যুদ্ধাপরাধীর বিচার কেন এক তরফা !!!

আমি শাহবাগের পক্ষে কথা বলি না।তাই আমি ছাগু,রাজাকার,দালাল সব সবকিছু।কারন এসব উপাধি গুলো এখন শাহবাগীরা দিয়ে থাকেন।
ব্ধির-অন্ধ না হইলে আপনারাও এখন জানেন শাহবাগ আওয়ামীলীগের একটি ফসল। তারা নির্বাচনের আগে তাঁদের সকল অপকর্ম দুর্নীতির পাতা উলটে দেওয়ার জন্যই তাঁদের কিছু দালালদের দিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষদের ব্যাবহার করছেন।


আমি শাহবাগের পক্ষে কথা বলি না।তাই আমি ছাগু,রাজাকার,দালাল সব সবকিছু।কারন এসব উপাধি গুলো এখন শাহবাগীরা দিয়ে থাকেন।
ব্ধির-অন্ধ না হইলে আপনারাও এখন জানেন শাহবাগ আওয়ামীলীগের একটি ফসল। তারা নির্বাচনের আগে তাঁদের সকল অপকর্ম দুর্নীতির পাতা উলটে দেওয়ার জন্যই তাঁদের কিছু দালালদের দিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষদের ব্যাবহার করছেন।

যুদ্ধাপরাধীর বিচার আমিও চাই এবং শাহবাগ আন্দোলনের প্রথম দিনই আমি ঐখানে উপস্থিত ছিলাম।কিন্তু তখনও জানতাম না যে এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলন। আমার প্রশ্ন হল শাহবাগের আন্দোলন যদি নিরপেক্ষ হত তাহলে তারা শুধু জামাতে ইসলামী নয় আওয়ামীলীগের রাজাকারদের
বিচার চাইত।কাদের সিদ্দিকির মত একজন মানুষ যখন বলল মখা রাজাকারের কথা তখন তারা তাকেই রাজাকার বলা শুরু করে দিল।

প্রথম আলো শাহবাগের আন্দোলন আর খবর ১ম দিন থেকেই ফলাও করে প্রচার করত।বাংলা নববর্ষ সংখ্যায় ‘টিভি ক্যামেরার সামনে মেয়েটি’ শিরোনামে হাসনাত আবদুল হাই- যখন শাহবাগের আসল চিত্র তুলে ধরল তখন তারা তাকেও রাজাকার বলা শুরু করল।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে হাসনাত আব্দুল হাই ও প্রথম আলোর মত একটি সচেতন পত্রিকার মালিকেরা কেন এমনটা করলো?? প্রশ্ন এখন সবার মনে। আমার যেটা ধারণা হচ্ছে সেটা হলো গণজাগরণ মঞ্চ এখন সরকারের গলার কাটা হিসেবে দেখা দিয়েছে। জামাতশিবির ও হেফাজতকে সামাল দিতে গণজাগরণ এখন প্রকারান্তরে ব্যর্থ। ফলে সেটাকে দুধ কলা দিয়ে পোষার চেয়ে না পোষাকেই বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে সরকারের উচ্চ মহলের এক নেতা বলেছেন এই মঞ্চের আর আপাতত দরকার নাই। কাজেই তার কথাতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তারা যেকোনোভাবে এটাকে দমাতে চাচ্ছে।

৭১’ এ আমাদের ২ লক্ষ মা-বোন কে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, এই মুহূর্তে যদি সেই সব হায়েনার দল এসে বলে এই নাও তোমাদের কাপড়, যা আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম, এটা গায়ে জড়িয়ে সব কিছু ভুলে যাও, আমরা ক্ষমাপ্রার্থী, তবে কি আমরা সব কিছু ভুলে যাবো!? এমতাবস্থায় , প্রথম আলোর অবস্থান গ্রাম্য একটি প্রবাদের কথা মনে করিয়ে দিল- “জুতা মেরে গরু দান” ।

তাই আমি শাহবাগীদের বলি ভাই থামেন, এক জীবনে বহুত নাটক দেখাইছেন,আর দেখতে চাইনা।এইবার ভাগেন ইচ্ছা করলেও আর থাকতে পারবেন না।

সুরঞ্জিত সেনের একটা কথা খুব মনে পরছে “হাসিনা যাকে ধরে তারে ছাড়ে না”
এইবার এই দেশটারে ধরছে।দেখি ছাড়াইতে পারি কিনা।

যত যাই বলিনা কেন শাহবাগীরা আমাকে ছাগু-রাজাকার বলবেই।তাঁদের সাথে আমিও বলি আমি ছাগু আমি রাজাক্র।:তুইরাজাকার: :তুইরাজাকার: :তুইরাজাকার:

১১ thoughts on “যুদ্ধাপরাধীর বিচার কেন এক তরফা !!!

  1. যুদ্ধাপরাধীর বিচার আমিও চাই

    যুদ্ধাপরাধীর বিচার আমিও চাই এবং শাহবাগ আন্দোলনের প্রথম দিনই আমি ঐখানে উপস্থিত ছিলাম।কিন্তু তখনও জানতাম না যে এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলন।

    অবশ্যই এটা রাজনৈতিক আন্দোলন। কিন্তু এটা কোন দলের সম্পত্তি না। আপনি এটাকে আওয়ামীলীগের ফসল বললে ভুল করবেন। যুক্তি দেখাবেন, ছাত্রলীগের নেতারা মঞ্চের দখল নিয়েছিল, ইমরান এইচ সরকার আওয়ামীলীগার ইত্যাদি। জেনে রাখেন, মঞ্চটা আন্দোলনের একটা অংশ মাত্র। ওই মঞ্চে কোন রাজনৈতিক খেলা হল সেটার জন্য আমি আমার প্রাণের দাবী ত্যাগ করতে পারিনা। ঐ মঞ্চ থেকে আমাকে কেউ ডাকে নাই স্লোগান দিতে। আমি প্রাণের টানে গিয়েছিলাম। আর আওয়ামীলীগ যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে এই নাটক করে তবে বিচার পাবার জন্য আমি এই নাটকে হাজারবার অংশ নেব।

    হাসিনা যাকে ধরে তারে ছাড়ে না।
    এইবার এই দেশটারে ধরছে।দেখি ছাড়াইতে পারি কিনা।

    ছাড়াইয়া কার হাতে দেবেন??? খালেদার হাতে, তারেকের হাতে?? চেষ্টা করেন, দোষ নাই। মাগার বাংলার মানুষ এই দেশরে তালেবানি রাস্ট্র হইতে দেবেনা এইটা খিয়াল কইরা। আর কারা দেশরে তালেবানী রাস্ট্র বানাইতে চায় সেইটা খুব খিয়াল কইরা।

    1. ছাগুরে এইসব বুঝায়ে লাভ আছে?
      ছাগুরে এইসব বুঝায়ে লাভ আছে? ওদের গোবর মস্তিস্কে গোয়াজমের বীর্য ছাড়া আর কিছু ধরে না।

      1. ছাগুরে এইসব বুঝায়ে লাভ আছে?

        ছাগুরে এইসব বুঝায়ে লাভ আছে? ওদের গোবর মস্তিস্কে গোয়াজমের বীর্য ছাড়া আর কিছু ধরে না।

        এক্করে আসল কথা কইছেন। :থাম্বসআপ:

      2. শেখ হাসিনার বীর্য খাইয়া কি
        শেখ হাসিনার বীর্য খাইয়া কি হজম হয়না,কথায় কথায় গোয়াজমের কাছে যাও কেন?
        :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন:

    2. আমি চাই এমন একটি সরকার যেখানে
      আমি চাই এমন একটি সরকার যেখানে খা-লেদা বা হা-চেনা,জামাত-শিবির কেউ থাকবেনা।নতুন মুখ চাই।
      নাহলে সেনা বাহিনী দেশ চালাক।

  2. ছাগু, তুমিও কিন্তু এই নাটকে
    ছাগু, তুমিও কিন্তু এই নাটকে আছ, ভিলেন। কাদের সিদ্দিকীর সোনার বাঙলা কনস্ট্রাকশনের তৈরী করা ব্রীজের উপর দিয়া গাড়ি চালাও, বুঝবা সে এখন কত বড় মুক্তিযোদ্ধা। হাসনাত আব্দুল হাই কত্ত বড় লেখক!!! ঘাস পাতা অনেক কিছুই সে লিখছে, তোমাদের খানা সাপ্লাই দিছে। ১৯৬৫ সালে ফাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে ঢুইকা, ৭৫ সালের পর থেকে মেজর জিয়ার পদলেহন কইরা, ৭৭ সালে বাঙলা একাডেমী পদক, এরপর হোমো এরশাদের পদলেহন, আবার বেজির পদলেহন এবং ৯৪ সালে একুশে পদক। বুড়া বয়েসে ভীমরতি রোগাক্রান্ত এই কামুক লোকটি তোমার সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছে।

    1. আরে ভাই এই কথা বলেন আমাদের
      আরে ভাই এই কথা বলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে টাকা দিয়া ডিগ্রী কিনে হেই খবর রাখেননা। :মানেকি: :মানেকি: :মানেকি:

  3. আপনি আগে বাংলাদেশের প্রথম
    আপনি আগে বাংলাদেশের প্রথম সারির পাঁচজন যুদ্ধাপরাধী বা রাজাকারের নাম বলেন। এরপর আপনার সাথে আলোচনা করা যাবে।

    1. ১)দেলোয়ার হোসেন সাইদি
      ২)গোলাম

      ১)দেলোয়ার হোসেন সাইদি
      ২)গোলাম আজম
      ৩)কাদের মোল্লা
      ৪)বাচ্চু রাজাকার
      ৫)মখা আলমগীর
      ৬)মোশারফ হোসেন

      1. মখা আলমগীর এবং মোশাররফ হোসেন
        মখা আলমগীর এবং মোশাররফ হোসেন যে রাজাকার ছিলেন সেটার প্রমান দেন। ডকুমেন্ট অথবা পেপার কাটিং।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *