মক্ষীরানি

আমি আজ কারো কাছে কোন অধিকার চাইতে আসিনি,
আজ আর কারো কাছে কোন প্রত্যাশা নেই আমার,
একদিন আমি তুমুল চেয়েছিলাম শুধুই তোমাকে,
তোমার নরম প্রজাপতি মনের উপর চেয়েছিলাম
আমার জবর দখল, তোমাকে চেয়েছিলাম তোমার উঠোন,
বাড়ী, ঘরদুয়োর সবসুদ্ধ, চেয়েছিলাম সবটুকু তোমাকে,
সেদিন তুমি মৌন প্রশ্রয়ে খেলেছিলে আমাকে নিয়ে,
খেলেছিলে আমার প্রথম যৌবনের অবুঝ ভালোলাগা নিয়ে,
তুমি কখনো আমার সঙ্কীর্ণ বাধনে চাওনি বাধা পড়তে,
শুধু চেয়েছিলে হতে আমার কক্ষপথের নিয়ন্ত্রক অনন্ত সূর্য,
হতে চেয়েছিলে শুধু আমার বিনীদ্র তপস্যার মক্ষীরানি,
চেয়েছিলে শুধু তোমাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হোক
আমার সব প্রিয় আরাধনা, আমার সব স্বপ্নসাধনা ।


আমি আজ কারো কাছে কোন অধিকার চাইতে আসিনি,
আজ আর কারো কাছে কোন প্রত্যাশা নেই আমার,
একদিন আমি তুমুল চেয়েছিলাম শুধুই তোমাকে,
তোমার নরম প্রজাপতি মনের উপর চেয়েছিলাম
আমার জবর দখল, তোমাকে চেয়েছিলাম তোমার উঠোন,
বাড়ী, ঘরদুয়োর সবসুদ্ধ, চেয়েছিলাম সবটুকু তোমাকে,
সেদিন তুমি মৌন প্রশ্রয়ে খেলেছিলে আমাকে নিয়ে,
খেলেছিলে আমার প্রথম যৌবনের অবুঝ ভালোলাগা নিয়ে,
তুমি কখনো আমার সঙ্কীর্ণ বাধনে চাওনি বাধা পড়তে,
শুধু চেয়েছিলে হতে আমার কক্ষপথের নিয়ন্ত্রক অনন্ত সূর্য,
হতে চেয়েছিলে শুধু আমার বিনীদ্র তপস্যার মক্ষীরানি,
চেয়েছিলে শুধু তোমাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হোক
আমার সব প্রিয় আরাধনা, আমার সব স্বপ্নসাধনা ।

আমার সকল প্রত্যাশার কেন্দ্রভুমি হতে চেয়েছিলে শুধু,
আমাকে কখনো চাওনি বালিকা, চাওনি কখনো আমার হতে,
দেবী চায় পূজা ভক্তকুলের, নারী চায় আরাধনা পুরুষশ্রেষ্ঠের,
সূর্যের মতো অসীম নয় তোমার উত্তাপ, আলো দেবার ক্ষমতা,
সূর্যের মতো তোমার ছিল না অনন্ত সময় তাই একদিন
শেষ হয়েছিল এই অসম খেলা, আমাকে অনায়াস কক্ষচ্যুত
করে তুমি সহজেই বদলে নিয়েছিলে তোমার গতিপথ,
আমার নিখাদ নিবেদন পায়নি কোন পরিণতির পূর্ণতা,
ভুল মানুষের ভুল হাতছানিতে ভুলপথে বেড়েছে শুন্যতা,
সেই থেকে আমার আর কোন প্রত্যাশা নেই মানুষের কাছে,
সেই থেকে আমার আর কোন দাবী নেই জীবনের সমীপে ।

২ thoughts on “মক্ষীরানি

  1. জানিনা কবিতাটি কা’কে নিয়ে
    জানিনা কবিতাটি কা’কে নিয়ে লেখা। তবে মনে হচ্ছে কবিতাটি মিথ্যা। মানে কাওকে ভুল বুঝে লেখা। কবির জন্য ভালোবাসা জানালাম। কবি ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য সুন্দর মনের মানুষ। কেউ আপনাকে কষ্ট দিতে পারবে না!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *