প্রধানমন্ত্রী,আপনাকেই বলছি!আপনিই পারবেন ।

ফটিকছড়িতে ঘটে গেল স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা ।পবিত্র মসজিদের মাইক ব্যবহার করে চরম মিথ্যা রটিয়ে দেশবিরোধী ধর্মান্ধরা মেতে উঠলো লাশ লাশ খেলায় ।হাজারো মুক্তিকামী নিরস্র জনতা সামনে অসহায়ের মত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না ।


ফটিকছড়িতে ঘটে গেল স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা ।পবিত্র মসজিদের মাইক ব্যবহার করে চরম মিথ্যা রটিয়ে দেশবিরোধী ধর্মান্ধরা মেতে উঠলো লাশ লাশ খেলায় ।হাজারো মুক্তিকামী নিরস্র জনতা সামনে অসহায়ের মত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না ।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,আপনি গনভবনে কিংবা অতিথি ভবন যমুনায় পুলিশ পাহারায় আরামছে রাত কাটাচ্ছেন,কিন্ত ­ু একবারও ভেবে দেখেছেন কি ঐখানে নিহত,আহত বা নিখোজদের মায়েরা কিভাবে রাত্রি যাপন করছে?যে পিতা সন্তানের ঘরে না ফিরা পর্যন্ত আহার কিংবা নিদ্রা কোনটাই করতে পারে না সে পিতা কিভাবে রাত পার করছে?যে সন্তান বাবাকে একমুহুর্ত না দেখলে পাগল হয়ে যায় সে সন্তান কি করছে?এত আহাজারি,গগন বিদারি চিৎকার কি আপনার কানে পৌছেছে?না পৌছেনি, আর পৌছবেও না!আপনার চ্যালা চামুন্ডারা আপনাকে জানিয়ে দিবে ওসব কিছু না,দু একটা শহীদ হয়েছে!তাই শুনে হয়তো কিছু দুঃখ প্রকাশ করবেন নয়তো সাংবাদিকের মাইকে নিন্দা জানাবেন!এই তো?তাতেই আমরা ভিষন খুশি!কেননা আমরা বাঙালা দেশে বাস করি,আপনাদের নিন্দা কিংবা শোক প্রকাশ আমাদের জন্য অনেক অনেক কিছু ।

মাননীয়া,আপনি আজ ভোটের লোভে যাদেরকে মাথার উপর তুলেছেন এরাই আগামীতে কোন একদিন আপনার বুকে গ্রেনেড ছুড়বে নয়তো বেনজিরের মত আপনার বুকে গুলি করবে,এটাই সত্য,যেমনটা ৭৫ এ করা হয়েছিল,২১শে আগস্ট করা হয়েছিল ।

মাননীয়া,অনেক বেশি উদাহরনের প্রয়োজন নেই,আজ আপনার দল ক্ষমতায় থাকার পরও যদি এমন অবস্থা হয় তবে আগামীতে ক্ষমতাহীন হয়ে গেলে কি অবস্থা হবে তা সহজেই অনুমেয় ।আজ আপনি আছেন কাল যখন থাকবেন না তখন আপনার পরিবার,দল,দলের সমর্থক ও দেশের কি অবস্থা হবে একবার ভাবুন ।ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন ।আমাদেরকে বাচান এবং আপনিও বাচুন ।এখন ও সময় আছে,রাজনৈতিক অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন ।যত দ্রুত সম্ভব এসব ধর্মান্ধদের কঠোর হাতে দমন করুন ।বিদেশীদের কথা শুনবেন না,ওরা বঙ্গবন্ধুকে ও ভুল বার্তা দিয়েছিল এবং আজ আপনাকেও দিচ্ছে ।ওদের মানবতার দোহাইকে অগ্রাহ্য করুন,আমাদের মুক্তি দিন ।আমাদের নিরাপত্তা দিন ।আমরা আপনাকেই বলছি,আপনি চাইলে অবশ্যই পারবেন ।

৫ thoughts on “প্রধানমন্ত্রী,আপনাকেই বলছি!আপনিই পারবেন ।

  1. আর একটু জোরে বলুন। আপনি কি
    আর একটু জোরে বলুন। আপনি কি জানেন না, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় উনার কানে সমস্যা হয়েছে? এতদিন জানতাম কানে সমস্যা আছে, এখন দেখছি বোধ হয় চোখেও সমস্যা হয়েছে, তা না হলে তিনি আরও কি দেখতে চান ? আর কি হলে তিনি জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করবেন? হয়ত বলবেন সুপ্রীম কোর্টের রীটের কথা। কিন্তু সেটা হলো জামাতের দলীয় রেজিস্ট্রেশন বাতিলের রীট। রেজিস্ট্রেশন বাতিল আর রাজনীতি নিষিদ্ধ এক জিনিস নয় এটাও কি আমাদেরই বুঝে দিতে হবে। সুতরাং পরিশেষে বলতে চাই এখনই সঠিক সময় জামাত-শিবিরকে বাংলার মাটিতে কবর দেয়ার..

    জয় বাংলা….

  2. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার চারপাশে স্বাধীনতাবিরোধী পক্ষের দালালে’রা সবসময় ঘুরঘুর করে ।তারা আপনাকে যে পরামর্শ দেয়, সেই পরামর্শের এক করুণ পরিণতিতে হয়তো একদিন আপনার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে ডেকে আনবে মারাত্মক সর্বনাশ । তাই এখন আপনার জেগে উঠা বড় প্রয়োজন । জেগে উঠুন, চিরুনি অভিযান চালিয়ে যাচাই-বাচাই করে আপনার চারপাশ থেকে দালাল আর ছদ্মবেশী শত্রুদের বের করুণ । এদের ছুঁড়ে ফেলে দিন ডাস্টবিনে ।

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক, রাজাকার-জঙ্গি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আপনার জেগে উঠা খুব প্রয়োজন

  3. অনেক দিন থেকে মনের মধ্যে একটা
    অনেক দিন থেকে মনের মধ্যে একটা বিষয় বার বার ঘুরপাক খাচ্ছিল, বিষয়টা হলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই সময় আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থকরা কেন প্রকাশ্যে কোন প্রতিবাদ বা আন্দোলন করেনি?লীগের নেতা যারা ছিলেন তারা কেন বঙ্গবন্ধুর লাশের উপর দিয়ে মন্ত্রীসভায় শপৎ নিতে গেলেন?
    অনেক চিন্তা করে নিজ মনে সহজে যে ধারনাটি এতদিন পোষন করতাম তা আজ কিছুটা সত্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে ।আওয়ামীলীগ নামক মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারি দলের সাম্প্রতিক কর্মকান্ড এই ধারনাকে আরো প্রানবন্ত করেছে ।আমার ধারনা সেই সময়ে লীগের অবস্থা আজকের মত চরম খারাপ ছিল ।কর্মী সমর্থকদের প্রতি নেতা নেত্রীদের উদাসীনতা কিংবা সম্পর্কের দুরত্ব এতটাই ছিল যে,কেউ মরলে বা আহত হলে সে কোন দলের সমর্থক ছিল তা খুজে বের করা ও হয়তো অসম্ভব ছিল ।এই সমন্বয়হীনতা দল থেকে শুভাকাঙ্খীদের দুরে ঠেলে দিয়েছিল,যার খেসারত হিসেবে চেইন অব কমান্ড ভেঙে গিয়েছিল ।সবচাইতে মারাত্মক যে বিষয়টি ছিল তা হলো বঙ্গবন্ধুর ধারে কাছে যারা ছিল তারা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি উনার কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেনি।তারা ষড়যন্ত্র করে দলের প্রকৃত শুভাকাঙ্খীদের বঙ্গবন্ধুর বিপরীতে নিয়ে গিয়েছিল । ভুল বুঝাবুঝির জন্য প্রকৃত আস্থাভাজন নেতারা উনার পাশে ঘেষতে পারেন নি ।ঐসব ষড়যন্ত্রকারিদের কারনে প্রকৃত শুভাকাঙ্খী বা কর্মী সমর্থকরা উনাকে হত্যার পর আরো দুর্বল ও ভীতহয়ে পড়ে যার দরুন তারা প্রতিবাদের ভাষা ও হারিয়ে ফেলে ।জান বাচানো তখন জরুরি হয়ে পড়ে ।আর কর্মী সমর্থক না থাকলে নেতার অবস্থা কি হতে পারে তা তো সহজেই অনুমেয় ।ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন সেসময় কাদের সিদ্দিকি কিন্তু কিছুটা প্রতিবাদ করেছিল,হতে পারে পেছনে তার বিরাট স্বার্থ কাজ করেছিল ।তবে কাদের সেটা করতে পেরেছিল কারন তার ছিল একটা নিজস্ব বাহিনী এবং কিছু সমর্থকও।গাফফার চৌঃ একবার একটা কলামে বলেছিলেন সে সময়ে পা চাটা নেতাদের কারনে দল প্রেমিক অনেক নেতা একসময় বঙ্গবন্ধুর কাছে ভিড়তে পারেন নি যার ফলে উনি সঠিক পরামর্শ পান নি ।

    যাই হোক, রাজনৈতিক মারপ্যাচে কিংবা সেই সময়েরপ্রেক্ষাপটে আমার ধারনাটি হয়তোবা ভুল ও হতে পারে ।
    যে জন্য পেছনের অনেক বিষয় টানলাম …. ফটিকছড়িতে ইদানিং যে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে গেল তার জন্য আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারনী মহল থেকে কোন মন্তব্য এই পর্যন্ত লক্ষ্যকরলাম না ।তারা কোন শোক বা নিন্দা কোনটাই জানায়নি!নিহত বা আহতের সঠিক সংখ্যা ও দলের কোন প্রেসে জানানো হয়নি ।বরাবরের মত পুলিশ বলেছে এটা জামাতে হেফাজতের কাজ ।রাজনৈতিক নেতাদের বিবৃতি দেয়ানো হচ্ছ পুলিশের মাধ্যমে!আজ এতদিন পর ও যদি একটা রাষ্ট্র পরিচালনকারি রাজনৈতিক দলের এমন অবস্থা হয়ে থাকে তবে আমরা কার উপর আস্থা রাখতে পারি?কাকে বিশ্বাস করতে পারি?জীবন বলে একটা জিনিষ যখন আছে তখন ভয় বলে একটা বিষয় থাকাটাই তো স্বাভাবিক!তাই নয় কি?

  4. অনেক দিন থেকে মনের মধ্যে একটা
    অনেক দিন থেকে মনের মধ্যে একটা বিষয় বার বার ঘুরপাক খাচ্ছিল, বিষয়টা হলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই সময় আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থকরা কেন প্রকাশ্যে কোন প্রতিবাদ বা আন্দোলন করেনি?লীগের নেতা যারা ছিলেন তারা কেন বঙ্গবন্ধুর লাশের উপর দিয়ে মন্ত্রীসভায় শপৎ নিতে গেলেন?
    অনেক চিন্তা করে নিজ মনে সহজে যে ধারনাটি এতদিন পোষন করতাম তা আজ কিছুটা সত্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে ।আওয়ামীলীগ নামক মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারি দলের সাম্প্রতিক কর্মকান্ড এই ধারনাকে আরো প্রানবন্ত করেছে ।আমার ধারনা সেই সময়ে লীগের অবস্থা আজকের মত চরম খারাপ ছিল ।কর্মী সমর্থকদের প্রতি নেতা নেত্রীদের উদাসীনতা কিংবা সম্পর্কের দুরত্ব এতটাই ছিল যে,কেউ মরলে বা আহত হলে সে কোন দলের সমর্থক ছিল তা খুজে বের করা ও হয়তো অসম্ভব ছিল ।এই সমন্বয়হীনতা দল থেকে শুভাকাঙ্খীদের দুরে ঠেলে দিয়েছিল,যার খেসারত হিসেবে চেইন অব কমান্ড ভেঙে গিয়েছিল ।সবচাইতে মারাত্মক যে বিষয়টি ছিল তা হলো বঙ্গবন্ধুর ধারে কাছে যারা ছিল তারা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি উনার কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেনি।তারা ষড়যন্ত্র করে দলের প্রকৃত শুভাকাঙ্খীদের বঙ্গবন্ধুর বিপরীতে নিয়ে গিয়েছিল । ভুল বুঝাবুঝির জন্য প্রকৃত আস্থাভাজন নেতারা উনার পাশে ঘেষতে পারেন নি ।ঐসব ষড়যন্ত্রকারিদের কারনে প্রকৃত শুভাকাঙ্খী বা কর্মী সমর্থকরা উনাকে হত্যার পর আরো দুর্বল ও ভীতহয়ে পড়ে যার দরুন তারা প্রতিবাদের ভাষা ও হারিয়ে ফেলে ।জান বাচানো তখন জরুরি হয়ে পড়ে ।আর কর্মী সমর্থক না থাকলে নেতার অবস্থা কি হতে পারে তা তো সহজেই অনুমেয় ।ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন সেসময় কাদের সিদ্দিকি কিন্তু কিছুটা প্রতিবাদ করেছিল,হতে পারে পেছনে তার বিরাট স্বার্থ কাজ করেছিল ।তবে কাদের সেটা করতে পেরেছিল কারন তার ছিল একটা নিজস্ব বাহিনী এবং কিছু সমর্থকও।গাফফার চৌঃ একবার একটা কলামে বলেছিলেন সে সময়ে পা চাটা নেতাদের কারনে দল প্রেমিক অনেক নেতা একসময় বঙ্গবন্ধুর কাছে ভিড়তে পারেন নি যার ফলে উনি সঠিক পরামর্শ পান নি ।

    যাই হোক, রাজনৈতিক মারপ্যাচে কিংবা সেই সময়েরপ্রেক্ষাপটে আমার ধারনাটি হয়তোবা ভুল ও হতে পারে ।
    যে জন্য পেছনের অনেক বিষয় টানলাম …. ফটিকছড়িতে ইদানিং যে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে গেল তার জন্য আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারনী মহল থেকে কোন মন্তব্য এই পর্যন্ত লক্ষ্যকরলাম না ।তারা কোন শোক বা নিন্দা কোনটাই জানায়নি!নিহত বা আহতের সঠিক সংখ্যা ও দলের কোন প্রেসে জানানো হয়নি ।বরাবরের মত পুলিশ বলেছে এটা জামাতে হেফাজতের কাজ ।রাজনৈতিক নেতাদের বিবৃতি দেয়ানো হচ্ছ পুলিশের মাধ্যমে!আজ এতদিন পর ও যদি একটা রাষ্ট্র পরিচালনকারি রাজনৈতিক দলের এমন অবস্থা হয়ে থাকে তবে আমরা কার উপর আস্থা রাখতে পারি?কাকে বিশ্বাস করতে পারি?জীবন বলে একটা জিনিষ যখন আছে তখন ভয় বলে একটা বিষয় থাকাটাই তো স্বাভাবিক!তাই নয় কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *