এক প্রশ্নে ৭ সৃজনশীল-ভুল শিক্ষা

“শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড”, “শিক্ষাই দীক্ষা”।।
.
ছোটবেলা থেকেই একটি শিশু এই কথাগুলোই হজম করতে করতে, আর আওরাতে আওরাতে টুক টুক করে বড় হয়ে ওঠে। বাবা-মা ছোট্ট সোনামনি কে বলে “লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে যে”। গাড়ি ঘোড়া চড়তে কি আদৌ শিক্ষা লাগে?, না লাগেনা।
.
এই সব কথা গুলোই শিক্ষার তাৎপর্য বহন করে। শিক্ষা আসলেই অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস, শিক্ষা ছাড়া জাতি অন্ধ। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) বলেছেন, “বিদ্বান এরর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম”।
.

“শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড”, “শিক্ষাই দীক্ষা”।।
.
ছোটবেলা থেকেই একটি শিশু এই কথাগুলোই হজম করতে করতে, আর আওরাতে আওরাতে টুক টুক করে বড় হয়ে ওঠে। বাবা-মা ছোট্ট সোনামনি কে বলে “লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে যে”। গাড়ি ঘোড়া চড়তে কি আদৌ শিক্ষা লাগে?, না লাগেনা।
.
এই সব কথা গুলোই শিক্ষার তাৎপর্য বহন করে। শিক্ষা আসলেই অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস, শিক্ষা ছাড়া জাতি অন্ধ। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) বলেছেন, “বিদ্বান এরর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও উত্তম”।
.
আমরা এখন আধুনিক যুগে বাস করছি। যুগের আধুনিকতার সাথে আধুনিক হচ্ছে সব কিছুই, অগ্রগতি পাচ্ছে সব স্থানে। আধুনিক হচ্ছে শিক্ষা ও। আর এই আধুনিক শিক্ষার একটি হলো সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি।
.
বলা হয়, সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষায় এক নতুনত্বের সৃষ্টি করেছে, মুখস্ত বিদ্যা পরিহার করেছেন, না বুঝে গলধঃকরন কে পরাজিত করেছে। আসলেই কি তাই? আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হলেও আসলে তাই না, সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি গাইড ব্যবসা আর কোচিং ব্যবসার অগ্রগতি করেছে। সৃজনশীল শিক্ষার সৃজনশীলনা রক্ষার্থে শিক্ষার্থীদের নিতে হয় একাধিক সহায়ক বই এর সাহায্য, যার ফলে বাড়ছে বইয়ের চাপ, বাড়ছে অসহনীয়তা।
.
মোটা মোটা গাইড কিনে অধঃগলধঃকরন করে পরীক্ষার্থী যাচ্ছে পরীক্ষার হলে। প্রশ্ন হচ্ছে পড়া সিলেবাসের উলটা। এইদিকে সংক্ষেপ সময়ের মধ্যে অধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আরর সৃজনশীলতার পরিচয় দিতে গিয়ে ভিমড়ি খাচ্ছা শিক্ষার্থীরা, যার ফলে, নাম্বার প্রাপ্তির তাগিদে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে ভড়াচ্ছে খাতা, আর জিরো মার্কিং পদ্ধতি না থাকায় সেখানেই নাম্বার পাচ্ছে শিক্ষার্থী।
.
নামে সৃজনশীল হলেও মাত্র ২ ঘন্টা ২০ মিনিট সময়ের মধ্যে (৬x৪=২৪) প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অধিক চাপে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে হারহামেশাই।
.
যেখানে ৬ টা সৃজনশীল দিতেই কষ্ট আর শিক্ষার মানের অবনতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত সেখানে ৭ টা সৃজনশীল এর সিদ্ধান্ত টু যারপরনাই অনর্থক ও ভুল সিদ্ধান্ত। এর ফলে ছেলে-মেয়েদের মাথায় বাড়বে চাপ, পরীক্ষায় সৃষ্টি হবে বিশৃঙখলতা।
.
এতে করে যেই শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড নামে পরিচিত সুশিক্ষা আর সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে সেই শিক্ষা বক্র মেরুদন্ড সম হয়ে যাবে আর জাতি হয়ে যাবে কুজো।
.
রোবট একমাত্র পারে নির্দেশনা অনুযায়ী সব কাজ করতে আমরা রোবট নই আর আমাদের দেবী দূর্গার মতো দশোভূজা ও কেউ নেই, তাই ৭ সৃজনশীল সিদ্ধান্ত পরিহার করতে হিবে শীঘ্রই।
.
তাই এই বাজে শিক্ষা পদ্ধতি পরিহার করতে ও এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে সকল ছাত্র-ছাত্রি ও শিক্ষকবৃন্দ দের আহ্বান জানাচ্ছি।।
.
.
Written By আশরাফুল ইসলাম সাইম(দ্যা-কানাবাবু)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *