সাম্প্রতিক বিষয়ে কিছু কথা

গণজাগন মঞ্চ এত চেষ্টা তদ্বির কইরাও সরকারের সাথে বসতে পারতেছে না। মিরপুরের সমাবেশের পর স্মারকলিপি দিতে গেলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, সরকার বেইলই দিলো না। কিছু ছেলে ভুলানো কথা বইলা ফিরত পাঠাইলো। এই মাসে আবারো দেয়া হইলো স্মারক লিপি। এইবারের অবস্থা আরো খারাপ। আগেরবার তো তাও দেখা করছিলো, এইবার নাকি প্রধানমন্ত্রীর পিএসও দেখা করে নাই মঞ্চের আহ্ববায়ক ও সমন্বয়কদের সাথে। যেইখানে দেখাই করলো না, সেইখানে তারা আমাগো দাবী পূরন করবে এইটা ভাবাটা তো মূর্খতা ছাড়া আর কিছু না।


গণজাগন মঞ্চ এত চেষ্টা তদ্বির কইরাও সরকারের সাথে বসতে পারতেছে না। মিরপুরের সমাবেশের পর স্মারকলিপি দিতে গেলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, সরকার বেইলই দিলো না। কিছু ছেলে ভুলানো কথা বইলা ফিরত পাঠাইলো। এই মাসে আবারো দেয়া হইলো স্মারক লিপি। এইবারের অবস্থা আরো খারাপ। আগেরবার তো তাও দেখা করছিলো, এইবার নাকি প্রধানমন্ত্রীর পিএসও দেখা করে নাই মঞ্চের আহ্ববায়ক ও সমন্বয়কদের সাথে। যেইখানে দেখাই করলো না, সেইখানে তারা আমাগো দাবী পূরন করবে এইটা ভাবাটা তো মূর্খতা ছাড়া আর কিছু না।

অথচ মাত্র একদিনের আল্টিমেটামে সরকার বাপ বাপ কইরা হেফাজতের সাথে বৈঠক করছে। তাও আবার একবার না, দফায় দফায়। যেই হেয়াজতের নামও সরকার কোনদিন শুনে নাই, সেই হেফাজতকেই সরকার বৈঠক কইরা চা-পানি খাওয়াইছে এমনকিও দাবী দাওয়াও মানছে।

এই দুইটা ঘটনার দ্বারা বুঝলাম, সরকার মুখে যতই বলুক না কেন, যতই অহিংস আন্দোলনের জয় গান না কেন, দিনশেষে সে সহিংস আন্দোলনকেই প্রশয় দিলো। তাহলে গনজাগরণ মঞ্চ এই থিকা কি শিক্ষা নিতে পারে? ধৈর্য্য আর অহিংসতার কোন বেইল নাই সরকারের কাছে?

যাকগে, “সমঝোতা প্রসঙ্গে বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের আইনমন্ত্রী প্রয়োজনে এ আইন আরো কঠোর করা হবে- এমন আশ্বাসও দিয়েছেন। তাদের অনেক দাবি পূরণ হয়েছে। অনেকগুলো পূরণ হওয়ার পথে। তবে আন্দোলনের মুখে দাবি পূরণ করা হচ্ছে না। এ দেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। শেখ হাসিনা ইসলামপ্রিয়। ইসলামের সুরক্ষার জন্য এগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রাইমারি শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষক বাধ্যতামূলক। ইসলামের জন্য আওয়ামী লীগই বেশি কাজ করে।”

কিছু প্রশ্ন:

১. ‘অনেকগুলো পূরণ হওয়ার পথে’- বলতে কি মন্ত্রী সাহাব ব্লগারদের আটবের ঘটনা ইংগিত করেছেন?

২. ‘শেখ হাসিনা ইসলামপ্রিয়’ – একটা রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী যদি নির্দিষ্ট একটা ধর্মকে ‘প্রিয়’ বলে নির্বাচন করেন, তাহলে সেই রাষ্ট্রকে কি ধর্মনিরেপক্ষ রাষ্ট্র বলা যায়? আর রাষ্ট্রের অন্য ধর্মগুলোও কেন তারঁ প্রিয় হইলো না? সেই ধর্মগুলার দোষ কি?

৩. ‘ইসলামের জন্য আওয়ামী লীগই বেশি কাজ করে’ – সেইম কুয়েশ্চেম। রাষ্ট্রের অন্য ধর্মগুলার জন্য কেন সরকার সবচেয়ে বেশী কাজ করে না বা কম করে? সেই ধর্মগুলার দোষ কি?

২ thoughts on “সাম্প্রতিক বিষয়ে কিছু কথা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *