ফেসবুক বন্ধ করাটা স্বৈরাচারি মনোভাব

গত দুইদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ আছে বাংলাদেশে।
সাধারন ভাবে ফেসবুকে ঢুকা না গেলেও অনেকে প্রক্সি দিয়ে, ভিপিএন দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করতেছে।
এর আগেও ২০১০ সালে একবার ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল ধর্মনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিষয়টাকে ইস্যু করে।
কিন্তু এবারের বিষয়টা আলাদা সরকার বিরোধী এবং যুদ্ধপরাধীর দোশরা যাতে কোন প্রকার ভুল প্রচরনা না চালাতে পারে দেশে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এই কারনে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তবে এই কারনটা বড়ই অমুলক আর গাজাখুরি ঠেকলো।
ফেসবুক বন্ধ করে দিলেই কি তারা তাদের প্রচরনা বন্ধ করে দিবে?
সমস্যা হয়তো তাদের জন্য সাময়িক কোন না কোন প্লাটর্ফম তারা দেরি করবেই।

গত দুইদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ আছে বাংলাদেশে।
সাধারন ভাবে ফেসবুকে ঢুকা না গেলেও অনেকে প্রক্সি দিয়ে, ভিপিএন দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করতেছে।
এর আগেও ২০১০ সালে একবার ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল ধর্মনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিষয়টাকে ইস্যু করে।
কিন্তু এবারের বিষয়টা আলাদা সরকার বিরোধী এবং যুদ্ধপরাধীর দোশরা যাতে কোন প্রকার ভুল প্রচরনা না চালাতে পারে দেশে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে এই কারনে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তবে এই কারনটা বড়ই অমুলক আর গাজাখুরি ঠেকলো।
ফেসবুক বন্ধ করে দিলেই কি তারা তাদের প্রচরনা বন্ধ করে দিবে?
সমস্যা হয়তো তাদের জন্য সাময়িক কোন না কোন প্লাটর্ফম তারা দেরি করবেই।
তার উপর এই যে প্রক্সি এবং বিভিন্ন উপায় বের করে ফেসবুক চালাচ্ছে এটা তো সরকারের দারুন ব্যর্থতা।
মুখে বলে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তেছি,টুজি,থ্রি,থেকে ফোরজি পর্যন্ত চলে গেছি।
হাস্যকর সব কথা বার্তা।আর এদিকে ফেসবুক বন্ধ করে দেশের মানুষের বাক স্বাধীনতায় দারুন ভাবে বাধাগ্রস্থ করা ছাড়া এটা কিছুই নয়।
নিজেদের দোষ ঢাকাতে ফেসবুক বন্ধ করে একটা স্বৈরাচারী ভাব প্রকাশ করা ছাড়া সরকার আর কিছুই করেনি।
শুভ বুদ্ধির উদয় হোক ফেসবুক খুলে দেয়া হোক।

২ thoughts on “ফেসবুক বন্ধ করাটা স্বৈরাচারি মনোভাব

  1. দেশকে ডিজিটাল ঘোষনা করে দেশের
    দেশকে ডিজিটাল ঘোষনা করে দেশের ইন্টারনেট সার্ভিস গুলো বন্ধ রাখার নামাই বুঝি ডিজিটাল বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *