ইহাই বাংলাদেশর আইন

আমাদের বাংলাদেশের আইন প্রশাসন কিংবা সমাজের দিকে প্রতক্ষ ও পরক্ষ ভাবে লক্ষ করলে বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট শুধু হাসবে আর হাসবে………………….. একটি উন্নত মানের রাষ্ট তৈরী করতে হলে সবার উপরে আসতে হবে বাংলাদেশের আইন, তারপর জনগনের আইন।
.
মানুষকে আল্লাহ তায়ালা একদিকে কর্মের স্বাধীনতা দিয়েছেন অন্যদিকে পরীক্ষার জন্য তার দেহে দিয়েছেন দুটি সত্তা, ১) Humanity (মানবতাবোধ) ২) Animality (পশুত্ব)। Humanity যখন Animality এর উপরে বিজয়ী হয় তখনই মানুষ নামক আসল ব্যক্তিটি মানুষের চোখে পরিগ্রহ হয়।
.

আমাদের বাংলাদেশের আইন প্রশাসন কিংবা সমাজের দিকে প্রতক্ষ ও পরক্ষ ভাবে লক্ষ করলে বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট শুধু হাসবে আর হাসবে………………….. একটি উন্নত মানের রাষ্ট তৈরী করতে হলে সবার উপরে আসতে হবে বাংলাদেশের আইন, তারপর জনগনের আইন।
.
মানুষকে আল্লাহ তায়ালা একদিকে কর্মের স্বাধীনতা দিয়েছেন অন্যদিকে পরীক্ষার জন্য তার দেহে দিয়েছেন দুটি সত্তা, ১) Humanity (মানবতাবোধ) ২) Animality (পশুত্ব)। Humanity যখন Animality এর উপরে বিজয়ী হয় তখনই মানুষ নামক আসল ব্যক্তিটি মানুষের চোখে পরিগ্রহ হয়।
.
তার কাছে মানবতাবোধ ও কল্যাণ ছাড়া কিছুই আশা করা যায় না। Animality বা পশুত্ব যখনই Humanity বা মানবতাবোধের উপরে বিজয়ী হয় তখন মানুষের দেহ নামক খোলসটি হয়ে পড়ে অন্তঃসারশূণ্য, হারিয়ে ফেলে তার মনুষ্যত্ব।
.
আজকের সমাজে যেনো সে পশুত্বেরই জয়জয়কার। মানবতা যেন ডুকরে কাঁদছে…..!!!
.

মহাগ্রন্থ আল কুরআনে বলা হয়েছে “আর এটি একটি অকাট্য সত্য যে, বহু জিন ও মানুষ এমন আছে যাদেরকে আমি জাহান্নামের জন্যই সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্ধি করে না। তাদের চোখ আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা দেখে না। তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা শোনে না। তারা পশুর মত বরং তাদের চাইতেও অধম। তারা চরম গাফলতির মধ্যে হারিয়ে গেছে।” (সূরা: আরাফ-১৭৯)
.

জাতীয় জীবনে আজ সামাজিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণ ভূলুণ্ঠিত। মনে হ্েচ্ছ যার যত ক্ষতি করার ক্ষমতা তার প্রভা-প্রতিপত্তি তত বেশি। আজ এমন এমন জঘন্য অপরাধ সংঘঠিত হচ্ছে যা পশু থেকে আরো নিম্নপর্যায়ে আমাদের মর্যাদাকে নামিয়ে দিয়েছে। হার মানাচ্ছে আইয়্যামে জাহিলিয়াতকেও। অথচ সমাজে কেউই অপরাধী হিসেবে জন্মগ্রহণ করে না, সমাজই তাদের অপরাধী করে তোলে, সামাজিক ব্যবস্থাই এর জন্য দায়ী। ব্যক্তি ও সমাজের ঠিক লক্ষ্যে পরিচালনার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। কিন্তু সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আজ ব্যর্থ।
.
……………ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে মিঃ Charles Booth, তার OLife and Labour of the People of London শীর্ষক যে গ্রন্থ রচনা করেন তাতে অপরাধ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা স্থান পায়, যাহা মানব সমাজের উপর বেশি গুরুত্ব।
.
শিল্পায়নের ফলে প্রগতির সাথে সাথে যে নতুন ধরনের সামাজিক সমস্যা বিশেষ করে অপরাধ সৃষ্টি হয় সে সম্পর্কে Booth অবগত ছিলেন। তিনি এসব সামাজিক সমস্যা দূরীকরণের জন্য সমস্যার গভীরে প্রবেশ করে অপরাধ সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক পন্থায় তথ্যাবলি সংগ্রহ করেন।
.
তখন আমেরিকবাসীরা মনে করত যে, অপরাধ, পাপাচার, দারিদ্র এবং নীতিবর্জিত কাজ সবই মূলত একইভাবে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে দোষণীয়। কিন্তু তারা অপরাধ নির্মূলের জন্য বিশেষ কোন পন্থা গ্রহণ করতে পারেনি। কারণ এটি মূল্যবোধ বিকাশ ছাড়া কি সম্ভব……..এটা তাদের মনে সব সময় প্রশ্নবোধক ভাবে থেকে যেতো।
.
……………..এখন আমার ছবির ক্যাপশনটা দেখে বলুন আইন আজ কোথায়,আর জনণন কোথায়।
আজ রাষ্ট্রে সাদা পোশাকধারী কিংবা পোশাকধারী বলতে কিছুই নেই, মুল্যবোধের তারতম্যহীন একটা রাষ্ট্রে ভাসছে বাংলাদেশ।
.
আজ বাংলাদেশে বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের উদ্দগ্যে কমিউনিটি পুলিশ তৈরী করে মাঠে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, যাদের মাথায় আইন এর (আ) শব্দটির মিনিং জানা নেই। তারাই আজ পরিচালকের ভূমিকা অবলম্বন করে আসতেছে।
.
আর এর থেকে নিপীড়িত হচ্ছে সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজিবীর মানুষ, কিন্তুু তারা আজ বাকরুদ্ধ, প্রতিবাদ করার মত ভাষাও তাদের নেই।
.
শুধু আছে দু ফোটা চোঁখের জ্বলে শরীর ভিজিয়ে নেওয়ার……………!!!


.
ছবি সংগ্রহঃ সাইদুর রহমান সিদ্দিক।
.
-Shaidur Rahman Siddik

৫ thoughts on “ইহাই বাংলাদেশর আইন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *