সহী মুসলিম ভাইদের বলছি, রিলিজিয়ন অপশনে সবাই লিখবেন- সহী ইসলাম

ঘটনা-১: গত ১৩ নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে একই সময়ে তিনটি জায়গায় হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। সেদিন জার্মানি- ফ্রান্স ফুটবল ম্যাচ চলাকালিন স্টেডিয়ামের পাশে একটি পানশালা, ল্যুভ্যর মিউজিয়ামের পাশে একটি শপিং মল ও একটি কনসার্ট হলে হামলা চালায়। এতে প্রায় ১৫০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়।
ঘটনা-২: ২০ নভেম্বর শুক্রবার আফ্রিকার দেশ মালির বামাকোতে র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ১৭০ জনকে জিম্মি করে বন্দুকধারীরা। এই ঘটনায় প্রায় ২৭ জন নিহত হয়।
ঘটনা-৩: গত মঙ্গলবার তিউনিসিয়ায় একটি বাসে বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১২ জন।

ঘটনা-১: গত ১৩ নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে একই সময়ে তিনটি জায়গায় হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। সেদিন জার্মানি- ফ্রান্স ফুটবল ম্যাচ চলাকালিন স্টেডিয়ামের পাশে একটি পানশালা, ল্যুভ্যর মিউজিয়ামের পাশে একটি শপিং মল ও একটি কনসার্ট হলে হামলা চালায়। এতে প্রায় ১৫০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়।
ঘটনা-২: ২০ নভেম্বর শুক্রবার আফ্রিকার দেশ মালির বামাকোতে র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ১৭০ জনকে জিম্মি করে বন্দুকধারীরা। এই ঘটনায় প্রায় ২৭ জন নিহত হয়।
ঘটনা-৩: গত মঙ্গলবার তিউনিসিয়ায় একটি বাসে বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১২ জন।
উপরের তিনটি ঘটনার একটি কমন বিষয় হলো, তিনটি ঘটনাই ঘটিয়েছে ইসলামি সশস্ত্র জঙ্গী সংঘটন। প্যারিস হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস, মালির ঘটনার দায় স্বীকার করেছে আল কায়েদার সহযোগি জঙ্গি সংঘটন আল মুরাবিতান। তিউনিশিয়ায় বাসে হামলায় কেউ দায় স্বীকার না করলেও আইএস কেই সন্দেহ করা হচ্ছে। এসব হামলা, প্রানহানি হচ্ছে ইসলামের জিহাদি মনোভাবের কারনে।
যখনেই এরকম কোন ঘটনা ঘটে, তখনেই মুসলিমরা সমস্বরে চিৎকার করে বলে উঠে- এটা সহী ইসলাম নয়। ইসলাম কখনো মানুষ হত্যা সাপোর্ট করে না। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন- সহী ইসলাম কোনটি? এটা কোথায় বিদ্যমান?
হ্যাঁ, মানলাম জঙ্গীরা সহী মুসলিম নয়। কিন্তু ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত। তাদের বিরুদ্ধে কি কখনো দাঁড়িয়েছেন? তাদেরকে কখনো প্রতিহত করার চেষ্টা করেছেন? হ্যাঁ, এটা প্রত্যেক সহী মুসলিমের দায়িত্ব।
আমার মতে – ইসলাম দুই প্রকার- সহী আর অসহী। এই সহী আর অসহীর যাতাকলে পড়ে পুরোপুরি বিভ্রান্ত। একদল ইসলামের নামে মানুষ হত্যা করছে, আরেক দল বসে বসে আঙ্গুল চুষছে। আর প্রান যাচ্ছে কিছু নিরীহ মানুষের।

৯ thoughts on “সহী মুসলিম ভাইদের বলছি, রিলিজিয়ন অপশনে সবাই লিখবেন- সহী ইসলাম

    1. তা আপনি মনে হয় জানেন, সহি
      তা আপনি মনে হয় জানেন, সহি মুসলীম কাকে বলে।।।
      ভাই ক্রুসেড এর কথা ভুলে গেছেন

      আর হিন্দুদের মানুষ পোড়ান।

      1. অন্যের সাথে তুলনা কেন? তাহলে
        অন্যের সাথে তুলনা কেন? তাহলে ইসলাম শান্তির ধর্ম কিভাবে? ব্যাপারটা এরকম, ও চুরি করতে পারলে, আমি চুরি করতে পারবো না কেন?

  1. ইসলাম শান্তির ধর্ম,ইহা সহি
    ইসলাম শান্তির ধর্ম,ইহা সহি ইসলাম নহে – এই বুলি আওড়ানো মোডারেট ইসলাম এর অনুসারী রা যে সহি কালপ্রিট তাতে কোন সন্দেহ নাই।এটা যে সহি ইসলাম নয়, মোডারেট গন আপ্নারা তবে কেন প্রতিবাদ করছেন না।এইসব ঘটনায় সবচেয়ে খুশি হয় মোডারেটগন, তবে মনে মনে আর মুখে বলে ইহা সহি ইসলাম নয়!!

  2. নীলকষ্ট,আপনার লেখায় দেয়
    নীলকষ্ট,আপনার লেখায় দেয় সন্ত্রাসবাদী হামলার বিবরণসমূহের সাথে সমসাময়িক একটি হামলার কথা তুলে ধরলে তা লেখনীকে আরও জোরালো করতে পারত তা হল ১২ই নভেম্বরের বেইরুট হামলা ,যা প্রায় ৪৯ টি প্রাণ বৃথা কেড়ে নেয়। এছাড়া আপনার লেখাটি যেকোনো ভেক ধর্মাচারীর ক্ষেত্রেই সঠিক, তা সে ইসলামের নামে সন্ত্রাসই হোক বা গুজরাতের গোধরা বা ১৯৮৪ র শিখনিধন বা মায়ানমারের রোহিংগা নিধন কিংবা ক্রসেড । আমার মনে হয় সমস্ত ধর্মকে এই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করানো উচিত।

  3. আপনি ঠিক বলেছেন বটে,তবে
    আপনি ঠিক বলেছেন বটে,তবে ইসলামের নামে সন্ত্রাস এইসময় সবচেয়ে ভয়াবহ আকার নিলেও সমস্ত ধর্মের নামে সন্ত্রাসকেই একসংগে বেঁধে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হবে নাহলে ভেক ধর্মাচারীরা বিশেষ ধর্মবিদ্বেষীর ভুয়ো তকমা লাগিয়ে ভুল বোঝাবুঝির বিষাক্ত পরিবেশ তৈরীর সুযোগ পেয়ে যেতে পারে । আর ১২ই নভেম্বর ২০১৫ র বেইরুট হামলার দায় আইসিসের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *