যখন তখন ইউরোপের সঙ্গে তুলনা

ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, কোন বিষয়ে বাংলাদেশের পশ্চাতপদতা নিয়ে কথা উঠলে আমরা অনেকেই ইউরোপের সঙ্গে সেটার তুলনামূলক বিশ্লেষণে প্রবৃত্ত হই। ঘরে-বাইরে-রেস্তোরায়-আড্ডায় সব সময় আফসোস করি ‘এই জিনিসটা কেনো আমরা ইউরোপীয়ান/আমেরিকানদের মতো করতে পারি না?‘ ইউরোপের রাস্তাঘাটে-অফিস-আদালতে অস্বাভাবিক ভালো কিছু ঘটতে দেখলে বা শুনলে দেশের জন্য আমাদের মনটা উতলা হয়ে উঠে। প্রায়ই তা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করে দীর্ঘ্শ্বাস ফেলি ‘আহা এমন যদি হতো মোদের দেশটা‘! এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক, মানুষ যেকোন কিছু সর্বোতকৃষ্টের মানদণ্ডে বিচার করতে চায়। কিন্ত প্রশ্ন হলো, ইউরোপীয়ান রাজনীতি, অর্থ্নীতি, শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি বিশেষ করে নাটক-সিনেমা-ফ্যাশন-সংগীত, সামাজিক-মানবিক অগ্রগতি এমনকি তাদের আচার-আচরণ ইত্যাদি বিষয়ের কোনগুলোর সঙ্গে আমরা দেশে বিদ্যমান পরিস্হতির তুলনা করতে পারি বা করা সঙ্গত বা যৌক্তিক?
একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে দেশের কিছু মানুষ (বিশেষ করে মধ্যবিত্ত/উচ্চবিত্ত) ইতোমধ্যেই অনেক বিষয়ে ইউরোপীয়ানদের হুবহু অনুসরণ/অনুকরণ করেন । কাউকে হেয় বা মজা করার জন্য আমি এ বিষয়টার অবতারণা করি নি। বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের তরুন সমাজ গত ২/৩ দশকে ইউরোপীয়ান অনেক বিষয়ই রপ্ত করেছে। উদাহরণস্বরুপ বলতে পারি থার্টি ফার্স্ট নাইট , ভ্যালেন্টাইন্স ডে ইত্যাদি এখন দেশে ব্যাপকভাবেই উদযাপিত হয়। এক বন্ধুর কাছ থেকে শুনলাম অতি উতসাহী কেউ কেউ এখন নাকি ‘সেন্ট প্যাট্রিক ডে‘ও পালন করেন! সেন্ট প্যাট্রিক আয়ারল্যান্ডের প্যাট্রন সেইন্ট। তাঁর সাথে বাংলাদেশের মানুষের কি সম্পর্ক্ থাকতে পারে সেটা আমার বোধগম্য নয়। আমেরিকান/ইউরোপীয়ান ফ্যাশন এখন গ্রামাঞলেও ছড়িয়ে পড়েছে। মনে পড়ে অনেক বছর আগে অঞ্ঝন দত্তের গানে শুনেছিলাম ‘রেংলার‘ শার্টের কথা। ‘লিভাইজ‘ জিন্স তো শুধু বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবী জয় করে নিয়েছে। আর কোকাকোলা পেপসি তো পানির স্হান দখল করেছে। অকারণে ইংরেজী বাতচিত বহু আগেই ফ্যাশন হয়ে গেছে। তবে আমি বিশ্বাস করি ভালো মানের ইংরেজী বলা, লেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ্ । আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান অর্জন করতে হলে আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজী ভালোভাবে রপ্ত করার কোন বিকল্প নেই।
দেশে হলিউড/বলিউড সিনেমার জনপ্রিয়তার মাত্রা কতো ব্যাপক তাও আমরা সবাই জানি। এমনকি ইউরোপীয়ান সঙ্গীতেরও আমরা উদার সমঝদার। পাশ্চাত্য ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত খুব একটা পরিচিত না হলেও রিয়ানা বা শাকিরা টাইপের শিল্পীরা বাংলাদেশে কতটা জনপ্রিয় সেটা আমরা জানি। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনেও অহেতুক পশ্চিমাদের নকল করছি। এমনকি ইউরোপীয়দের হাঁটন-বচনও আমরা অনায়াসে হুবহু কপি করি । আর মানুষের নামের কি বিচিত্র বাহার! বিদেশী ভাষায় নামের এমন ছড়াছড়ির দেশ আমি নিশ্চিত ধরাধামে আর একটিও নেই। সারাদেশে মেয়েদের নাম বিউটি , রুমানা আর ছেলেদের নাম পাভেল বা টিটো‘র হিসাব নিলেই পরিষ্কার ধারণা হয়ে যায় আমাদের আত্নপরিচিতি আর আত্নসম্মানবোধের মাত্রা কতোটা ঠুনকো আর অগভীর। আমি বলছি না যে অন্য দেশের লোকরা বিদেশী ভাষায় তাদের বাচ্চাদের নামকরণ করে না। কিন্ত সেটা খুবই বিরল । আমাদের মতো পাইকারী হারে করে না। তাদের উচ্চবিত্তরা শখের বশে কখনোসখনো ভিনদেশী নামকরণ করে। প্রসঙ্গত মনে পড়ছে টম ক্রুজ আর কেটি হোমস তাদের মেয়ের ভারতীয় নাম (সূরী) রেখেছিলো । পশ্চিমা মিডিয়ায় সেটা ছিলো বিশাল খবর। কারণ এটা খুব দুর্লভ। ৬/৭ বছর পর আজো ঘটনাটি মনে আছে। আর দু‘নাম্বার জর্জ্ বুশ তো তার বিড়ালের নাম রেখেছিলো ইন্ডিয়া। বৃটেনে এতো বছর থাকার পর মাত্র একজন মহিলার কথা জানি যার নাম ইন্ডিয়া (ইন্ডিয়া নাইটস), তাও পুরো নয় অর্ধেক।
অন্যদিকে উদার সহিষ্ঞু রাজনৈতিক সংস্কৃতি, অর্থ্নৈতিক শৃংখলা, সামাজিক আচার-আচরণ(এটিকেট/ম্যানারিজম অর্থে) বা ন্যায়-বিচার, সুশাসন, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ইত্যাদি ইতিবাচক বিষয়ে পাশ্চাত্যকে অনুসরণ করার প্রবণতা বলা যায় দেশের মানুষের মাঝে একেবারে অনুপস্হিত। ২/৪জন মানুষ যে সেসব চর্চা করার চেষ্টা করেন না, সেটা বলছি না। কিন্ত সমস্যা হলো কেউ যখন এ ধরণের সিরিয়াস ইতিবাচক বিষয়ে পাশ্চাত্যকে অনুকরণ করার কথা বলে বা চেষ্টা করে তখন অধিকাংশ মানুষ সেটাকে একবাক্যে ‘নাকচ‘ করে দেন, নিরুতসাহিত করেন। এ ব্যাপারে আমরা সবাই মোটামুটি সহমত পোষণ করি যে, এসব বিষয়ে পাশ্চাত্যের মানদন্ডে পৌছার চেষ্টা করা শুধু বৃথা নয় অলীক স্বপ্ন। আবার অনেকের কাছে তা হাস্যরসের বিষয়। তাদের বক্তব্য আমাদের দেশে ওসব কোনোদিনই হবে না। বড়ো সমস্যা হলো আমরা শুধু নিজে হতাশ নই, অন্যদের মধ্যেও হতাশা সংক্রমিত করি। এ যেন ওয়েটিং ফর গডোর বিখ্যাত উক্তি ‘নাথিং টু বি ডান‘। ডাক্তাররা বলেন হতাশা একটা রোগ। পুরো দেশটা যেন এই রোগে আক্রান্ত। কথা হলো আমরা যদি পরিবর্ত্নের আশাই না করি, স্বপ্নই না দেখি তাহলে কিভাবে পরিবর্ত্ন আসবে? এ যেন খেলায় নামার আগেই ভয়ে নার্ভাস সিনড্রমে পরাজয় বরণ!
তাহলে দেথা যাচ্ছে কিছু কিছু পশ্চিমা সংস্কৃতি আমরা খুব সহজে অনায়াসে গ্রহণ করি, চর্চা করি। অন্যদিকে জনকল্যাণমূলক কোন পাশ্চাত্য সংস্কৃতি গ্রহণে চেষ্টাও করি না। যারা চেষ্টা করতে চায় নেতিবাচক মন্তব্য দিয়ে তাদের উতসাহ/উদ্দীপনায় বরফ-জল ঢেলে দিই। কেনো? এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমার জানা নেই। আমরা যদি দেশে ‘লিভাইস‘ জিন্স আর বুকেপিঠে নিউ ইয়র্ক্ বা ডালাস বা লস এনজেলেস লেখা টি-শার্ট্ পরে সিনা চিতিয়ে হাঁটতে পারি তাহলে কেনো পশ্চিমাদের মতো নিয়ম মেনে রাস্তা পারাপার করতে পারি না? কেনো সেজন্য পুলিশকে বলপ্রয়োগ করতে হয়? দুটোই তো পশ্চিমা সংস্কৃতির উপাদান। একটিকে প্রায় ধর্মীয় উপাসনার মতো ভক্তিভরে গ্রহণ করলেও অন্যটির ব্যাপারে আমরা থোড়াই কেয়ার করি! কেনো?
এখানে একটা বিষয় বুঝা যাচ্ছে সেটা হলো অ্রয়োজনীয়, রুচিহীন, স্হূল বিষয়ে অন্য জাতিকে অনুসরণ করা যতোটা সহজ , অন্যজাতির ইতিবাচক সামষ্ঠিক কল্যাণমূলক জনগুরুত্বপূর্ণ্ সিরিয়াস বিষয় অনুসরণ করা ততোটাই কঠিন। এর কারণ কী হতে পারে? এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা, বিচার-বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন। একটা কারণ হতে পারে সিরিয়াস বিষয় কপি করার জন্য সিরিয়াস হতে হয়। লেগে থাকতে হয়। হতাশ হলে চলে না। মোদ্দাকথা ভালো কিছু অর্জ্নে সময় ব্যয় করতে হয়, ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয় , সর্বোপরি ত্যাগের মানসিকতা থাকতে হয়। মানুষের নিরুতসাহ হাসাহাসি উপেক্ষা করে তার চর্চা অব্যাহত রাখতে হয়। সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাষায় ‘‘ঘর লেইপ্যা, মুইছ্যা মা লক্ষীর পূজো দিয়ে বসে থাকলেই বাচ্চা হয় না, সেজন্য ১০ মাস ১০দিন লাগে।‘
যে ইউরোপের সঙ্গে তুলনা করে আমরা হাহুতাশ করি সেই ইউরোপ কিভাবে আজকের অবস্হানে এসেছে তা অনেকের্ জানা আছে। রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর (৫ম শতাব্দীর মধ্যভাগে) কয়েকশ‘ বছর তাদের জন্য ছিলো অন্ধকার যুগ। সেই অন্ধকার থেকে বেরোতে লেগেছিলো আরো কয়েকশ‘ বছর। নিউটন(১৬৪২-১৭২৭) যখন পাশ্চাত্য বিজ্ঞান জগতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই সময় ইংল্যান্ডে ঋণখেলাপী হিসেবে অভিযুক্ত মৃত ব্যক্তিকে কবর থেকে তুলে ফাঁসিতে ঝুলানোরও নজির রয়েছে। অনেকের হয়তো স্মরণ আছে বেশ ক‘বছর আগে শেইকসপিয়ারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘শেইকসপিয়ার ইন লাভ‘ ছবিটি। সে ছবিতে দুটো চরিত্র ছিলো এলিজাবেথান লন্ডনে (১৬শ‘ শতাব্দী) নাট্যশালার মালিকের। একজন অভিনেতা রিচার্ড্ বারবেইজ যিনি ছিলেন কার্টেইন থিয়েটার কোম্পানির মালিক আর অন্যজন ফিলিপ হেন্সলো যার ছিলো রৌজ থিয়েটার। দু‘টোর মধ্যে ছিলো প্রতিযোগিতা। বারবেইজ বেশ সচ্ছল আর হেন্সলো কিছুটা অসচ্ছল। না্ট্যশালা চালানোর জন্য প্রায়ই তাকে ঋণ করতে হতো। একবার সে হিউ ফেনিম্যান নামক লগ্নীকারবারীর/সুদখোরের কাছ থেকে ১২ পাউন্ড ধার করে। কিন্ত তখন প্লেগের জন্য রাজকীয় ফরমানে সব নাট্যশালা দীর্ঘ্দিন বন্ধ থাকে। হেন্সলো ফেনিম্যানের টাকা সময়মতো ফেরত দিতে পারে না। ফেনিম্যানের মাসলম্যানরা হেন্সলো‘কে ধরে নিয়ে আসে। তারা তাকে বেঁধে চিত করে শুইয়ে বুটসমেত তার পা আগুনের উপর ধরে রাখে। আর পাশে দাঁড়িয়ে ফেনিম্যানের বক্রোক্তি ছিলো ‘‘হেন্সলো তুমি কি জানো যে লোক সময় মতো ঋণ পরিশোধ করে না তার ভাগ্যে কি ঘটে? তার বুট আগুনে পুড়ে!‘‘ (his boots catch fire). আর এলিজাবেথের(১ম) বড় বোন কুইন মেরীর সময় ক্যাথলিক কর্তৃক প্রটেসট্যান্টদের বা স্পেনিশ ইনকুইজিটর কর্তৃক ইহুদী/মুসলমানদের পুড়িয়ে মারার কাহিনী তো ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে আছে। (একবিংশ শতাব্দীতে আমরাও ভিন্নমাত্রায় সেটা করছি, আশ্চর্য্ হলেও সত্য প্রাচীনযুগেও আমরা এ রকম বর্বর ছিলাম না)।
সেই বর্বর অবস্হা থেকে কয়েকশ‘ বছরের চেষ্টা, অধ্যবসায়, উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর অদম্য স্পিরিটের বলে আজ পাশ্চাত্য দেশগুলো সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। হ্যাঁ কলোনিয়ালিজম তাদের উন্নতির জন্য সহায়ক ছিলো। কিন্ত অন্য কোন জাতির লোক এসে তাদের দেশ গড়ে দেয় নি। কোন বিদেশী ব্যাংক বা বিশেষজ্ঞ এসে তাদের উন্নয়ন-পরিকল্পনা লিখে দেন নি। তবে হ্যাঁ সব সভ্যতার মতো তারাও অন্য সভ্যতার কাছ থেকে শিখেছে। বিদেশী সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা-সংস্কৃতি যা তারা নিজেদের দেশগড়ার জন্য অপরিহার্য্ মনে করেছে তারা তাই শিখেছে। দু‘শ বছর ভারতবর্ষ্ শাসন করার পরও তারা আমাদের আরামপ্রদ লুঙ্গী বা পাঝ্ঞাবী বা শাড়ি পরা শেখা প্রয়োজন মনে করে নি। এমনকি দুশ‘বছর পর গুটিকয়েক একাডেমিক/বিশেষজ্ঞ ছাড়া কেউ আমাদের ভাষা শেখারও প্রয়োজন বোধ করে নি বা এখনও করে না। তবে তারা ঠিকই শিখেছে আমরা তাজমহলে কি জ্যামিতি ব্যবহার করেছি। তাই তো দেখি তাদের রাজা ৪র্থ্ জর্জ্ ব্রাইটন প্যাভিলিয়ন তৈরি করার সময় তাজমহলের নক্সা (indo-islamic architecture) নকল করার চেষ্টা করেছে। আমাদের শূন্যের ব্যবহার, গণিত, ত্রিকোণমিতি অ্যালজেব্রা বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ্ যে কোন বিষয় তারা ঠিকই শিখেছে। শুধু শিখেই সন্তষ্ট থাকে নি। সেটাকে তারা এগিয়ে নিয়ে গেছে এমন উচ্চতায় যা আজ অন্য কোন জাতি ছুঁতে পারছে না। এমনকি সুন্দর বাগান বা পার্কের গুরুত্বও তারা আরবদের কাছ থেকে শিখেছে।
আমাদেরকেও প্রথমে ঠিক করতে হবে, জাতির রাজনৈতিক-অর্থ্নৈতিক-সাংস্কৃতিক মুক্তির সংগ্রাম এগিয়ে নিতে পাশ্চাত্যের কোন বিষয় অনুসরণ বা অনুকরণে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। আমরা বিদেশীদের কাছ থেকে কোন জিনিসগুলো আগে শিখবো। বিদেশীদের কোনটি আমাদের প্রয়োজন আর কোনটি নয় সেটা আগে নির্ণয় করতে হবে। ফালতু জিনিস নকল করতে আমরা যতেটা পারঙ্গম সেই দক্ষতাকে সামষ্ঠিক জনগুরুত্বপূর্ণ্ বিষয় শেখায় নিয়োজিত করতে হবে সবার আগে। ইউরোপের সঙ্গে তুলনামূলক আলোচনায় হাহুতাশ না করে, নিরাশায় না ডুবে এবং অন্যদের না ডুবিয়ে – সেটাকে শক্তি সঞয়ের উতস হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। তবেই আমাদেরও হবে একদিন।

১ thought on “যখন তখন ইউরোপের সঙ্গে তুলনা

  1. কিন্তুু আমরা কি পারবো…..??
    কিন্তুু আমরা কি পারবো…..?? আমাদের মাঝে কি সেই মনুষ্যত্বের ছোয়া আছে..??? আর আমরা কি কখনও চেষ্টা করে দেখেছি….??

    জানি পারব না, এবং চেষ্টও করি না, তবে গবেষনা করি, আর গবেষনা করে কোনও লাভও নেই, যদি না আমরা হাে কলমে না করি পোস্টি অনেক ভালো লেগেছে,ধন্যবাদ আপনাকে

Leave a Reply to সাইদুর রহমান সিদ্দিক Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *