ব্লগারদের মুক্তি চাই, বাকস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বন্ধ করো

বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকে আমরা একটি ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্টদের শুরু করা আন্দোলনে সারা দেশের মানূষের মাঝে যে ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো, ৪২ বছরের কলঙ্কমোচনের সুযোগ তৈরি হয়েছিলো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণের পথ প্রশস্ত হয়েছিল নানামুখী প্রতিক্রিয়াশীল তৎপরতায় তা এখন শুধু বাধাগ্রস্তই হচ্ছেনা বরং বিভিন্ন মহলের আক্রমণে এই ঐক্য ও চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধর্ম বিষয়ে উস্কানীমূলক ব্লগ লেখার অভিযোগ তুলে রাসেল পারভেজ, মশিউর রহমান বিপ্লব এবং সুব্রত শুভ নামে ৩ জন ব্লগারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে তাদেরকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। ডিবি পুলিশ গতরাতে তাদেরকে তুলে নিয়ে যায় এবং এই তিন ব্লগারের নিখোঁজ সংবাদ ছড়িয়ে যাওয়ার পরে তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে আজ সকালে। ডিবি পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে তাদেরকে হাজির করেছে দাগী আসামীর মতো। ডিবি পুলিশ থেকে দাবি করা হচ্ছে তাদেরকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে। কিন্তু তারা কেউই পলাতক ছিলেন না যে তাদেরকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করতে হবে।

রাসেল পারভেজ প্রায় প্রতিদিনই শাহবাগে আসতেন আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচীতে যুক্ত হতে। অন্য দুই ব্লগারও প্রথম থেকেই অনলাইনে এবং শাহবাগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু ডিবি পুলিশ দাবি করছে যে শাহবাগ আন্দোলনের সাথে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া যায় নাই।
সুব্রত শুভকে সকাল বেলা গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করলেও আমরা জানি গতকাল রাত ১১টার সময় তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের সামনে থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, শুভ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পাঠরত জগন্নাথ হলের একজন আবাসিক ছাত্র। হেফাজতে ইসলামের দাবির সাথে এই গ্রেফতারের কোন সম্পর্ক আছে কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ‘ব্লগার রাজিব হত্যা এবং আসিফ মহিউদ্দীনের উপর হামলার ঘটনার পরে ডিবি পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ নাস্তিক ব্লগারদের উপর নজর রাখতে শুরু করে যার ধারাবাহিকতায় এই গ্রেফতার’।

আমরা বলতে চাই যে এধরনের বক্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়, যেখানে সারাদেশে ব্লগাররা মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির হামলার শিকার হচ্ছে সেখানে ব্লগারদেরকেই গ্রেফতার করার এ ধরনের বক্তব্য হতাশাজনক।

আমরা দেখেছি শাহবাগ আন্দোলনের চেতনাকে নস্যাত করতে মৌলবাদী প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তি এই আন্দোলনকে ইসলামবিরোধী আন্দোলন হিসাবে অপপ্রচার চালিয়েছে। ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চালিয়ে যাচ্ছে একই গোষ্ঠী। ব্লগার হত্যা করে সেই হত্যার বৈধতা তারা দিয়েছে একটি বিশেষ পত্রিকাকে ব্যবহার করে, যেই পত্রিকাটির বিরুদ্ধে আলোচ্য ইস্যুতে হলুদ সাংবাদিকতা ও মিথ্যাচারের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
আমরা দেখেছি সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ভুমিকা না নিলেও নিরীহ ব্লগারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। একদিকে মৌলবাদীরা ব্লগারদের টুকরো টুকরো করে হত্যা করার ঘোষণা দিচ্ছে, আরেকদিকে সরকার ব্লগারদের হয়রানী করতে, গ্রেফতার, সেন্সরশিপ ইত্যাদি ভুমিকা গ্রহণ করছে।
সরকারের এই ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাংলাদেশের সংবিধানস্বীকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হিসাবে পরিচিত আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের এই ভুমিকা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না।

আমরা বলতে চাই যে, অনলাইনে কেউ কুরুচিপূর্ন বক্তব্য দিলে, রেসিজম, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি ছড়ালে তার বিরুদ্ধে আমরা সর্বদাই সোচ্চার। ইতিপূর্বে ব্লগ কমিউনিটি এবং ব্লগ কর্তৃপক্ষ সুদক্ষতার সাথে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রন করেছে। এক্ষেত্রে আরো বেশি দক্ষতা ও সফলতার জন্যে সরকারী সহযোগিতা কাম্য, কিন্তু হস্তক্ষেপ নয়। উপরন্তু খুব সম্প্রতি ব্লগারদের তালিকা তৈরি করে তা প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে ঐ ব্লগারদের নিরাপত্তহীন জীবনে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এমনকি অনলাইনে লেখালেখির মধ্য দিয়ে যদি কেউ বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে কোন অপরাধ সংগঠিত করে তবে দেশে প্রচলিত ফৌজদারী আইনেই তার বিচার হতে পারে। তবে সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে কাউকে বাসা থেকে অথবা হল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আমরা অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্লগারদের মুক্তি দাবি করছি। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। কিন্তু রাতের আঁধারে ডাকাতের মতো তাদেরকে তুলে নিয়ে, ল্যাপটপ কম্পিউটার জব্দ করে তা উদ্ধারকৃত অপরাধের সরঞ্জাম হিসাবে দেখিয়ে, ব্লগারদেরকে দাগী আসামীর মতো উপস্থাপন করে গণমানুষের কাছে ভুল বার্তা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়া কোনভাবেই কাম্য নয়।

ব্লগে অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য, হেটক্রাইম, সাইবার ক্রাইম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সরকারকে ব্লগারদেরই সহযোগিতা নিতে হবে। ব্লগ বন্ধ করে, অথবা ব্লগারদের গ্রেফতার করে কোন ভালো ফলাফল আশা করা সম্ভব না। বাংলা ব্লগ একটি বৃহত ও ডাইভার্স সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে যার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যই বর্তমান সময়ের তরুণ সমাজের অংশ।

এই তরুণ সমাজ ব্লগে গণতন্ত্র এবং সহনশীলতার চর্চা করে। এই সচেতন তরুণ সমাজকে শত্রু বানিয়ে নয় বরং তাদের সহায়তা নিয়েই সরকারকে এগোতে হবে। আমরা দেখেছি এই তরুণ ব্লগাররাই সুদীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ জামাত শিবির সহ বিভিন্ন দেশবিরোধী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

বাংলাদেশের ব্লগাররা বরাবরি সমাজ সচেতন এবং জনগণের অধিকারের পক্ষে সবসময়ই সোচ্চার। ইতিপূর্বে ব্লগাররা জ্বালানি সম্পদ, শ্রমিকদের অধিকার, ইভটিজিং, শিক্ষার্থীদের অধিকার ইত্যাদি ইস্যুতে দেশের আপামর জনসাধারণের সাথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলেছে, প্রগতিশীল বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছে।
সর্বশেষ শাহবাগ আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠার দাবিতে সারা দেশের মানুষকে তারা জাগিয়ে তুলেছে। কিন্তু এর পর থেকেই আমরা দেখেছি কিছু পত্রপত্রিকায় ব্লগারদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করা হয়েছে, নাস্তিকতাকে ইস্যু বানিয়ে সাধারণ মানুষকে ব্লগারদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিক্রিয়াশীল অপপ্রচারকারীদের সমর্থন দিয়েই যেন ব্লগারদেরকে এখন গ্রেফতার করছে সরকার।

এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে তা মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের অস্তিত্বের জন্যে বিপজ্জনক হবে। আমরা অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্লগারদের মুক্তি চাই, সেইসাথে দাবি জানাই আমারব্লগ-এর উপর সরকারি ব্যান তুলে নেয়া হোক। আর কোনো ব্লগারকে যেন অযাচিতভাবে গ্রেফতার করা না হয় সেই দাবিও আমরা করছি। ব্লগারদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাহত হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত অন্ধকার।
ব্লগারদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা ব্লগাররা ঐক্যবদ্ধভাবেই লড়াই করবো।

–সাধারণ ব্লগারবৃন্দ
০২ এপ্রিল, ২০১৩, মধুর ক্যান্টিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১২ thoughts on “ব্লগারদের মুক্তি চাই, বাকস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বন্ধ করো

  1. “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
    “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্লগারদের আটক করা হয়েছে”, কি ধরণের গোপন সংবাদ হইতে পারে তাই ভাবছি… এর চাইতে হাস্যকর আর কি হতে পারে…!

  2. ব্লগারদের মত প্রকাশের

    ব্লগারদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা ব্লগাররা ঐক্যবদ্ধভাবেই লড়াই করবো।

  3. ইদানিং আর মন্তব্য করতে ইচ্ছা
    ইদানিং আর মন্তব্য করতে ইচ্ছা হয় না।একেকটা পোস্ট পড়ি আর ভাবি এদেশটা কি আমার?

  4. ঘটনা এখানেই থেমে থাকবে না,
    ঘটনা এখানেই থেমে থাকবে না, এটা কনফার্ম। যেসব ব্লগার বাংলাদেশে আছেন, তাদের নিরাপদ আর সুস্হ সময় কামনা করছি। একটা লিস্ট হয়েছে ৮৪ জনকে অভিযুক্ত করে। আপনার আর আমার নাম সেখানে নেই ভেবে যদি ভারমুক্ত হতে চান, তাইলে আপনি বাল্মিকীর যুগে আছেন। হেফাজত ওরফে জামাত সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে নতুন লিস্ট করাবে, সেই লিস্টের অভিযোগের ব্যপ্তি বাড়বে আর তাতে স্বাভাবিক ভাবেই আরো নতুন নতুন নাম সংযুক্ত হতে থাকবে। কাজেই আমরা যদি এখনই যথেষ্ট প্রতিরোধ গড়ে না তুলে গা ঢাকা নেই, তাহলে কোন এক রাত ১১ টায় আপনি এবং আমিও ঘর থেকে হারিয়ে যাব।

    1. আমরা যদি এখনই যথেষ্ট প্রতিরোধ

      আমরা যদি এখনই যথেষ্ট প্রতিরোধ গড়ে না তুলে গা ঢাকা নেই, তাহলে কোন এক রাত ১১ টায় আপনি এবং আমিও ঘর থেকে হারিয়ে যাব

  5. বাংলাদেশের পুলিশ যদি এতই ব্লগ
    বাংলাদেশের পুলিশ যদি এতই ব্লগ বা ইন্টারনেট ভিত্তিক লেখা-লেখি দেখে বা জানে তাহলে, সাইদীকে চাঁদে দেখার খবর আগে জানতে পারল না কেন? সাইদীকে চাঁদে দেখার গুজব গত ০২ মার্চ দিনগত রাতের ১দিন আগেই সাতক্ষিরায় প্রচার করা হয়েছিল। যা এই ইন্টার নেটের মাধ্যমেই প্রচার করে জামাত শিবির চক্র। পবিত্র কাবা শরীফের গিলাব নিয়ে যে পত্রিকা গুজব ছড়ালো, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? সেটা কি ইসলামের অবমাননা নয়? সেটা কি কাবা শরীফের অবমাননা নয়? পুলিশ কম্পিউটার বা মডেম জব্দ করে কি প্রমাণ করতে চায়? ইন্টারনেট ব্যবহারকারির কি নির্দিস্ট কোন কম্পিউটার প্রয়োজন আছে? কম্পিউটার কি কোন আলামত? অবশ্যই না। কারণ একজনের ব্লগ সে বিশ্বের যে কোন জায়গায়, যেকোন কম্পিউটার থেকেই পরিচালনা করতে পারে। তার নির্দিস্ট কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা মডেমের প্রয়োজন নাই। ব্লগাররা শিবিরের মত সন্ত্রাসী নয় যে, তাদের রাতের আঁধারে বাড়ী বা হল থেকে তুলে আনতে হবে! ব্লগাররা নীতিবান, সচ্চরিত্রবান তাদের নামে আদালতের নোটিশ ইস্যু করলেই আদালতে হাজির হবে। তাদের পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের প্রয়োজন হবে না। ব্লগাররা জামাত-শিবিরের নেতাদের মত পালিয়ে বেড়াবে না, কারণ তারা জানে তাদের অপরাধ কতটুকু! তাদের নামে আদালত হতে নোটিশ প্রদান করা হলে, তার স্বপক্ষে তথ্য প্রমাণ দিয়ে তার মক্তব্য পরিস্কার করবে। সরকারের যদি সাইবার ক্রাইম বন্ধ করতে হয় তাহলে ব্লগার তথা অনলাইন একটিভিস্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই বলতে চাই, ব্লগাররা কোন খুনি বা সন্ত্রাসী নয় তাদের পুলিশ স্কিট দিয়ে গ্রেফতার করতে হবে । এভাবে গ্রেফতার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি। নইলে এসব দেশপ্রেমিক, মুক্ত চিন্তার মানুষদের সেবা থেকে জাতি তথা দেশ বঞ্চিত হবে…. গ্রেফতার করুন ঐসব সাইবার অপরাধীদের যারা সাইদীকে চাঁদে দেখার গুজব মোবাইলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিকট পৌছে দিয়েছে এবং যে সব মসজিদ এর মাইক থেকে সাইদীকে চাঁদে দেখার ঘোষণা দিয়ে এতগুলো মানুষকে হত্যা করল তাদের…..

  6. কি আজিব দেশরে মায়ের ইজ্জত
    কি আজিব দেশরে মায়ের ইজ্জত লুন্ঠনকারীর শাস্তি নেই ,তয় ইজ্জতলুন্ঠনকারী র শাস্তি দাবী করা সন্তানের শাস্তি ফরজ ।রঙ্গীলা আর কত রং দ্যাখাইবা ?

  7. এখন আর কেউ মুক্তির কথা বলবে
    এখন আর কেউ মুক্তির কথা বলবে না,
    এখন কেউ আর স্বাধীনতার কথা বলবে না,
    এখন কেউ আর মুক্তিযুদ্ধে চেতনার কথা বলবেনা।

    এখানে এখন সবাই পাকসার জমিন সারবাদ গাইবে।
    এখানে এখন সবাই ধর্মের নামে জবাই করবে।
    রাষ্ট্র এই কাজে বাহবা দিবে।
    মারহাবা, মারহাবা।

  8. পতাকা যারা পুড়ালো তাদের বিচার
    পতাকা যারা পুড়ালো তাদের বিচার নাই – পতাকা যারা রক্ষা করছে তাদের বিচার হচ্ছে।
    এর পরে কি আর বুঝার বাকি আছে সরকার কি চায়?

  9. সরকার বিপদে পড়েছে। বিপদটা
    সরকার বিপদে পড়েছে। বিপদটা ক্ষমতার লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য অশুভ। হেফাজতের সমাবেশ দেখে তাই তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে আওয়ামী লীগ ও তার শরিকরা, ভাবছে কোনদিকে যাবে! শেষ পর্যন্ত আম ও ছালা দুটোই কি টিকবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *