পাসিঁ সাই

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “সকল জ্ঞানীর উপরে আছেন এক মহাজ্ঞানী”। বাংলাদেশের আরেক অন্যতম বিদ্যাপীঠ ‘রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “Heaven’s light is our guide” অর্থাৎ “বেহেশতের আলো আমাদের পথপ্রদর্শক”। ‘খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “প্রভু! আমায় জ্ঞান দাও”।

এই বিষয়ে নরকের কীট নাস্তিকদের মন্তব্যঃ-

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “সকল জ্ঞানীর উপরে আছেন এক মহাজ্ঞানী”। বাংলাদেশের আরেক অন্যতম বিদ্যাপীঠ ‘রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “Heaven’s light is our guide” অর্থাৎ “বেহেশতের আলো আমাদের পথপ্রদর্শক”। ‘খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’এর মনোগ্রামে লেখা আছে, “প্রভু! আমায় জ্ঞান দাও”।

এই বিষয়ে নরকের কীট নাস্তিকদের মন্তব্যঃ-
সকল জ্ঞানীর উপরে যদি এক মহাজ্ঞানী থেকে থাকেন তাহলে ওই মহাজ্ঞানী প্রবর্তিত জ্ঞান সমুদ্র ‘আল-কোরআন’ বা ‘গীতা’ বা ‘বাইবেল’ বা ‘ত্রিপিটক’ পাঠ করা উচিৎ। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কুফরি লেখাপড়া বন্ধ করে দেয়া উচিৎ। যদি বেহেশতের আলো আমাদের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকে তাহলে “জ্ঞানই আলো”-কথাটি সমস্ত বইপত্র থেকে তুলে দেয়া উচিৎ। মনোগ্রামে “প্রভু! আমায় জ্ঞান দাও” লিখার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা মানে আল্লাহ্‌র অবমাননা করা। কারণ জ্ঞান দিবেন প্রভু, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা না। জ্ঞান পেতে হলে তাই প্রভুর কাছে হাত পাতা উচিৎ। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা উচিৎ না।

নাস্তিকদের কথাগুলো নিয়ে বলার কিছুই দেখছি না। এরা মূর্খ। তাই এদের কথা নিয়ে চিন্তা করার কোন দরকার নেই। আমি কিছু দাবী উত্থাপন করলাম।
১/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল নাস্তিক তৈরির আস্তানা অবিলম্বে বন্ধ করে দিতে হবে।
২/ অবিলম্বে হাটহাজারী মাদ্রাসাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করতে হবে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নাম দিতে হবে “হাটহাজারী বিশ্ববিদ্যালয়”।
৩/ মাদ্রাসা ব্যাতিত সমস্ত কুফরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে বন্ধ করে দিতে হবে এবং সেগুলোকে মাদ্রাসায় পরিবর্তন করতে হবে।
৪/ “ইসলামের ইতিহাস” বা ইসলাম বিষয়ক যেকোন বিষয় পড়ালেই কেবলমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় চালু রাখা যাবে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই মনোগ্রামে “আল্লাহ্‌ আকবর”, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম” এবং কালেমা ত্বাইয়্যিব “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” লেখা থাকতে হবে।
৫/ সমস্ত নাস্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবিলম্বে ফাঁসি চাই। দিতে হবে, দিয়ে দাও।

৮ thoughts on “পাসিঁ সাই

  1. সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর
    সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোয় গোটা পৃথিবী জ্বলমল করছে। ছাগলের বিঁচিতে কিছু বুদ্ধি আছে, কিন্তু মুসলিম ধার্মিকদের শুধু মাথা না, বিঁচিতেও নেই।

    1. ওলীক আসা বরসা বাইয়া, কসু
      ওলীক আসা বরসা বাইয়া, কসু গাসের লগে পাঁসি সরিয়ত সম্মত না। সহিহ্‌ মিডল ইস্ট ফদ্দতি অইল ক্রেনের সাতে লটকাই দেওয়া। তাসারা কমর ফইজ্জন্ত গাইরে ফাত্তর মাইরবারও বিধান আসে।

  2. ভাই কসুমিয়া মনে চাইতেসে
    ভাই কসুমিয়া মনে চাইতেসে আপনারে দুইটা কানের নিচে মারি।এইরকম পাছায় মগজ নিয়া ফেইসবুকে ল্যাদানি না মাইরা জর্জমিয়ার মত ব্লগে আইছেন কেন ?
    আফনেরে তো ফেইসবুকেতই ভক্তগণ বেশি !
    ফেইসবুক ব্লক ?
    সিস্টেম জানা নাই ?
    তাইলে সলি যান হাটহাজারি নয়া সিস্টেম শিখতে ।
    এইখানে যদি আধটু মজা দেখতাম তাইলেও মানা যাইতো পুরাটা জর্জমিয়া পাতি নাস্তিকের মত অমজায় ভরপুর।
    বীচিহীন ‘মানষিক বিকারগ্রস্ত’ পাতিনাস্তেক গুলারে(উদাহরণঃপাতিনাস্তিক জর্জমিয়া ,ফেইসবুকে আগে ভাব নিয়া চলত এহন হ্যায় ইস্টিশনের বলগার) তো বস করা গেলনা ভাই কসু!

    1. যে কুনু নাস্তেখ, পাতি
      যে কুনু নাস্তেখ, পাতি নাস্তেখ, আম, ভাম, লীগ, লিক সোবাইকে সহি তরিকায় বশ করিবার ফিকির দেওয়া হয়, হাদিয়া ৩০৫ টেকা + বেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *