আমি রংপুরী। কলিকাতার বাংলা নয়, রংপুরী-কামতাপুরী-কোচ আমার মাতৃভাষা।

বাংলা ভাষার প্রভাবে বিলুপ্ত প্রায় একটি ভাষা রংপুরী/কামতাপুরি/কোচ রাজবংসি/ বাহে ভাষা(একটি ভাষা এই চার নামে পরিচিত)।এক সময়কার কামতা রাজ্যের রাজ ভাষা হিসেবে স্বীকৃত এই সাহিত্য সম্বৃদ্ধ ভাষাটি এখন শুধু গ্রামীণ প্রান্তিক দরিদ্র জনগষ্টির ভাষা। এই ভাষাভাষী লোক গুলো নিজের ভাষায় কথা বলতে বিব্রত বোধ করে। এরা সবাই দোভাষী হওয়াতে মাতৃভাষার বিকল্প হিসেবে বাংলা, নেপালি ও অসমীয়া ভাষা ব্যাবহার করে থাকে।
এটি একটি ইন্দো-আর্য পরিবারভূক্ত ভাষা, বাংলাদেশের রংপুরী, রাজবংশী সম্প্রদায়, ভারত এবং নেপালের রাজবংসী ও তাজপুরিয়া সম্প্রদায়ের লোকেদের ভাষাটিই মূলত ঐতিহ্যবাহি রংপুরী ভাষা।


বাংলা ভাষার প্রভাবে বিলুপ্ত প্রায় একটি ভাষা রংপুরী/কামতাপুরি/কোচ রাজবংসি/ বাহে ভাষা(একটি ভাষা এই চার নামে পরিচিত)।এক সময়কার কামতা রাজ্যের রাজ ভাষা হিসেবে স্বীকৃত এই সাহিত্য সম্বৃদ্ধ ভাষাটি এখন শুধু গ্রামীণ প্রান্তিক দরিদ্র জনগষ্টির ভাষা। এই ভাষাভাষী লোক গুলো নিজের ভাষায় কথা বলতে বিব্রত বোধ করে। এরা সবাই দোভাষী হওয়াতে মাতৃভাষার বিকল্প হিসেবে বাংলা, নেপালি ও অসমীয়া ভাষা ব্যাবহার করে থাকে।
এটি একটি ইন্দো-আর্য পরিবারভূক্ত ভাষা, বাংলাদেশের রংপুরী, রাজবংশী সম্প্রদায়, ভারত এবং নেপালের রাজবংসী ও তাজপুরিয়া সম্প্রদায়ের লোকেদের ভাষাটিই মূলত ঐতিহ্যবাহি রংপুরী ভাষা।

বুদ্ধানুশারিদের পবিত্র পালি ভাষার আতিব নিকটাত্মীয় এই ভাষাটি দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকার পরে কিছুটা আশার আলো হল ভারতে এই ভাষাভাষী সম্প্রদায়ের
লোকেরা তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার্থে একটি পৃথক রাজ্য গঠেনের দাবিতে আন্দোলন করছে। যদিও ভারত সরকার ও পশ্চিম বাংলা রাজ্য সরকার আন্দোলন কর্মীদের উপর ব্যাপক নির্যাতন এমনকি হত্যা করার মত ঘটনাও করেছে। ভারতে রংপুরি নবজাগরণ হলেও বাংলাদেশে আগ্রাসী কেন্দ্রিক নীতির কারনে রংপুরী ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতির জন্য পৃথক স্বত্বা দাবিকরা নেহায়েত আউলা কথন হবে।

তবুও আজ বিলুপ্তের পথে থাকা এই মাতৃভাষাটিকে টিকিয়ে রাখতে রংপুর(বাংলাদেশের উত্তরের ৮টি জিলা)-কামতাপুর-কোচবিহার এর অধিবাসী রংপুরী জনগষ্টির ঐক্য, সচেতনতা ও সংরক্ষণের উদ্দেগ্যের বিকল্প নাই।

৪ thoughts on “আমি রংপুরী। কলিকাতার বাংলা নয়, রংপুরী-কামতাপুরী-কোচ আমার মাতৃভাষা।

  1. কিন্তু বর্তমানে এটি একটি
    কিন্তু বর্তমানে এটি একটি বাংলার উপভাষা ।
    যদি এই ভাষাকে আলাদা মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে কাল বরিশাইলা ভাষা, সিলেটি ভাষা, চাটগাঈয়া ভাষা প্রভৃতি উপভাষাগুলো আলদা হবার দাবি জানাবে। ফলে ঐক‍্য বিনষ্ট হবে। তাই আমাদের সকল উপভাষাকে মর্যাদা দিতে হবে এবং বিশ্বের সাথে তাল রাখার জন‍্য প্রমিত বাংলাকে রাখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *