ভুলে ভরা সংবাদ ও সাংবাদিকতা……

বাংলাদেশের ইতিহাসে সেদিন কলঙ্ক মোচনের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার .সন্ধ্যা থেকে উৎসুক বাঙ্গালী চিন্তামগ্ন। আজ ই হয়ত কার্যকর হয়ে যাবে রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ফাঁসির রায়। একটা নাকি দুইটা? ?আচ্ছা ,রাষ্ট্রপতির নিকট ক্ষমাভিক্ষা চাইবে তো একাত্তরের নরঘাতকরা?ইতিহাস স্বীকার করে দোষ মেনে নিবে তো নিজেদের?এমনি হাজারো প্রশ্ন মুক্তিযুদ্ধ প্রেমী হাজারো মানুষের মনে। সেই মানুষের মধ্যে কি সাংবাদিকরা পড়েন না??কি জানি!! হয়তো পড়েন ,হয়তো পড়েন না।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সেদিন কলঙ্ক মোচনের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার .সন্ধ্যা থেকে উৎসুক বাঙ্গালী চিন্তামগ্ন। আজ ই হয়ত কার্যকর হয়ে যাবে রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ফাঁসির রায়। একটা নাকি দুইটা? ?আচ্ছা ,রাষ্ট্রপতির নিকট ক্ষমাভিক্ষা চাইবে তো একাত্তরের নরঘাতকরা?ইতিহাস স্বীকার করে দোষ মেনে নিবে তো নিজেদের?এমনি হাজারো প্রশ্ন মুক্তিযুদ্ধ প্রেমী হাজারো মানুষের মনে। সেই মানুষের মধ্যে কি সাংবাদিকরা পড়েন না??কি জানি!! হয়তো পড়েন ,হয়তো পড়েন না।
সেই সকাল ,দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা ,এমনকি রাত হল .সাংবাদিক ,ফটোসাংবাদিক সকলে ভীড় করে আছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে। কি টেলিভিশন সংবাদ কর্মী ,কি পত্রিকার সংবাদদাতা ,কি অনলাইনের সাংবাদিক ,সকলেই আছেন। দুই মিনিট পর পর সকলের মুখে একটি কথা “চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে ,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী আছেন ,কারাগারের ভিতরে এই মাত্র অমুক প্রবেশ করলেন ,এইমাত্র উনি দেখা করে বেরিয়ে এলেন ,আরও কত শত। অনলাইন পোর্টাল আরও এক ধাপ এগিয়ে। তাদের শিরোনাম “দুপুরে কি দিয়ে ভাত খেলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ,রাতে কি খেলেন মুজাহিদ” ,”কেমন আচরণ করছেন তারা” “পরিবারের কে ঢুকল ,কে বের হল” এমন উদ্ভট সব খবর্।
আসুন ,৪৪ বছর আগে ফিরে যাই। কি করেছিল ৭১ এ এই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ,মুজাহিদরা?? আমরা অনেকে জানি না। কিন্তু ইচ্ছে করলে অনলাইন পোর্টালরা ভালভাবেই জানাতে পারত। কারণ অধিকাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারীগণ এসব পোর্টাল দেখেন। ঠিক কি কি অভিযোগে যুদ্ধাপরাধীদের সাজা হল??জানেন কি!!! আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের ইচ্ছে হলেই জানাতে পারত নিউজ চ্যানেলগুলো। যুদ্ধের পর তারা কি কি অন্যায় করেছে? ?আমরা কয়জনেই বা মনে রেখেছি??কয়জনের ই বা মনে রাখার কথা!!! আমাদের জানানো যেত। এমন অসংখ্য অজানা তথ্য তরুণ প্রজন্মকে জানানোর আছে এসব নিউজ মাধ্যম তথা সংবাদকর্মীদের .অথচ কোনো এক আশ্চর্য কারণে এসব ছাপিয়ে আমাদের মূল বিষয়বস্তু হয়ে উঠল ,তাদের খাবারের মেন্যু ,তাদের আচরনের পরিবর্তন ,পরিবারের সাথে কাটানো মুহূর্ত এসব।
কিছু বলার নেই এসব সংবাদ মাধ্যম বা সাংবাদিকদের্। শুধু বলব ,”আবার আপনারা মানুষ হউন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *