টলটু হুজুর

অল্প বয়সী হুজুরটা। 20 কিংবা বাইশ হবেন। দাওরা হাদিস পড়ে এসেছেন আমাদের মসজিদে ইমামতি করতে। ইমাম মানে নেতা;ধর্মীয় নেতা। রাত জেগে বেশি বেশি ইবাদাত করার ফজিলত বর্ণনা করেন। পবিত্র কুরআনেও আল্লাহ তায়ালা বিশেষ করে রাতের
শেষ দিকে বেশি বেশি ইবাদাত করার পরামর্শ দিয়েছেন নবীজীকে(এবং আমাদেরকেও)।


অল্প বয়সী হুজুরটা। 20 কিংবা বাইশ হবেন। দাওরা হাদিস পড়ে এসেছেন আমাদের মসজিদে ইমামতি করতে। ইমাম মানে নেতা;ধর্মীয় নেতা। রাত জেগে বেশি বেশি ইবাদাত করার ফজিলত বর্ণনা করেন। পবিত্র কুরআনেও আল্লাহ তায়ালা বিশেষ করে রাতের
শেষ দিকে বেশি বেশি ইবাদাত করার পরামর্শ দিয়েছেন নবীজীকে(এবং আমাদেরকেও)।

উনিও তাই করেন। এশার নামায কোন মতে পড়িয়ে আধাঘন্টার মধ্যে মসজিদের দরজা লাগিয়ে চলে যান রুমে। এশার নামায হয় এখন সোয়া সাতটায়। আটটা বাজে এসে মসজিদকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাই। ভাবি, কোথায় গেল বস্তা বস্তা সওয়াবের ফেরিওয়ালা। ফজরের নামায সূ্য ওঠার আগে কোন মতে শেষ করে চলে যান। 5:45 মিনিট হলে মসজিদে আর কাউকে পাওয়া যায়না। সওয়াবের ফেরিওয়ালা আরামসে ঘুমান।

মাঝে মাঝে ভাবি, আচ্ছা এরা যে আমাদের এত সওয়াবের কথা বলেন, এরা নিজেরা সেটা বিশ্বাস করেনতো। নাকি নামায পড়ানো আর আযান দেওয়াকে আর আট দশটা চাকুরির মতোই ভাবেন। অন্য মুসলমানদেরকে শিক্ষা দেন দুনিয়াবি কর্মকান্ড অপেক্ষা আখিরাতে কর্মকান্ডকে বড় করে দেখতে আর ওনারা নিজেরাই আখিরাতের কর্মকে গৌণ করে কোনমতে নামাযটা পড়িয়ে মসজিদ থেকে কেটে পড়েন। লজ্জা! সত্যি বড় লজ্জা।

২ thoughts on “টলটু হুজুর

  1. নফল ইবাদাত মসজিদে করতে হবে
    নফল ইবাদাত মসজিদে করতে হবে এমনটা তো নয়। আপনার চোখের সামনে থাকলেই সে ইবাদাত করছে আর বাসায় থাকলে ঘুমাচ্ছে, এমনটা ভাবছেন কেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ হচ্ছে ঘরে বেশি বেশি নফল ও সুন্নত নামাজ পড়া। আর যে কমজোর তার জন্য ঈশা আর ফজরের নামাজ জামাতে পড়লেই সারা রাত ইবাদাতের সওয়াব পাওয়া যাবে। তাই কারও ব্যাক্তিগত আমল সম্বন্ধে না জেনে কথা বলাটা উচিৎ নয়। আমার এমন অনেক ভাই পরিচিত আছেন যারা সুন্নত নামাজ ঘর থেকে পড়ে আসেন। এখন তাদেরকে দেখে এটা বলা কি শোভা পায় যে তারা সুন্নত পড়েন না? আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আল্লহ আমাদের দ্বীনের সহী বুঝ দান করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *