দেশে বিদেশে সর্বত্র প্রযুক্তি বিজ্ঞান অনুশীলনের বিকল্প নাই

মানুষ বিজ্ঞান র্চচা, অধ্যায়ন, অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞানী হয়। জ্ঞান সাধনায় গবেষণা করে ধারণ কৃত বিভিন্ন বিষয়ে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা, সাহিত্যে, সৃষ্টিশীল রচনায় বিতরণ করে চলেছে। পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এ পর্যন্ত এর ধারাবাহিকতা অনন্তকালই চলবে।
বিংশ-একবিংশ শতাব্দী অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগ। অভূতপূর্ণ বৈজ্ঞানিক উন্নতির ফলে মানুষের জীবন যাত্রায় সহজ সরলীকরণ পথ অনায়াসে ব্যবহার করছে। ঘরে বসেই পৃথিবীর সকল প্রকার সংকট, জানা-অজানা সমস্যার সমাধান দিতে পারছে। বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, গতি, আনন্দ, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা অত্যাবশ্যকীয়।

মানুষ বিজ্ঞান র্চচা, অধ্যায়ন, অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞানী হয়। জ্ঞান সাধনায় গবেষণা করে ধারণ কৃত বিভিন্ন বিষয়ে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা, সাহিত্যে, সৃষ্টিশীল রচনায় বিতরণ করে চলেছে। পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এ পর্যন্ত এর ধারাবাহিকতা অনন্তকালই চলবে।
বিংশ-একবিংশ শতাব্দী অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগ। অভূতপূর্ণ বৈজ্ঞানিক উন্নতির ফলে মানুষের জীবন যাত্রায় সহজ সরলীকরণ পথ অনায়াসে ব্যবহার করছে। ঘরে বসেই পৃথিবীর সকল প্রকার সংকট, জানা-অজানা সমস্যার সমাধান দিতে পারছে। বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, গতি, আনন্দ, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা অত্যাবশ্যকীয়।
সেকালের মানব সমাজ বনে জঙ্গলে বাস করতো, পাহাড়-পর্বতে আশ্রয় নিত, পাথরে পাথরে আঘাত করে আগুন জ্বালাতো, হিংস পশুদের পাথরের আঘাতে ঘায়েল করতো। বিজ্ঞানের আবিষ্কার তখন অনুপস্থিত, মানুষের চিন্তাশক্তির পূর্ণতা প্রাপ্তি ঘটেনি। অতপর সভ্যতার ক্রমবিকাশে মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে চিন্তা, ভাবনা, বুদ্ধি-জ্ঞানের বিকাশ সাধিত হয়। জ্ঞান বিজ্ঞানের অভূতপূর্ণ বিকাশে মানুষের প্রয়োজনীয়তার পিপাসা মিটাচ্ছে। বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে বেঁচে থাকা আত্মহত্যার সামিল।
বিজ্ঞান আমাদের বাস্তবধর্মী ধারাবাহিক বিশ্লেষণাত্বক শিক্ষা দেয়। যেকোন একটি বাস্তবতাই কার্যকরণ নিয়মের আবিষ্কার বিজ্ঞানের কাজ। কেন হচ্ছে, কি জন্য হচ্ছে, কেবলমাত্র বিজ্ঞানই বলে দিতে পারে। বিজ্ঞানের বিস্তার, বিকাশ ও রূপদানে যতদ্রুত ব্যাপকতা লাভে সক্ষম সে জাতি বা দেশে সর্বাঙ্গীন দ্রুত উন্নতি নির্ভর করে। এ যুগেও যে দেশ যত উন্নত, সে দেশ তত বিজ্ঞানের জাদুকরী শক্তিতে উন্নত হয়। পৃথিবীর সকল দেশের শিল্প, বাণিজ্য, কল-কারখানা, আকাশে উড়া, চাঁদে যাওয়া, রাস্তাঘাট, অট্টালিকা, বাড়িঘর সবকিছুই বিজ্ঞানের শিক্ষায়-ই গড়ে উঠে।
প্রথমত প্রকৃতির অনন্ত রহস্যের দ্বার উদঘাটন, জ্ঞান আহরণ ও বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে মানুষের দুঃখ-কষ্ট, রোগ দূর করে সাহিত্য, শিল্প, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতির বিকাশ ঘটায় এবং নিত্য নতুন বিষয়বস্তু উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের জীবনে সুখ, সাচ্ছন্দ, আরাম, আয়েশ আনয়ন করে দেয়। বিভিন্ন শিক্ষার আবশ্যকতায় দ্বৈত ভুমিকায় বস্তু-ও মানসিকতা জগৎ, ধন সম্পদ, উন্নতি সাধনে ক্রিয়াশীল সহায়তা করে থাকে। ফলে পৃথিবীর অনেক দেশ আজ সর্বোচ্চ উন্নতির শিখরে আরোহণ করেছে।
আমাদের দেশ অন্যান্য সভ্য জগতের সাথে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যাপকতা প্রয়োজন। সেকেলে চিন্তা, ভাবনা, ধ্যান, ধারনা পরিবর্তন, বিজ্ঞান চর্চার উপর নির্ভরশীল। স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ কারিগরী শিক্ষায় ব্যাপক প্রশিক্ষণ দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা আবশ্যক। বিজ্ঞান চর্চায় সহযোগিতায় আলাদিনের চেরাগের চেয়েও দ্রুত অসম্ভব কাজকে সুসম্পন্ন করতে পারে। একমাত্র বিজ্ঞান অনুশীলনই পারে উন্নত ও সমৃদ্ধির সুপানে নির্দিধায় পৌঁছে দিতে পারে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, দেশ, জাতি ও দেশের সাধারণের উন্নতি এবং প্রগতীর পথে নিয়ে যেতে হলে বিজ্ঞান শিক্ষা, চর্চা, অধ্যায়ন, অনুশীলনের আবশ্যকতা অপরিহার্য।
এ বিয়য়ে দেশের প্রথিতযশা বৈজ্ঞানিক পা-িত্যমন্ডলী গুণীরা বৈজ্ঞানিক পরিভাষা সৃষ্টিশীল রচনা শৈলী নির্মাণ করে সম্ভাবনাময় দেশবাসীকে তাদের অভিষ্ট লক্ষ্য মঞ্জিল-মকসুদে পৌঁছে দেওয়ার পথকে সুগম করবেন প্রত্যাশায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *