একজন নিক্ষেপিত অধ্যাপক !

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে ক্লাস পরিক্ষা বন্ধো করে দেওয়ায়, প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিনকে ইবির পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতির পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যে সমস্যাকে কেন্দ্র করে সভাপতিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, তাকে প্রত্যাহারের মধ্যমে কি সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো? তা মনে করি না বরং সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করা হলো বা সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করার সুযোগ নেওয়া হলো!

১.

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে ক্লাস পরিক্ষা বন্ধো করে দেওয়ায়, প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিনকে ইবির পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতির পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যে সমস্যাকে কেন্দ্র করে সভাপতিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, তাকে প্রত্যাহারের মধ্যমে কি সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো? তা মনে করি না বরং সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করা হলো বা সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করার সুযোগ নেওয়া হলো!

১.
দীর্ঘদিন যাবৎ প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিন শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে বিভাগের অনান্য শিক্ষকদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচীসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী পালন করে আসছিলেন, তখন বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলেছিলো “কামাল উদ্দিন শিক্ষক নিয়োগে এত মরিয়া কেন? ডিপার্টমেন্টেতো স্টুডেন্ট রিয়েকশন নাই! ” এখানে বলে রাখা ভালো প্রথম থেকেই ড. কামাল উদ্দিন চাচি্ছলেন না এই সকল সমস্যা সমাধানে ছাত্ররা ,এর সাথে জড়িয়ে পড়ুক, তিনি যে এমনটা চাইতেন না তার প্রমান তিনি আমাদের বলতেন “একটু ধর্য ধর হয়ে যাবে ” তিনি ছাত্রদের সবসময় সান্তনা দিয়ে রাখতেন । তিনি মনে করতেন এসব সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব শিক্ষকসহ সংশিষ্ট দায়িত্বরত ব্যক্তিবর্গ, তাই সমস্যা সমাধানে তিনি নিজের দায়িত্ববোধ থেকে অভিনব কর্মসূচি দিয়েছিলেন! শেষ পর্যন্ত সিন্ডিকেট স্থিগিত হওয়ার পর বিষয়গুলো আরো ঘোলাটে আকার ধারন করে । এই একটি প্রশ্নের আড়ালে লুকিয়ে আছে সব গুপ্ত তথ্য “কামল উদ্দিন শিক্ষক নিয়োগে এত মরিয়া কেন? ডিপার্টমেন্টেতো স্টুডেন্ট রিয়েকশন নাই! ” একই প্রশ্ন রেখে সাংবাদিকরাও রিপোর্ট করেছিলো পত্রিকায়, এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে তারাও রিপোর্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলো যে , “ ড. কামল উদ্দিন শিক্ষক নিয়োগে এত মরিয়া কেন?” যেহেতু ড. কামাল উদ্দিন শিক্ষক নিয়োগ দিতে মরিয়া সেহেতু তিনি দুর্নতি করেছেন । দুর্নতি না করলে কেউ কোনদিন মরিয়া হয়ে উঠতে পারেই না ।
যাইহোক স্টুডেন্ট রিয়েকশন থাকলে ড. কামাল উদ্দিনকে দূর্ণীতির অভিযোগের সম্মূখীন হতে হতো না ! বিষয়টা কি এরকম ? বিষয়ডার বিস্তারিত ট্টিটমেন্ট দরকার! হ্যা ড. কামাল উদ্দিন প্রথম থেকেই শিক্ষক নিয়োগের ব্যপারে ছাত্র-ছাত্রীরা ইনভলভড হোক সেটা তিনি চাননি , সেকারনেই তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের সান্ত্বনা দিয়ে ক্লাস রুমে আকটে রেখেছিলেন , যখন তার বিরুদ্ধে দূর্ণীতির অভিযোগ এবং স্টুডেন্ট রিয়েকশন না থাকার কথা বলা হলো, তখনই কামাল উদ্দিন বিভাগ বন্ধো করে দিলেন , ছাত্র-ছাত্রীরা আরো বিপাকে পড়লেন , স্টুডেন্ট রিয়েকশন হলো ঠিকেই কিন্তু অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন তৃতীয়বারের মত নিক্ষেপিত হলো ! এছাড়াও কামাল উদ্দিন আরো দুইবার নিক্ষেপিত হয়েছিলো, প্রথমবার নিক্ষেপিত হয়েছিলো প্রোভাইস-চেন্সলরের পদ থেকে দ্বীতীয়বার হয়েছিলেন তার তৈরী করা প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম হতে ।

২.
প্রথমবার নিক্ষেপিত হওয়ার পর থেকে ড. কামাল উদ্দিনের নামের সামনে একটা বিশেষন যুক্ত হয় সেটা হলো, দূর্নীতির দায়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক ভাইস চেন্সেলর, তিনি দূর্নীতি করেছেন কি না সেটা প্রমান করা দূরহ ব্যবাহর , দূর্নীতি করেছেন এটাও যেমন প্রমান করা কঠিন , তেমনি দূর্নীতি করেননি এটাও প্রমান করা কঠিন, তবে ড. কামাল উদ্দিনের মূখে একটা কথা বারবার শুনেছি ”জীবনে একটা ভূল করেছি , যার কারনে ক্ষমতা আজ নষ্টদের হাতে না হলে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা অবস্থানে পৈাছায় দিতে পারতাম, নষ্টদের বিশ্বাস করে একটা স্বক্ষরই সবকিছু পাল্টায় দিছে”
প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিন কোথয় কিছু করেছেন কিনা তার চাইতে আমার সামনে কি হচ্ছে বা হয়েছে বা তিনি কি বলেছেন বা করেছেন তাকেই সেটাকেই আমি বেশী প্রাধন্য দেওয়ার চেষ্টা করি, কিছূ কারনে ব্যক্তিগত ভাবে লোকটাকে আমার ভালো লাগে, কিছু কারনে ,
ড. কামাল উদ্দিন ও ড. আলাউদ্দিন স্যারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় জমজমাট ছিলো , পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাস্কৃতিক অনুষ্টানের মাধ্যমে বর্তমান সময়ের তুলনায় অবশ্যই বেগবান সম্পূর্ন ছিলো !
ড. কামাল উদ্দিন ও ড. আলাউদ্দিন স্যারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের প্রস্তবনা ও নতুন বিভাগের প্রস্তাবনা নিয়ে আসা হয়, যেই কাজের অগ্রগতি স্বরুপ বর্তমান মাননীয় ভিসি স্যার ড. আব্দুল হাকিম সরকার নতুন দুটি বিভাগ চালু করেছেন। যদিওবা এই নতুন বিভাগের দাবিতে তৎকালীন ছাত্রলীগ এবং বর্তামান ছাত্রলীগ নেতারা সোচ্চার ছিলেন এখনো আছেন !

৩.
ড. কামাল উদ্দিন ক্ষমতায় থাকাকালনি সময় তার সামনে পিছনে অসংখ্য লোকবল ছিলো, তার শুভাকাঙ্খির কোন অভাব ছিলো না, যেটা আমারা সবাই দেখেছি ! অথচ তিনি যখন ক্ষমতাচ্যুত হলেন তার আশে-পাশে কাকা পক্ষিও দেখা যায়নি এমনকি তার উপর যখন সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিলো তখন টু-শব্দও হয়নি , প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিনের উপর সেই সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কাউকে প্রতিবাদও করতে দেখা যায়নি ! কিন্তু কেন ? আসলে ক্ষমতাহীনের পিছনে লোকজন থাকে না , নাকি তিনি রাখতে পারেন নি !
আমি একবার এক সাংবাদিকের সাথে কথা প্রসঙ্গে প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিনকে নিয়ে কথা তুলেছিলাম , সেই সাংবাদিক বলেছিলো ”আরে ড. কামাল উদ্দিনের কথা বইলো না তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন জানো না কি পরিমান দূর্ব্যাবহার তিনি করতেন “ সাংবাদিকের সাথে কথা বলার পর কখনো মনে হয়নি যে সাংবাদিকদের সাথে প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিনের সুখস্মৃতি আছে, আবার কামাল উদ্দিনের অনেক আপনজনও কামাল উদ্দিনের কাছে ভেরে না , এমনকি কামাল উদ্দিনের হাতে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেকেই এরকমটা করে কিন্তু কেন ? আসলে কামাল উদ্দিন খারাপ লোক নাকি কামাল উদ্দিনের ক্ষমতা নেই তাই ?? আসলে এখানে দুটো ব্যপার একসাথেই কাজ করে, ড. কামাল উদ্দিনের ক্ষমতা নেই আর তিনি দূর্ব্যবহারও করতেন দুয়ে মিলে তার পরিস্থিতি এখন নাজুক !! তার দূর্ব্যবহারের বিষয় একটু পরে আসছি, প্রায় বছর ছয়েক ধরে প্রেফেসর কামাল উদ্দিনকে চিনি ও জানি , তিনি কাজের ক্ষেত্রে অত্যান্ত একরোখা টাইপের মানুষ, কাজের ক্ষেত্রে তার কাছে কোন ছাড় নেই , কাজ উদ্ধার করতে যা করার দরকার তিনি তাই করেতেন !!
প্রেফেরসর ড. কামাল উদ্দিন প্রেভিসি থাকাকালিন সময়ে তিনি ক্লাস রুমে গিয়ে খোজ নিতেন কারা , ক্লাস নিচ্ছেন, কারা নিচ্ছেন না, যে সকল শিক্ষক ক্লাস নিতেন না , প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিন ক্লাস রুমে দাড়িয়ে সেই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকে ইচ্ছামত ঝাড়তেন ,এই ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকই মানতে পারবে না, কারন বিশ্ববিদ্রালয়ের শিক্ষকের একটু আত্নসম্মান বেশিই থাকে , যদিও ঝাড়িটা লিগ্যাল হোক আর ইল্লিগ্যাল হউক! বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচটি ক্লাস নিয়ে কোর্স শেষ করারও নজির আঝে , টিউটরেয়িাল না নিয়ে মার্কিং করা ইত্যাদ্দি বিষয়ে কামাল উদ্দিন শিক্ষকদের খুচিয়েছিলেন ! এই খুচাখুচিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পছন্দ হওয়ার কথা না, কারন তিনিও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রেফেরসর ড. কামাল উদ্দিনও শিক্ষক । এগুলো গেলো বিশ্বদ্যালয় শিক্ষক বনাম তৎকালিন ক্ষমতাসীন প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিনের সম্পর্ক্য।

এবার আসি কর্মচারি কর্মকর্তা বনাম ড. কামাল উদ্দিনের সম্পর্ক্যের কথায়, সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মঘন্টা নিয়ে ব্যপক তোলপাড় হয়, সেই সময় প্রথম আলোতে একটা প্রতিবেদনও আসে , বিশ্ববিদ্যালয় মুলত দুই ঘন্টা সচল থাকে এই রকম একটা শিরোনামে জানা মতে কর্মঘন্টা বাড়ানোর নিমিত্তে প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিন প্রস্তব আনেন, বারোটা ও দুটোর গাড়ি বন্ধো করে দেওয়ার জন্য তিনি উঠে পড়ে লেগেছিলেন এসব নিয়ে কর্মচারী কর্মকর্তাদের নিয়ে ঝামেলায় পড়েন তিনি ।

খোজ নিলে দেখা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শ্রেনীর লোকজনের সাথে প্রোফেসর কামাল উদ্দিনের একটা বিষাদের চিত্র বিদ্যামান। প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিন সম্পর্ক্য টুকটাক বিষয়গুলো জানি পরিসংখ্যান বিভাগে পড়ার সুবাদে ।

৪.
বিভিন্ন মহলে প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিন বিতর্কিত মূক হলেও পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্ররা তাকে যথেষ্ট সমীহ ,শ্রেদ্ধা, সম্মানসহ সবকিছুই প্রদর্শন করে , কারন প্রোফেসর কামাল উদ্দিনের কাছ থেকে তার ছাত্ররা অনেক কিছুই পেয়েছে , সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা প্রোফেসর কামল উদ্দিনের কাছ থেকে তার ছাত্ররা পেয়েছে , সেটা হলো তার আত্নত্যাগ, এইতো বছর দেরেক আগের কথা প্রোফেসর ড. কামাল উদ্দিন তখন সদ্য ক্ষমতাচ্যুত তিনি দেশ ছাড়ার চিন্তা ভাবনা করছিলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনও করেছিলেন, সাড়াও পেয়েছিলেন মিশরের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে , আমাদের সাথে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি চলে যাবেন , সে সময় আমাদের বিভাগে শিক্ষক সংকট ও বিভাগ পরিচালনার অনিশ্চয়তা দেখা যায়, কারন সে সময়েই আমাদের একজন শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছেন , আরেকজন স্যার পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে নিজ বিভাগ গনিত বিভাগে চলে গেছেন , আরেকজন স্যার ছিলেন শিক্ষাছুটিতে , বিভাগে অবশিষ্ট ছিলেন মাত্র তিনজন শিক্ষক ! এই তিনজনের একজন ছিলেন প্রেফেসর কামাল উদ্দিন তিনি যদি আমাদের ছেড়ে চলে যেতেন , তাহলে আজকের দিনে আমাদের কি বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হতো তা শুধূ কল্পনাই করা যায়, সেই সময় স্যারকে আমারা অনুরোধ করেছিলাম স্যার আমাদের ছেড়ে যাবেন না স্যার , আমাদের একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে যান!! সেই স্যার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন , রাখার চেষ্টাও করছিলেন, নুতন দুই দফায় শিক্ষক এনেছিলেন , তিনি আমাদের ছেড়ে যাননি , যাননি স্বর্থপরের মত , বড় অংকের বেতনও তাকে কাতর করে তুলতে পারে নি !! আমাদের মায়ায় তিনি ছিলেন , পরিসংখ্যান বিভাগকে একটা অবস্থানে আনার জন্য তিনি লড়েছেন , তিনি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা শুরু থেকে বিভাগের সব ভালো মন্দো তিনিই দেখভাল করেছেন , পরিসংখ্যান বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকদের পরিশ্রমের কাতরতায় তিনি বুক মিলিয়ে ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে তিনি শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য নতুন করে লড়েছেন !! কিন্তু তিনি হেরে গেছেন!!এতকিছুর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এই অধ্যাপককেই বিভাগীয় সভাপতির পদ থেকে সড়িয়ে দেওয়া হলো, সংবাদে দেখলাম তাকে স্থায়ীভাবে কেন প্রত্যাহার করা হবে না এ বিষয়ে নোটিশ জারি হয়েছে ! বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীন একজন মানুষ ক’দিনই বা থাকবেন , আর কদিনই বা এ অধ্যাপক পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যাপনা করবেন !! তার সাথে এরকম অমানবিক আচরনটা মানতে পারলাম না !

আমাদের হয়তো দেখার আরো অনেক কিছুই বাকি আছে কিন্ত প্রেফেসর ড. কামাল উদ্দিনের কিছুই বাকি থাকলো না, নিরবে তিনি শুধু দিয়েই গেলেন , বিনিময় হলেন একজন নিক্ষেপিত বিতর্কিত অধ্যাপক , এই অধ্যাপকের কথা কেউ বলবে না , বলতে দিতেও চাইবে না , তবুও বললাম কারন লোকটাকে আমার ভালো লাগে, তার স্পষ্টতায়, তার যত্নশীলতায়।

ছাত্রদের প্রতি আপনার মত যত্নশীল আরো কিছু অধ্যাপক জন্ম নিক আপনারই বিভাগে মন খুলে সেই প্রার্থনাই করি!!

২ thoughts on “একজন নিক্ষেপিত অধ্যাপক !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *