জীবনবন্দনা

বড় হবার স্বপ্নটা এক এক জনের এক এক রকম।
অাচ্ছা বুঝিয়ে বলছি।
ধরুন অাপনার বয়স তখন ৫ কিংবা ৬, তখন অাপনার স্বপ্নটা এমনই যে, অাপনি বড় হবেন। এখন ই। (যদিও সম্ভব না)
চড়বেন লাল গাড়িতে। বাবা মা জ্বালাতন করবে না। সারা দিন কার্টুনে অথবা চকলেটে ডুবে থাকবেন
অার তখন বড় হবার প্রচন্ড ইচ্ছাটা খুব জ্বালাবে অাপনাকে।।

যাক তারপর যখন ১০ – ১২ বয়স তখন বড় হতে চাইবেন অারো বেশি করে।
এই পড়ালেখা কার ভালো লাগে বলেন। স্কুলের পড়ালেখা অাপনাকে জ্বালাতন করে করে শেষ করে দিবে।
তখন বড় হতে চাহিবেন কলেজ বা ভার্সিটিতে পড়ার জন্য। ধারনা তাতে কোন পড়ালেখা নেই।
একটা মোবাইলের সখ খুব পেয়ে বসবে অাপনাকে খুব।

বড় হবার স্বপ্নটা এক এক জনের এক এক রকম।
অাচ্ছা বুঝিয়ে বলছি।
ধরুন অাপনার বয়স তখন ৫ কিংবা ৬, তখন অাপনার স্বপ্নটা এমনই যে, অাপনি বড় হবেন। এখন ই। (যদিও সম্ভব না)
চড়বেন লাল গাড়িতে। বাবা মা জ্বালাতন করবে না। সারা দিন কার্টুনে অথবা চকলেটে ডুবে থাকবেন
অার তখন বড় হবার প্রচন্ড ইচ্ছাটা খুব জ্বালাবে অাপনাকে।।

যাক তারপর যখন ১০ – ১২ বয়স তখন বড় হতে চাইবেন অারো বেশি করে।
এই পড়ালেখা কার ভালো লাগে বলেন। স্কুলের পড়ালেখা অাপনাকে জ্বালাতন করে করে শেষ করে দিবে।
তখন বড় হতে চাহিবেন কলেজ বা ভার্সিটিতে পড়ার জন্য। ধারনা তাতে কোন পড়ালেখা নেই।
একটা মোবাইলের সখ খুব পেয়ে বসবে অাপনাকে খুব।
সবার হাতে যখন একটা মোবাইল দেখবেন এই বয়সে তখন ইচ্ছা করবে সত্যিকারে একটা ফোন যদি থাকত অাপনার।।
এর জন্য অাপনি একবার হলে ও বড় হতে চাইবেন।।

অার যখন ১৪ -১৫ যৌবনের প্রথম অনুভূতি।
অার তখন বড় হবার ইচ্ছাটা একটু বেশিই হয়।
অায়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে নায়কের সাথে তুলনা করাটা ও একটু সাকটু হয় কিন্তু।

অার এসময় এই সময় এক শ্রেনীর লোকেরা বড় হতে চায়, নিজেকে ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার বানানোর জন্য।।
মানুষের মত মানুষ হবার জন্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পৌছায় তখন সেই বড় হবার ইচ্ছা থাকার ছেলেটার রিভার্স বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
প্যারাময় জীবনের পরখ পাওয়ার পর থেকে সে অাবার ফিরে যেতে চায় সেই ছোটবেলায়।।
এই থেকেই শুরু।
যতদিন যায় অার তখন তার ছোট ইচ্ছে করে। ইচ্ছা করে ছোট বেলায় ফিরে যেতে।।

পড়ালেখা > চাকরি > বিবাহ > বাচ্চা
এই চক্রে বার বার পিষ্ট হয় তার বড় হবার ইচ্ছা। তখন মনে মনেই বলে।, ঠ্যালা সামলাও বাপু ।

হা হা হা।।।।। 😉

জীবনটা এমন ই।
অামরা যে যায়গা থাকি না কেন, মানব মন বড়ই অসন্তুুষ্ট তাতে।
বড় হবার বা ছোট হবার ইচ্ছাটা তো যাস্ট একটা উদাহরন।।
অামরা অন্যকে দেখি, অার চিন্তা করি, অামি যদি ওর মতো হতে পারতাম???

কিন্তু এই চিন্তাটা কেন?
এটা কি জিনগত সমস্যা??

অাসলে অামার মনে হচ্ছে না।
এর কারন অামাদের পরিবার। অামাদের সমাজ।

যারা কেউ নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট নয়।।

অামাদের চিন্তা গুলো সবসময় একটা বৃত্তকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
এর বাইরে যাবার স্বপ্ন কেউ ই দেখেনা ।।।
অার যারা দেখে, তারাই সবাইকে ছাড়িয়ে যায়।
তখন অামরাই তাকে অনুসরন করি।
অনুকরন করি।
হ্যা অনুকরনটাই বেশি করি।

অার এটাই অামাদেন অপরাগতার সবথেকে বড় কারন বলে অামি মনে করি।।

জনৈক বলেছিল অামাকে যে, অামরা একটা অাদর্শ মাইলফলক কে লক্ষ্য করে এগুচ্ছি। এর পরে কিছু থাকতে পারে তা ভাবিও না।

কথাটা ভালো লেগেছিল।।

অাপনি অনেক টাকা অর্জনকে যদি বড় হওয়া মনে করেন তবে সেটা অাসলে বড় হওয়া নয়।।
প্রতিষ্ঠা করুন এমন এক যায়গায় যখন মৃত্যুর পরও মানুষ অাপনাকে মনে করে।।

নিজেকে প্রতিষ্ঠা করাটা তাকেই বলব অামি, যখন নিজের স্বপ্ন ও কাজের মাধ্যমে অামি হাজার মানুষের কাছে পৌছে যেতে পারব।।
কারো কাছে সেটা লক্ষ বা কোটি বা পৃথিবী ব্যাপি।।

সবার বড় হবার স্বপ্ন সার্থক হোক।
সেই কামনায়

৩ thoughts on “জীবনবন্দনা

  1. লেখার সার্থকতা পাঠক পড়লে এবং
    লেখার সার্থকতা পাঠক পড়লে এবং লেখা সম্পর্কে কিছু মতামত জানাল । যেটা ইস্টিশনে বড়ই অভাব । আমরা সবাই যদি এই কাজ টা ঠিকঠাক করি তবে এই অভাবটা পূরণ হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *