কবি সাহিত্যিকগণের সমাজে কতটুকু অবদান ছিল

সমাজে কবি সাহিত্যিকগণের গুরত্ব কতটুকু…….
.
কবি সাহিত্যিকরা যদি কখনও মানুষের মাথার ঘিলুর মাঝে ঢুকে মানুষের ঘিলুকে চিবিয়ে চিবিয়ে না শক্ত করতো, তাহলে সমাজের অনেক মানুষ আর মনুষত্ব নিয়ে চলত না। তখন তারা একটা জ্বড় পদার্থ হিসেবে সমাজে বসবাস করতো।
আমরা সমাজ সংস্কর আর মনুষত্বের দিকে লক্ষ রেখে জোর আওয়াজে বলতে পারি____যদি একটি সমাজকে উন্নতীর দিকে অগ্রসর করে দিয়েছে কে……….?? অধিকাংশ উত্তর চলে আসবে লেখার অনুকরণে আমরা।
.
কেবলমাত্র কবিরাই ফুটিয়ে তুলেছে নানা রকম সমাজ ও ব্যক্তির চিত্র, কোথাও ফুটিয়ে উঠেছে লাইলী-মজনুর প্রেম,কোথাও বা অত্যাচারী রাজার আবার কোথাও ফুটিয়ে তুলেছে নির্মম সমাজকে।

সমাজে কবি সাহিত্যিকগণের গুরত্ব কতটুকু…….
.
কবি সাহিত্যিকরা যদি কখনও মানুষের মাথার ঘিলুর মাঝে ঢুকে মানুষের ঘিলুকে চিবিয়ে চিবিয়ে না শক্ত করতো, তাহলে সমাজের অনেক মানুষ আর মনুষত্ব নিয়ে চলত না। তখন তারা একটা জ্বড় পদার্থ হিসেবে সমাজে বসবাস করতো।
আমরা সমাজ সংস্কর আর মনুষত্বের দিকে লক্ষ রেখে জোর আওয়াজে বলতে পারি____যদি একটি সমাজকে উন্নতীর দিকে অগ্রসর করে দিয়েছে কে……….?? অধিকাংশ উত্তর চলে আসবে লেখার অনুকরণে আমরা।
.
কেবলমাত্র কবিরাই ফুটিয়ে তুলেছে নানা রকম সমাজ ও ব্যক্তির চিত্র, কোথাও ফুটিয়ে উঠেছে লাইলী-মজনুর প্রেম,কোথাও বা অত্যাচারী রাজার আবার কোথাও ফুটিয়ে তুলেছে নির্মম সমাজকে।
.
এসব কবির কোন রকম গুণ বা রুপ নিয়ে লেখে যায়নি,তারা লিখেছে নিজের মাঝে বিভিন্ন রুপে শরীরের মাঝে দিয়ে নিজের শরীর এবং মন কে দিয়ে গবেষণা করে।
এক দিক দিয়ে বলা যায়, সমাজ মনুষত্ব কিছুই না, কারন আমরা সেটা কখনই বোঝার চেষ্টা করি না।
আমরা যদি নিজের দেহ, নিজের মনে সারাদিন বিভিন্ন রুপে সাজিয়ে নেই, তাহলে নিজের মাঝেই সমাজ এবং মনুষ্যত্বের পার্থক্য বুঝতে পারবো।
.
তারাসস্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর “মাছের কাঁটা” গল্পটিতে ফুটে উঠেছে সমাজের একটি পরিবারে ভাই এবং ভাইয়ের বউয়ের ঝগড়া, আর সেটি সমাজের প্রায় প্রত্যেক পরিবারের মাঝেই এই ঘটনাগুলি ঘটে থাকে।
.
রবি ঠাকুরে “হৈমন্তী” গল্পে বিশাল বড় একটা ভবিৎষতের সময়ের নিজেদেরকে হুশিয়ারি করার আভাস পাওয়া যায়, সেটা থেকে আমাদের জানতে হবে আবার করতেও হবে।
.
শুধু রাত জেগে জেগে গল্প এবং সাহিত্য পড়লে হবে না, তার সেগুলিকে জানতে হবে এবং পালন করতেও হবে।
.
সাহিত্য একটি খেলা মাত্র, সাহিত্যের ভিতর লুকিয়ে আছে অদম্য কিছু বাণী, যাহা সমাজ এবং মনুষ্যত্বের সন্ধানে পালন করা গুরুত্ববহ।
.
সাহিত্যের মাঝেই পাওয়া যায় জীবিত আর মৃর্তূ ব্যক্তির সন্ধান। আর সাহিত্যেকে আগলিয়ে রেখেছে লাইব্রেরী, আমরা যদি সব কিছুর সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করি,তাহলে সাহিত্যে, লাইব্রেরী আর মানুষের মাঝেই পেয়ে যাবো।
.
আজ আমরা সমাজ এবং মনুষ্যত্বের চর্চা করতে পারি শুধুমাত্র সাহিত্য এবং নিজেদের দিয়ে।
‪#‎সাইদুর‬

১ thought on “কবি সাহিত্যিকগণের সমাজে কতটুকু অবদান ছিল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *