিকে জয়া আহসানকে শতাব্দী ওয়াদুদ হিন্দু বলে ধরে নিয়ে কি রকম আচরন করেছিল?

ঠিক একই রকমভাবে বাশখালীতেই ঐ জাত-শুয়োরের বাচ্চা,বেজন্মা,ফাকিস্তানি প্রোডাক্ট জামাতীরা করেছে। একজন মহিলা ঘটনার বর্ণণা দিতে গিয়ে বলছিলেন যে “তুই কি হিন্দু না মুসলিম? মুসলিম হলে বেঁচে যাবি আর হিন্দু হলে মরে যা। হাতের শাঁখা ভেঙ্গে ফেল নইলে জ্বালিয়ে মারবো” এরপর তাকে তার হাতের শাঁখা খোলার সময় দিলো না তার আগেই বাড়িতে আগুন দিয়ে দিলো।
আরেকটি ঘটনায় জানতে পারলাম ঐ বেজন্মার জাতটা জ্বালাতে এসে প্রথমে পানি খেলো যেই বাড়ি থেকে সেই বাড়িতেই পানি খেয়ে আগুন দিয়েছে।

একাত্তর তো দেখি নাই কিন্তু জন্মের পর বুদ্ধির বয়েস থেকেই দেখে আসছি এই দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর চাপটা কেমন। যতই জন্ম নেওয়া এই দেশটাকে নিজের মনে করি ততই ঐ বেজন্মারা এসে এসে বারবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে যায় এই দেশটা আমাদের না আর এরপর মানবতার ঝোলা নিয়ে এসে হাজির হয়ে যান অনেকেই কিন্তু ততদিনে যা হবার তা তো হয়েই গেছে,কিন্তু কেউই এসে উদ্যোগ নেয় না যেসকল বেজন্মারা এই অরাজকতা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে।

আবার এসব নিয়ে রাজনীতি মাঠের নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি হাসিলের জন্য সকলেই মরিয়া হয়ে উঠে। একদল আরেকদলের ঘাড়ে চাপিয়ে নিজেদের মহৎ প্রমাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তারপর ধামাচাপা পড়ে যায় কালক্রমে সেই বিষয়গুলো নতুন কোন অরাজকতার কারণে।

এই যে এই মুহুর্তে আমি আজকের দিনে দাঁড়িয়ে গত কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে কথা বলছি যেভাবে ঠিক একইভাবে কি কথা বলছি আগের ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে? না, বলছি না কেননা অন্যগুলোর গুরুত্ব এখন নেই আগের মত। গুরুত্ব নেই সেই ২০০১ এ ঘটে যাওয়া হামলাগুলোর,গুরুত্ব নেই বাশখালীতে শিশুসহ ১১ জন পুড়িয়ে মেরে ফেলার ঘটনাটির, গুরুত্ব নেই নন্দীরহাটের ঘটনার, গুরুত্ব নেই রামুর কিনবা গুরুত্ব নেই ঈদুল-আযহার দিন সীতাকুন্ডের হামলার। গুরুত্ব এখন সাঈদীর রায়ের পরবর্তী হামলাগুলোর কয়দিন পর এটিও হারিয়ে যাবে শুরু হবে অন্যকোন ঘটনা নিয়ে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার প্রতিবাদে। কিন্তু তখনও কেউ এসে উদ্যোগ নিবে না যে বা যারা এই ঘটনাগুলোয় জড়িত থাকে তাদের উচিত শাস্তি দিয়ে থামানোর। নইলে সেই বাঁশখালীতে শিশুসহ এগারোজন পুড়িয়ে মারার পেছনে যে বা যারা জড়িতে ছিলো আজ তারাই ঐ আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আবারো জ্বালালো সেই বাঁশখালীকে একই কায়দায়।

তবে এসবের অপর দিকে তাকালে দেখা যায় এককভাবে কাউকে দোষারোপ করা যায় না,বেশ কয়েকটি বিষয় এখানে জড়িত। যেমনঃ-

১. যখন হামলা হচ্ছিল জান বাচাতে সকলেই দৌড়ে পালাচ্ছিল কিন্তু এলাকার মানুষেরা যদি এক হয়ে প্রতিরোধ করতো তাহলে কি হামলা করতে পারতো? দয়া করে কেউ বলবেন না তারা সংখ্যায় অনেক বেশী ছিলো বলেই পালিয়েছে। আমি যে এলাকায় থাকি তার সাথেই লাগোয়া জুমা মসজিদ অথচ ঐ বেজন্মারা এখানে এসে কিছু করার সাহস করে না,কেননা এখানে সকলেই প্রতিরোধ করতে জানে কিন্তু ভাববেন না আমাদের এলাকাতে আমরা সংখ্যায় বেশি তাদের চাইতেও,তবে আমরা একতাবদ্ধ।

২. যাদের উপর হামলা হলো তারা সকলেই সবসময় দেখে এসেছি এক বাক্যে স্বীকার করেছে আমরা তাদের চিনি না (!!!!) কি বলবেন এখানে? হামলা কারা করেছে তাদের চিনে না,তার মানে কি দাঁড়ায়? সবাইকে চেনার কথা বলছি না অন্তত একজনকেও কি চেনা যায় নাই? যদি চেনা না যায় তাহলে আইনই বা কি ব্যবস্থা নিবে?

এরকম অনেক কিছুই জড়িত থাকে যার কারণে গিয়ে অনেক কিছুই করা সম্ভব হয়ে উঠে না,তবে একটা কথাই সকলের কাছে বলতে চাই সহানুভূতি,দয়া,সাহায্য এসব চাই না,স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বাঁচার মত সুযোগ চাই। এইদেশটার স্বাধীনতা,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কিন্তু এইসব না,আপনারা স্বাধীনতা,মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন কিন্তু সেটি প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হন না কেন?
একবার জেগে উঠুন,শুধু একবার।

ঐ শাহবাগের মত করে,যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে যেভাবে জেগে উঠেছেন ঠিক সেভাবেই জেগে উঠুন একটিবার। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি এই দেশে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না,এই দেশে সকলেই সমভাবে বসবাস করতে পারবে সমান অধিকার নিয়ে। সরকার,প্রশাসন কবে করবে সেই দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজের দেশে নিজেদেরকেই জেগে উঠতে হবে।

কিছু কথা মনে গেঁথে নিতে হবে সবাইকে, “এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি,আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি,আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ,আমি বিশ্বাস করি আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাঙালি,আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার,এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে,দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী আদায়ে।
ব্যস আর কিছুই চাই না।

১৯ thoughts on “সহানুভূতি, দয়া, সাহায্য এসব চাই না; স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই।

  1. “এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে

    “এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি,আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি,আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ,আমি বিশ্বাস করি আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাঙালি,আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার,এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে,দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী আদায়ে।”

    এটাই সবার মুল কথা হোক।

  2. বেজন্মারা ঠিক একাত্তরের মতোই
    বেজন্মারা ঠিক একাত্তরের মতোই ঝাঁপিয়ে পড়েছে এদেশের মানুষের উপর। ওরা আসলে নিজেদের কখনই বাঙালি মনে করতে পারেনি। পাকি রক্তই বহন করছে শিরায় শিরায়। এবারের সংগ্রাম পাকি প্রেতাত্মা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।

    1. পাকি প্রেতাত্মার পাশাপাশি
      পাকি প্রেতাত্মার পাশাপাশি সময়ের দাবীতে উঠে এসেছে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।

  3. এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে
    এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি,আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি,আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ,আমি বিশ্বাস করি আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাঙালি,আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার,এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে,দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী আদায়ে।(Y)

  4. অনেকদিন পর একটা অসাধারন
    অনেকদিন পর একটা অসাধারন ঝাঝালো পোষ্ট পড়লাম।এখান থেকে ‘ইস্টিশনের গুনীযাত্রীর কথা’ নির্বাচন করা হোক।

    কিন্তু কথা হচ্ছে এই কথাগুলো আমরা কাকে বলব?আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল কোথায়?স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ কি এটাই যে আমাকে নির্বিচারে জ্যান্ত পুড়ে মরতে হবে,আমি নিশ্চিন্তে একটা রাত কাটাতে পারব না?এমনকি আমার বিপদ দেখে কি কেউ এগিয়েও আসবে না?কি দরকার সেই শিক্ষা দিয়ে যা অন্যের কল্যানে লাগে না?আমার জানা নাই।

    ইস্টিশন মাস্টার পোষ্টটা স্টিকি করার ব্যাপারটা ভেবে দেখতে পারেন।আসলে তা না আমি জোর দাবী জানিয়ে যাচ্ছি।পোষ্ট স্টিকি করতেই হবে।

    1. কেউই নেই আমাদের কথা
      কেউই নেই আমাদের কথা শুনবার,আমাদের কথা আমাদেরকেই বলতে হবে,শুনতে হবে এরপর সবাই মিলে সেটিই বাস্তবায়নে কাজে নামতে হবে।

      স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ ৭৫ এর পর থেকেই মারা গেছে,পদে পদে মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতা ধর্ষণ হয়েছে।
      দুঃশ্চিন্তায় রাত নিজেরা কাটানোর চাইতে সবাই মিলে একতাবদ্ধ হয়ে তাদেরকেই কেননা দুঃশ্চিন্তায় ফেলে রাখি যারা আমাদের রাখে।
      কেউ আগাবে না কেননা ডাক্তার আসার পূর্বেই সর্বদা রোগী মারা যায়।

  5. এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে
    এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি,আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি,আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ,আমি বিশ্বাস করি আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাঙালি,আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার,এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে,দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী আদায়ে।”

    এটাই শুধু চাই

  6. “এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে

    “এই দেশটা আমার,আমি এই দেশে জন্ম নিয়েছি,আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি,আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ,আমি বিশ্বাস করি আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাঙালি,আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার,এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে,দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী আদায়ে।”

    একশো ভাগ সহমত!!!

  7. ভালো ভালো ডায়লগ এর আগেও বহু
    ভালো ভালো ডায়লগ এর আগেও বহু দেয়া হইছে। দিয়া অনেকে বাহবা এর আগেও পাইছে। তাতে দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হয় নাই। দেশের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য দরকার রাষ্ট্রের চরিত্র পাল্টানো। রাষ্ট্র যদি কয় আমি ইসলামি, তাইলে তো এরশাদের মতো বিশ্ববেহায়া হুঙ্কার দিতেই পারে। জামাতের মতো সন্ত্রাসও মুখে ধর্মের বুলি কপচাইতে পারে। বিম্পি যাইয়া জায়গা করে নিতে পারে ওয়াজের সামিয়ানার নিচে।
    যতদিন সংবিধানে একটা ধর্মকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে ততদিন ধর্মীয় মৌলবাদ বিকাশের সুযোগ থাকবে। এখন তাই ডায়লগবাজি বন্ধ কইরা রাষ্ট্রের চরিত্র বদলানোর জন্য মুখ খোলা দরকার। সময় বেশি নাই। সামনের দিকে পাছার ছাল তুইলা ফেলাইব। অলরেডি কোপানো শুরু কইরা দিছে।

    1. ৩৮ টা বছর ধরে চলে আসা রীতি
      ৩৮ টা বছর ধরে চলে আসা রীতি আপনি কি করে এক মুহুর্তেই ভেঙ্গে ফেলতে চান?
      ৯৬ এ কি চায় নাই করতে? সেসময়ে তো ধর্ম নিরপেক্ষটাই যোগ করতে পারে নাই এখন তাও পেরেছে।
      দেশের জনগন যখন নিজ নিজ্জ অবস্থান থেকে জেগে উঠবে তখন আপনিই সব ঠিক হবে।
      বর্তমান সরকার প্রথমে উদ্যোগ নিয়েছিল কিন্তু জনরোষে পড়ে তা আর বাস্তবায়ন করতে পারে নাই,ভাই জনগন না চাইলে কেমনে হবে? আর আওয়ামীলীগ কখনোই বিশ্বাস করে না “বন্দুকের নলই সকল ক্ষমতার উৎস”
      আবারো বলছি সময় এখন নিজেদের জন্য নিজেদের তৈরী হতে হবে,সরকার কখন কি করবে সেটার দিকে তাকাইয়া লাভ নাই।

  8. আমরা দৃড়তার সাথে বলি, জনগনের
    আমরা দৃড়তার সাথে বলি, জনগনের শক্তির সামনে জামাত শিবির কিছুই না। কিন্তু আমাদের শক্তি আসলে কি? কতটুকু? জামাত শিবির কুত্তার বাচ্চারা যা খুশি তাই করে গেলো আমরা কি রাস্তায় নামতে পারছি? আমরা কেন একটা শিবিরের বাড়ি পোড়াতে পারি নি , জীবন নেয়া দুরে থাক আমরা কেন একটা জামাত শিবিরের মাথা থেতলে দিতে পারিনি। আমরা কেন নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছি প্রান ভয়ে? রাতের আধারে খুন হয়ে যাবো তাই, সকাল সকাল বাড়ি ফিরি

    আমাদের ডেডিকেশন, সামর্থ্য কি আছে জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে লড়াই করার?
    যদি তা না থাকে তাহলে তাই অর্জনে নেমে পড়ি। ট্রেইন্ড হই, সস্স্ত্র হই, হামলা করি, প্রতিশোধ নেই

    1. কে শুনবে এই কথা?
      তাই তো বলছি

      কে শুনবে এই কথা?
      তাই তো বলছি হয় তোমরা পথ দেখাও নয়তো আমাদের হাতে ছেড়ে দাও আমাদের আন্দোলন আমরাই চালাই যদি পারি।

  9. আমিও মনে করি প্রথমেই আমি একজন
    আমিও মনে করি প্রথমেই আমি একজন বাঙালী। এই দেশে আমার জন্ম। এটাই আমার মাতৃভুমি। এ দেশ আমার। সকল ধর্মকেই আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমি মনে প্রাণে এই দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি, আমি বিশ্বাস করি এই দেশটা ধর্ম নিরপেক্ষ একটি দেশ। আমি বিশ্বাস করি এই বাংলার সকল বাঙালীই আমার পরিবার, এদের রক্ষার দায়িত্ব আমার। যখনই আমার এই বিশ্বাসে আঘাত আসবে তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, দূর্বার প্রতিরোধ। অটল থাকবো আমি আমার বিশ্বাসের দাবী।

  10. আমরা যদি না জাগি মা
    কেমনে

    আমরা যদি না জাগি মা
    কেমনে সকাল হবে
    তোমার ছেলে উঠলে মাগো
    রাত পোহাবে তবে ।
    …… দারুন লেখা । আমাদের দেশের মুসলিম ধর্মানুসারীগণ কখনোই হিন্দু ধর্মালম্বীদের এদেশের সন্তান হিসেবে মেনে নিতে পারেনি । আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে সচেতন করতে হবে সবাইকে । শুধু ফেবুতে আর ব্লগে লিখলে চলবে না । মফস্বল ও প্রত্যাঞ্চলে ছোট ছোট ম্যাগাজিন বা চটি আকারে বিভিন্ন সচেতনমূলক লেখা ছড়িয়ে দিতে হবে । মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হলে রাষ্ট্র তার চরিত্র পাল্টাতে বাধ্য হবে ।

    1. সচেতন করার উদ্যোগটাও নিতে হবে
      সচেতন করার উদ্যোগটাও নিতে হবে আমাদের শুধু মুসলিমরা না হিন্দুরাও পারে নাই মুসলিমদের আপন করে নিতে যার ফলে আজ এই দশা।

  11. অসাধারণ পোস্ট দিয়েছেন দাদা।
    অসাধারণ পোস্ট দিয়েছেন দাদা। আপনাকে স্যালুট। সমস্যা হচ্ছে কি আমাদের এইসব প্রতীবাদে কেউই কান দেয় না। রাষ্ট্র যদি এইসবের প্রতিকারে নিজ থেকে এগিয়ে না সে তাহলে আমার আপনার সব চেষ্টাই বিফলে যাবে।

    ইষ্টিশন মাষ্টারকে ধন্যবাদ পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য।

    1. ভাই বলেই দিয়েছি তো কে আসলো আর
      ভাই বলেই দিয়েছি তো কে আসলো আর কে গেলো তা দেখবার সময় নেই এখন নিজেদের রক্ষার্থে নিজেদেরকেই জেগে উঠতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *