পর্যটন সম্ভাবনাময় সাগরকন্যা সোনাদিয়া দ্বীপ

পর্যটন শহর কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলা পাহাড় সমৃদ্ধ একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। মূল মহেশখালী দ্বীপের সঙ্গে আরও তিনটি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে মহেশখালী উপজেলা গঠিত। মহেশখালীর তিনটি দ্বীপের মধ্যে একটি হচ্ছে পর্যটন সম্ভাবনাময় সাগরকন্যা সোনাদিয়া দ্বীপ। এটি জীববৈচিত্রের দ্বীপ নামেও পরিচিতি এবং এ দ্বীপ প্রাকৃতিক সুন্দর্য পিপাসুদের জন্য অন্যতম পর্যটন স্থান। চারদিকে গভীর সমুদ্রের সাগরের ঢেউ সমৃদ্ধ এটি মুলত প্যারাদ্বীপ নামে পরিচিতি। অপরূপ সৌন্দর্যের আধার এ দ্বীপ ককসবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমের দূরে সাগর গর্ভে অবস্থিত। দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার। তিন দিকে সমুদ্র সৈকত,সাগর লতায় ঢাকা বালিয়াড়ি, কেয়া- নিশিন্দার ঝোপ, ছোট-বড় খাল বিশিষ্ট প্যারাবন। বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি দ্বীপটিকে করেছে অনন্য বৈশিষ্ট্য মন্ডিত। এটি দেশের প্রধান শুটকি মাছ উৎপাদন কেন্দ্র। এখানকার ম্যানগ্রোভ বন এবং উপকুলীয় বনভূমি, সাগরে গাঢ় নীল পানি, কেয়া বন, লাল কাঁকড়া, বিভিন্ন প্রকারের সামুদ্রিক পাখি পর্যটকদের মনে দোলা দেয়। কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়ে মহেশখালী না গেলে ভ্রমণটাই বৃথা আর মহেশখালী যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো সোনাদিয়া দ্বীপ দর্শন। বর্তমান সরকার পর্যটন শিল্পে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ডকে শক্তিশালী করতে অতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

১ thought on “পর্যটন সম্ভাবনাময় সাগরকন্যা সোনাদিয়া দ্বীপ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *