সমস্যাটা কোথায়?

ফেসবুক বন্ধ রাখায় মানুষজন বিরক্ত হয়নি কথাটা ঠিক। এর কারন কি সেটা আমরা সবাই জানি।
সাকা আর মুজাহিদের মত পশুদের ফাসি কার্যকর করায় শুধু ফেসবুক কেন, সমগ্র ইন্টারনেট গেটওয়ে বন্ধ রাখলেও মানুষ বিরক্ত হতোনা।
কিন্তু কথা হচ্ছে, ফাসির রায় কার্যকর হয়ে গেছে। দুটোকেই হুরের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।। এখনো কেন তবে ফেসবুক বন্ধ?

ফেসবুক বন্ধ রাখায় মানুষজন বিরক্ত হয়নি কথাটা ঠিক। এর কারন কি সেটা আমরা সবাই জানি।
সাকা আর মুজাহিদের মত পশুদের ফাসি কার্যকর করায় শুধু ফেসবুক কেন, সমগ্র ইন্টারনেট গেটওয়ে বন্ধ রাখলেও মানুষ বিরক্ত হতোনা।
কিন্তু কথা হচ্ছে, ফাসির রায় কার্যকর হয়ে গেছে। দুটোকেই হুরের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।। এখনো কেন তবে ফেসবুক বন্ধ?
নিউজে পড়লাম তারানা হালিম বলছেন, যতদিন পর্যন্ত দেশের একজন মানুষও নিরাপদ না, ততদিন ফেসবুক বন্ধ রাখা হবে। দেশের মানুষ অনিরাপদ কি কারনে সেটা সম্ভবত ওনার জানা নেই। অবশ্য আশাও করিনা যে, উনি জানবেন। কেননা, যেখানে সেন্টিমেন্ট থিউরি কাজ করে সেখানে এসব জানার কথা না। আর এ ব্যাপারে মিডিয়াও এখন নিশ্চুপ। বর্তমানে মিডিয়া জোর ইজতেমা , বিপিএল নিয়ে হেব্বি ব্যস্ত। এরকম অনলাইন মাধ্যম বন্ধ করে কোন দেশের নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত করা হয়, এমন নজির আমি কোথাও দেখি নাই। অন্তত কোন প্রগতিশীল দাবিদার সরকার-মিডিয়া এমন কান্ড করেন নাই। রাজাকারের ফাসি নিশ্চিত করতে ফেসবুক্, ভাইবার সব অন্য সব সোস্যাল মিডিয়া বন্ধ করে দেয়ার পরে সাধারন জনতা এটাই ভেবেছিলো; ফাসি হয়ে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যখনই প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের মুখ নিরাপত্ত্বার কথাটা উঠেছে। সেখানেও এ ও পরিষ্কার বলা দরকার ছিলো যে, কারা ফেসবুকের মাধ্যমে নিরাপত্ত্বাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে? দেশের প্রায় ৯৭% মানুষ মুছলিম। তাদের ধর্ম ইছলাম। এখানের সবাই ইজতেমায় যাবে লক্ষ-লক্ষ মুছলিম জুম্মাবারে নামাজ পড়বে। পাকিস্তান,(পড়ুন জঙ্গিস্তান), মিয়ানমার সহ বিশ্বের প্রায় সব মুছলিম দেশ থেকে মুছলিমরা আসবে। দেশের মানুষ উর্দুতে বয়ান শুনবে। আল্লা নবীর গুনগান হবে।
ফেসবুক সহ সোস্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করেই এখন চলছে প্রায় সব পন্যের বিজ্ঞাপন। দেশের কর্পোরেট ব্যক্তিরা থেকে শুরু করে সাধারন ৪র্থ শ্রেনীর অনেক কর্মকর্তাও এখন এসব সোস্যাল মিডিয়ায় অফিস্যিয়াল অনেক দরকারী কথাবার্তা কাজ কর্ম সারেন। ই-কমার্স সাইট গুলো এখন বেকার পড়ে আছে। তাদের ক্রেতাও এই সাধারন ফেসবুকার গন। প্রায় সব প্রোডাক্টের ডিটেইলস এখন ফেসবুকে আপডেট করা হয়। অনেক প্রোডাক্টের এফ্যিলিয়েট মার্কেট গড়েই ওঠে ফেসবুককে কেন্দ্র করে। তাদের এখন কি অবস্থা এটা আমার মনে হয়না সরকার বুঝতে পারবেন। সরকার বলেছেন যতদিন না নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত না হয় ততদিন ফেইসবুক বন্ধ রাখবেন। তাহলে এদের কি হবে? সরকারী ভাষ্যমতে বলা যায়, নিরাপত্ত্বার অভাবে মারা যাবে চাপাতি খেয়ে, আবার কাজ না করে মারা যাবে না খেয়ে। কেউ কেউ হতাশ হয়ে হয়তো আনসারুল্লায় যোগ দিতে পারেন।
ভাবছেন জঙ্গি দলে যোগ দেয়াটা বাড়িয়ে বলছি? কিছুদিন এমন অবস্থায় রেখে দেখেন ফলাফল সামনেই দেখতে পারবেন।
খবরে প্রকাশ ‘বাংলাদেশে নেতা পেয়েছে আইএস’ আইএস এর জঙ্গিরা বাংলাদেশে একজন ‘আঞ্চলিক নেতার অধীনে’ নতুন হামলার জন্য সংগঠিত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে এই দলের মাসিক পত্রিকা ‘দাবিক’ এর সর্বশেষ সংখ্যায়। আর এই আই এসের জিহাদিরাই ঢুকে পড়বে দেশে এই মহা পূন্যের বিশ্ব ইজতেমায়।

ছোটবেলায় আমরা অনেকেই বনভোজন করেছি। ইজতেমা, তাবলীগ-এগুলেকে বনভোজনের সাথে তুলনা করা যায়। আমি জানিনা নবী মোহাম্মদ কোনদিন এমন বনভোজন করেছেন কিনা। তিনি যেটা করেছেন সেটা হচ্ছে হিজরত(পলায়ন) এর সাথে আমি প্যারিসে হামলাকারী ঐ মুছলিমটির বেশ মিল দেখতে পাই। হামলা করে সেও পালাবার ধান্দায় ব্যস্ত। নিরাপত্ত্বার প্রশ্নে এখানে দেখা দরকার ছিলো আসলে, কিসের সমস্যার কারনে নিরাপত্ত্বা প্রশ্নবিদ্ধ? কারাই বা এসব করে থাকেন? সারা বিশ্বে এখন রক্তের হলি খেলছে কারা? ইজতেমা মুলত তাবলিগারদের মিলনমেলা। এখান থেকেই শুরু হয় ১চিল্লা থেকে ৩ চিল্লা পর্যন্ত। জোর ইজতেমার পরে শুরু হবে ১ম এবং ২য় পর্ব। এই মিলন মেলায় যারা আসেন তারা সবাই এখান থেকে দলে দলে ভাগ হয়ে যান। যাকে কাফেলা বলা হয়, এই এক একটা কাফেলা পৃথিবীর নানা দেশের দুর্গম অঞ্চলে গিয়েও ইছলাম প্রচার করার দায়িত্ব পালন করেন। যাকে তাবলীগ বলে। এই তাবলিগের শিক্ষাটা কি আমাদের অনেকেরই জানা নেই। এখানে কয়েকটা ধাপে তালিম(জ্ঞান) দেয়া হয়ে থাকে। যেখানে জিহাদের ব্যাপার টাও উল্লেখযোগ্য। এখানে স্পষ্ট ভাবেই শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে যখন দলের লোকবল, অর্থবল সামর্থ্যবল কম তখন ইছলামের দাওয়াত এই ভাবে দুর্গম অঞ্চল অব্দি পৌছে দাও। আর যখন দলের সামর্থ্য বাড়তে থাকবে ঝাপিয়ে পড়ো অমুছলিমদের উপরে। কতল করো অবশ্বাসীদের কে, লুট করে নাও তাদের সম্পদ ও নারীদের কে। যাকে মালে গণিমত বলেন। বোঝাই যাচ্ছে তাবলীগ হচ্ছে ইছলামী খেলাফতের মোহাম্মদ ও খোলাফায়ে রাশিদিন পরবর্তী নয়া তরীকা। আওয়ামীলিগের প্রভাবশালী মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকি ব্যক্তিগত ভাবে এই তাবলীগ বিরোধী বলে তার মত প্রকাশ করায় তাকে মন্ত্রীত্ব হারাতে হয়েছে। আমরা নবী জীবনীর দিকে তাকালেই দেখতে পাই যে তিনি মক্কায় থাকাকালীন সময়ে তার ধর্মে অনুসারী কম থাকায় প্রচলিত নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলে নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিতদের কিয়দাংশ তার মতবাদে ভেড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি যেসকল কথাবার্তা তৎকালীন সময়ে বলেছিলেন তাই কোরানে ঠাই পেয়েছে মক্কী সুরা গুলাতে । আবার যখন তার এই শ’খানেক ইছলামী মতের লোক ফুলে ফেঁপে কয়েকগুন বেড়ে গেল, ঠিক সে সময়েই তিনি হামলা করেন কাবায়। ভেঙ্গে ফেলতে সচেষ্ট হন প্যাগানদের ধর্মীয় দেবতাদের মুর্তি ।(মালে গনিমত) , নারী-সম্পদের লোভে (ইয়াসরিব) মদিনায় অবস্থান করলেন তখন প্রতিটা যুদ্ধ কেমন হবে তার বিশদ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে মাদানি সুরা গুলোতে। মাদানি সুরাতে আমরা আরও দেখতে পাই দেশের শাসন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা বিধিকে ইছলাম তার সুবিধে মত করে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন করেছে। সুস্পষ্ট ভাবে দেখতে পারি সেখান অন্য ধর্মের-মতের মানুষদের কে কি নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে, সাজা পেতে হয়েছে। ঘরবাড়ি, সম্পদ ও নারীদের ইছলামী সাহাবীদের ভোগের বস্তুতে পরিণত হওয়াই অন্য মতের মানুষের নিয়তি ছিলো। এরপরেও আরও ছিলো ‘যিযিয়া কর’ নবিজির মক্কা এবং মদিনা অবস্থান; তাবলীগ-জামায়াত ও আই এস এর সাথে নিবিড় মিল আমরা লক্ষ্য করলেই তা সাদা চোখেই ধরা পড়বে। দেশের ইজতেমা র পরে বাংলাদেশে যারা থেকে যান তারা সবাই একহন ঢাকায় কাকরাইলে অবস্থিত মার্কাস মসজিদে। কোন দল কোথায় যাবেন সেটা এখনে বসে ঠিক করা হয়ে থাকে। এই ইজতেমায় অংশ নিবেন আই এস, বেকো হারাম সহ প্রায় সব জঙ্গি গোষ্টি। যোগ দিবেন দেশে থেকে গিয়ে যোগ দিবেন তাবলিগে। ভাগ হয়ে যাবেন একাধিক কাফেলায়। উদ্দেশ্য তাদের শুধুই ইছলাম প্রচার করা ও কোরান-হাদিস অনুযায়ী পরবর্তী দিকনির্দেশনা দেয়া। সেখান থেকেই দেশে বসে সারাজীবনে অন্যায় পথে উপার্জন করা অর্থের ভারে নুজ্য হয়ে গেছেন এমন কোন ব্যক্তি এই তাবলীগারদের খেদমতে (সেবায়) অর্থ দান করতে থাকবেন পূন্যের আশায়, টাকাকে হালাল করার নেশায়। এই অর্থই হবে পরবর্তীতে জিহাদী কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য তাদের মুলধন। দেশী বিদেশী অগণিত এমন দাতা আছেন যারা তাবলিগ জামায়তে দু হাত ঢেলে টাকা দিয়ে যাচ্ছেন। এখানে চলে মুলত ব্রেইন ওয়াশ করার কাজ। কিভাবে একজন সাহাবীর ন্যায় সহি জিহাদি হতে পারে কোন মুমিন তার অদ্যোপান্ত দীক্ষা এখান থেকেই দেয়া হয়। এদের এই তাবলীগ জামাতে যারা আসে তারা যেকোন মুমিনই হতে পারেন। তবে , বেশির ভাগই আসেন মহল্লার ছিচকে সন্ত্রাসী, ঘুষখোর সরকারী কর্মকর্তা, ধর্ষক, নেশাসক্ত এদের কে প্রথমেই ১ চিল্লায় যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয় না। এরা প্রথমে ৩ দিন এরপরে এক সপ্তাহ এভাবে ধীরে ধীরে দিন বাড়াতে থাকেন। যে মসজিদে এই তাবলীগ ওলারা অবস্থান নেন তাদের বিশেষ সেবার নিয়োজিত করা হয় মদ্রাসা ছাত্রদের কে। এই ছাত্রদের মধ্যে যারা ক্বারী কিংবা এমন টাইটেল প্রাপ্ত তাদেরকে দেয়া হয় বিদেশী তাবলীগ করতে আসা লোকেদের খেদমতের ভার। সেখান থেকেই এই ক্বারী কিংবা মাওলানাকে পাঠানো হয় প্রশিক্ষন মিশনে। এসব ক্বারী ও মাওলানাদের দেখা দেখি অন্যরাও যোগ দেয়। কার্যক্রম টা এভাবেই এগোয়।
প্রত্যেকদিন বিকালে ও সকালে নিয়ম করে মানুষদেকে দাওয়াত দিয়ে আনা হয় মসজিদে। আসলে এটাকে দাওয়াত বলে কিভাবে আমি জানিনা। আপনি যদি যেতে ইচ্ছুক না হন তবে আপনাকে দেখানো হবে দোযখের , কবরের শাস্তির ভয়। এরপরে যদি যেতে না চান তাহলে আপনার মুছলিম নিয়েই এরা টান দিবে। যদি মুছলিম হয়েই থাকেন তবে কেন আল্লার রাস্তায় সময় দিবেন না?
আমার একটা অভিজ্ঞতা এখানে বললে ব্যাপার টা ক্লিয়ার হবে বোধহয়। অফিস থেকে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরিছি হেটেই। পথিমধ্যে মসজিদের সামনে ৩ জন ব্যক্তি পথ আগলে দাড়ালেন আমার। কান থেকে হেডফোন খুলতে বলে, সালাম দিলেন। কতক্ষন গ্যাজাইলেন। আমার ব্যস্ততার কথা তাদেরকে বললাম। সেই একই কথা তাদের, আল্যার রাস্তায় একটু সময় দিলে তেমন বেশি সমস্যা হবেনা। আমি তাদেরকে আমার কোন এক কলিগ অসুস্থ এটা জানানোর পরে তাদের ঐ একি কথা। আল্লা ভালো করে দিবেন। মেজাজ এমন চড়ে গিয়েছিলো, বলার বাইরে। আমি বললাম ভাই এভাবে মানুষকে কেন হয়রানি করছেন? আমি বললাম আমি ব্যস্ত আছি এখানে যাওয়ার মত সময় আমার হাতে নেই। আমার কলিগ অসুস্থ তাকেও দেখতে যেতে হবে। আপনি বলনে আল্লা ভালো করে দিবেন। আমার কলিগ খৃষ্টান। কোন খৃষ্টান কে আল্লা ভালো করেছেন এমন কথা আমি কোথাও শুনিনাই। পথ ছাড়েন যাইতে দেন।
ডাঃ ছাড়া আল্লা ওনারে ভালো করতে পারবে না। এক প্রকার জোর করেই সেদিন আমি চলে এসেছিলাম বাসায়।

সরকারের নীতি-নির্ধারকদের তাই বলছি এখনো সময় আছে ফেসবুক নয়, ইজতেমায় নজরদেন, মাদ্রাসাশিক্ষাকে ব্যান করুন। ধর্মীয় তোষামোদি কে পরিত্যাগ করুন। না হলে শুধু ফেসবুক নয়, সাবমেরিন সংযোগ বিচ্ছন্ন করে সমগ্র ইন্টারনেট গেটওয়ে ডিজেবল করে দিলেও দেশের নিরাপত্ত্বাটা দিতে সফল কোনভাবেই হবেন না।
সমস্যাটা ফেসবুকে নয় সমস্যাটা সেন্টিমেন্টে

৫ thoughts on “সমস্যাটা কোথায়?

  1. ফেসবুক নিয়ে সরকার এমন
    ফেসবুক নিয়ে সরকার এমন তাল-বাহানা যে করবে আগেই আশংকা প্রকাশ করেছিলাম। সরকারের এখন কোন বিরোধী পক্ষ নাই ফেসবুক ছাড়া। সুযোগ খুঁজছিল, সাকা আর মুজা’র সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ফেসবুক বন্ধ করে রাখার চেষ্টা সরকার করবেই। সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইবে না। ‘কইমাছের তেলে কইমাছ ভাজা’ হচ্ছে আওয়ামীলীগের নীতি। ইউটিউবের মত সোস্যাল মিডিয়ার অধিকার ছিনিয়ে না আনতে পারলে সরকার ফেসবুক সহজে ছাড়বে না। মন্ত্রী তারানা হালিমের বক্তব্য ফেসবুক দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখার সরকারী ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। পারলে এই যন্ত্রণা সারাজীবন বন্ধ করে রাখতে চায় আওয়ামীলীগ।

    1. দুলাল ভাইয়ের সাথে আমিও একমত।
      দুলাল ভাইয়ের সাথে আমিও একমত। হয়তো আবারো সাধারন ফেসবুকার রাস্তায় নামবে……
      সরকার পাইছেটা কি ?

  2. মত প্রকাশের সকল স্থান আস্তে
    মত প্রকাশের সকল স্থান আস্তে ধীরে সরকার তার নিজের দখলে নিয়ে নিচ্ছে।৫৭ ধারা দিয়ে নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টার পরে এখন পুরোপুরিভাবে বন্ধ করে দেয়া হল ফেসবুকের মত উন্মুক্ত মতপ্রকাশের স্থান কে।অন্ধকার,নিকষ কাল অন্ধকার গ্রাস করছে বাংলাদেশ কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *