পরিচিত ‘হ্যালো’ শব্দ টা আজ বড্ড বেশি অচেনা মনে হচ্ছে..

-হ্যালো
-কে বলছেন?
-আমাকে চিনতে পারছ নাহ? আগে তো হ্যালো বললেই চিনতে পারতা।
লাইন টা কেঁটে দিলাম। কিছু কিছু মানুষের সাথে চাইলেও সত্যি টা বলা যায় না আবার শত চেষ্টা করেও মিথ্যে বলতে পারি না।

প্রতিবার রিং বাজার শব্দে কম্পিত হচ্ছি,আবার কি নতুন কোন কষ্ট ***!!!! ফোন ধরতে ইচ্ছা করছে না। ভালোয় তো আছি।আবার নতুন করে মাথার মধ্যে মাছির মত ভন ভন করে ‘নামটা’ সবসময় ঘুরপাক খাক এটা চাচ্ছি না।

‘প্লিজ ফোন টা রিসিভ কর,আমার অনেক বড় বিপদ’

এস এম এস টা মুহুর্তে আমাকে ফোন রিসিভ করতে বাধ্য করল—
-হ্যালো
-বল
-ভালো আছ?
-একটু বেশিই ভালো।
-জিজ্ঞেস কর!
-কি?
-আমি কেমন আছি?
-ভালোয় তো থাকার কথা।

-হ্যালো
-কে বলছেন?
-আমাকে চিনতে পারছ নাহ? আগে তো হ্যালো বললেই চিনতে পারতা।
লাইন টা কেঁটে দিলাম। কিছু কিছু মানুষের সাথে চাইলেও সত্যি টা বলা যায় না আবার শত চেষ্টা করেও মিথ্যে বলতে পারি না।

প্রতিবার রিং বাজার শব্দে কম্পিত হচ্ছি,আবার কি নতুন কোন কষ্ট ***!!!! ফোন ধরতে ইচ্ছা করছে না। ভালোয় তো আছি।আবার নতুন করে মাথার মধ্যে মাছির মত ভন ভন করে ‘নামটা’ সবসময় ঘুরপাক খাক এটা চাচ্ছি না।

‘প্লিজ ফোন টা রিসিভ কর,আমার অনেক বড় বিপদ’

এস এম এস টা মুহুর্তে আমাকে ফোন রিসিভ করতে বাধ্য করল—
-হ্যালো
-বল
-ভালো আছ?
-একটু বেশিই ভালো।
-জিজ্ঞেস কর!
-কি?
-আমি কেমন আছি?
-ভালোয় তো থাকার কথা।
-আমার বিপদ,এই কথা শোনে ফোন রিসিভ করেছ?
-নাহ। আমার মোবাইলে একটা গুরুত্বপূর্ন কল আসবে তুমি যাতে আর কল না কর তার তা বলার জন্য রিসিভ করেছি।
-বাহ,অনেক বদলে গেছ।
-রাখি।
-প্লিজ..
-ওকে বল
-আমাকে মাফ করবা না?
-করে দিয়েছি।
-আমাকে কি তোমার মনে পরে নাহ?
ফোনের লাইন কেটে দিয়ে সুইচ অফ করে দিলাম।
ওর করা শেষ প্রশ্নটার উত্তর খুজছি……….
ও একদিন বলেছিলো ‘এখন থেকে ভোর সকালে ঘুম থেকে উঠবা। রাত জাগবা নাহ। সিগেরেট খাবা না আর খেলেও সারাদিনে ৩/৪ টা,বেশি বেশি পানি খাবা,ইত্যাদি ইত্যাদি আরও অনেক কিছু’

আমি এখন ইচ্ছা করলেও সকালে ঘুমুতে পারি না,সকাল হলেই কেউ একজন কানে কানে বলে ‘এই উঠ’ আমি চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই।
আমি রাত জাগতে পারি না,একদম পারি না। কেউ একজন এসে আমার চোখের পাতা এক করে দিয়ে যায়। আমি ঘুনাক্ষরেও তার অস্তিত্ব টেড় পাই না। সিগেরেট যদিও বা ভুলে ৪ টার বেশি ধরিয়ে ফেলি আমার হাত টা তখন কাপতে থাকে,মাঝে মাঝে হাত থেকে পরে যায়। তখন মনে হয় কেউ একজন কঠিন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আশে পাশে চেয়ে দেখি কেউ নাই তখন রাগ করে সিগেরেট টা ফেলে দেই।

আচ্ছা,মেয়েটির কথা কি আমার মনে হয়?
উহু,হয় না,একদম হয় না।
প্রচন্ড চা’এর তৃশ্না পেয়েছে,ফুসফুসটাও নিকোটিনের জন্য হাহাকার শুরু করেছে।
কুয়াশার চাদর পিছনে ফেলে নির্জন রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছি। ল্যামপস্টের হলুদ আলোয় স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি পাতা বেয়ে শিশির কনার ঝরে পরা টা,,
আমি এগিয়ে যাচ্ছি। একটু সামনেই হয়তো টং দোকান পেয়ে যাবো যেখানে আছে নিকোটিন আর চা’এর বিশাল সমাহার। নিকোটিন দিয়েই আজ বদলা নিবো কষ্ট নামক শত্রুর।

ভালো থাকুক সকালের ঘুম আর রাত জাগতে না পারার অভ্যাস টা ,সত্যি সত্যিই ভালো থাকুক…….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *