ঢাকা অবরোধ!সরকার সাবধান!

হেফাজতের ঘোষিত ৫ মে ঢাকা অবরোধের জন্য শুরু হয়ে গেছে প্রচার প্রচারনা ও টাকা বিলির কর্মসুচি ।জামাত শিবিরের কর্মীরা প্রতিটি গ্রামে গ্রামে পৌছে এসব প্রচারনা চালাচ্ছে,পাশাপাশি একেকটা গ্রুপ তৈরী করে গ্রুপ লিডারের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে হালকা টাকার বান্ডিল আর বলতেছে কাজ চালিয়ে যান বাকিটা নির্দিষ্ট সময়ে পেয়ে যাবেন ।গ্রামের মসজিদ গুলোতে প্রতি শুক্রবার নামাজের আগে চলছে জিহাদের আহবানে খুৎবা প্রদান ও ।


হেফাজতের ঘোষিত ৫ মে ঢাকা অবরোধের জন্য শুরু হয়ে গেছে প্রচার প্রচারনা ও টাকা বিলির কর্মসুচি ।জামাত শিবিরের কর্মীরা প্রতিটি গ্রামে গ্রামে পৌছে এসব প্রচারনা চালাচ্ছে,পাশাপাশি একেকটা গ্রুপ তৈরী করে গ্রুপ লিডারের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে হালকা টাকার বান্ডিল আর বলতেছে কাজ চালিয়ে যান বাকিটা নির্দিষ্ট সময়ে পেয়ে যাবেন ।গ্রামের মসজিদ গুলোতে প্রতি শুক্রবার নামাজের আগে চলছে জিহাদের আহবানে খুৎবা প্রদান ও ।

গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কোথায় ডিউটি পালন করতেছেন জানিনা এবং এসব বিষয়ে কোন তথ্য তারা সংগ্রহ করেছেন কিনা জানিনা, যদি না করে থাকেন তবে শহর বাদ দিয়ে দেশের আনাচে কানাচে পৌছে এই ব্যাপারটিতে নজর দেয়ার আহবান জানাই ।শুধু মাত্র কয়েকটা শহরের নাম দেশ নয়,৬৮ হাজার গ্রাম নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ নামক ছোট্র এই দেশটি ।এই সংকটময় মুহুর্তে সরকারের উচিৎ দেশের প্রতিটি জায়গা বা অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহে রাখা,হোক না সেটা শহর গ্রাম কিংবা পাহাড়ি দুর্গম এলাকা ।

৫ thoughts on “ঢাকা অবরোধ!সরকার সাবধান!

  1. শুধু সরকার কাজ করবে এই আশায়
    শুধু সরকার কাজ করবে এই আশায় বসে থাকাও ভুল বলেই মনে করি। সীমাবদ্ধতার কারনে ৬৮ হাজার গ্রাম সামাল দেয়াটা কষ্টের। প্রত্যেক এলাকার জামাত-শিবির অপশক্তির বিরুদ্ধের মানুষদের এই কাজে এগিয়ে আসা উচিত। নিজ উদ্যোগে মহল্লার মসজিদে খেয়াল রাখা সহ গ্রামে টাকা লেনদেনের কার্যক্রম চোখে পরলেই প্রতিহত করা।

    শুধু মাত্র কয়েকটা শহরের নাম দেশ নয়,৬৮ হাজার গ্রাম নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ নামক ছোট্ট এই দেশটি ।

    এই কথাটা আমরা যত দ্রুত বুঝবো ততোই মঙ্গল।

  2. সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকে
    সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকে উদ্যোগ নিয়ে এদের অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ওরা যেভাবে গ্রামে গ্রামে, মসজিদে মসজিদে গিয়ে লোকজনকে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষেপিয়ে তুলছে, একইভাবে আমাদেরকেও সর্বত্র সঠিক তথ্য সবাইকে জানাতে হবে। সরকারের আশায় বসে থেকে কোন লাভ নেই। সরকারের একার পক্ষে ৬৮ হাজার গ্রামে একযোগে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর মত লজিস্টিক সুবিধা নেই।

    বিশেষ করে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের প্রতিটা এলাকার স্থানীয় ধর্মপ্রাণ জনগণকে নিয়ে সবাই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। যেভাবে হয়েছিল একাত্তরে।

  3. আমরা অতি ক্ষুদ্র সংখ্যার
    আমরা অতি ক্ষুদ্র সংখ্যার ব্লগাররা (বাংলাদেশের জনসংখ্যার তূলনায়) সম্ভব সকল জায়গায় প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি। অথচ বাংলার মাটি ও মানুষের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের কোন প্রকার তৎপরতা চোখে পড়ছে না। বাংলাদেশের এমন কোন গ্রাম, এমন কোন পরিবার নাই যেখানে আওয়ামী লীগের কর্মী বা সমর্থক নাই। তথাপিও তাদের কোন প্রকার তৎপরতা চোখে পড়ছে না। সরকার প্রধানের উচিত সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার আদেশ দেয়া…

    1. আপনার কথায় সম্পুর্ন সহমত
      আপনার কথায় সম্পুর্ন সহমত ।আমরা কোন রাজনৈতিক সুবিধাভোগী নয়,শুধু মাত্র দেশের প্রতি মমত্ববোধের কারনেই এসব কথা বা পরামর্শ দেয়া ।লীগের উচিৎ তার বিশাল কর্মী বাহিনীকে কাজে লাগানো ।আমরা ছিটকে ভাবে প্রতিরোধ করতে গেলে জীবন ও যেতে পারে,তবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হলে সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত ছিলাম,আছি এবং থাকবো ।

    2. কেমনে করবে? গত সাড়ে চার বছর
      কেমনে করবে? গত সাড়ে চার বছর গলা পর্যন্ত দুর্নীতির কাদায় নিমজ্জিত সরকার নড়াচড়া করতেও পারতেছে না ভাই। আপনি যে সাংগঠনিক কার্যক্রমের কথা বলতেছেন, সেটা একটা সৎ দেশপ্রেমিক সরকার আর তাদের রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের পক্ষেই শুধু সম্ভব। আওয়ামী লীগ কি আর সে অবস্থায় আছে? এহেন দুর্নীতিবাজ নেতাদের কথায় মানুষ মাঠে নামবে কিভাবে? গত সাড়ে চার বছর ভাবখানা এমন ছিল যেন জনগণের এই আস্থার জায়গাটা তাদের দরকারও নাই। কোনভাবেই যেন আস্থা-সহানুভূতি না থাকে নিজেরাই সেটা নিশ্চিত করছে! একে ‘যে গাছের ডালে বসা, সে গাছের ডাল কাটা’ ছাড়া আর কিইবা বলা যায়?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *