নাস্তিকদের ঘৃণা করছেন? তাদের জ্ঞানকেও ঘৃনা করুন তাহলে!

আস্তিক যারা আছেন…নিচের ব্যাক্তিগুলোর নাম ভালো করে দেখেন।


আস্তিক যারা আছেন…নিচের ব্যাক্তিগুলোর নাম ভালো করে দেখেন।

আইজ্যাক আজিমভ, স্টিফেন হকিংস, বার্টনার্ড রাসেল, হুমায়ুন আজাদ,আব্রাহাম লিংকন,জর্জ বার্নার্ড শ, মার্ক টোয়েন, মহাত্মা গান্ধি,গ্যালিলিও, সক্রেটিস,আলবার্ট আইনস্টাইন,ডারউইন অভিজিৎ রায়, Chapman Cohen,কার্ল সেগান,Robert Green,উডি অ্যালেন,সিগমুন্ড ফ্রয়েড,Arthur Schopenhauer,মিখাইল বাকুনিন,Gene Roddenberry,ভলতেয়ার, এডওয়ার্ড এবি, ভিক্টর হুগো, Frater Ravus,জিয়ান রোস্টান্ড, Dan Fouts, ড্যান বার্কার, ডগলাস অ্যাডামস, বেগম রোকেয়া, লর্ড বায়রন, এপিকিউরাস, এমিল জোলা, স্টিভেন ওয়েনবার্গ, এনি নিকল, অ্যাডগার এলান পো, টমাস আলভা এডিসন সহ হাজারো মনীষী, বিজ্ঞানী, দার্শনিক।

এদেরকে আপনারা ঘৃনা করেন ক্যানো? আমি জানি আস্তিকদের ৯০% ই এদের নাম শুনেই গালি দিবেন ‘শালারা নাস্তিক’।
এখন কিছু মোডারেট বলবে নাস্তিক বলেই আমি তাদের ঘৃনা করি না, কারন তারা নাস্তিক হলেও চুপচাপ ছিলেন।অথচ আমি আপনাদের কে এই মনীষীদের ধর্ম বিদ্বেষী বক্তব্য দেখাতে পারবো, আপনি অজ্ঞানতার জন্য যেটা জানেননি।

তা আপনি এখন ও কি তাদের ঘৃনা করবেন না? আমি চাই আপনারা এসব জ্ঞানী লোকদের ঘৃনা করেন। এসব জ্ঞানীদের ভালোবাসার অধিকার আপনাদের নেই। বিশ্বাসকে বিশ্বাসের জায়গায় রাখেন। জ্ঞানচর্চা মানেই ধর্মবিরোধী কথা এটা সবাই জানেন, শুধুই নিজেদের ধর্মটাকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সাথে মিলিয়ে হাস্যকর বানিয়েন না। চাঁদ অর্ধেক হইছে না সাঈদি চাঁদে গেছে এটা কমনসেন্স থেকেই মানুষ বুঝে… কনফিউজড করেন না কাউকে। আপনার ধর্ম নিয়েও কেউ কথা বলবে না। আমরা সত্যটা বলবো, যুক্তি দেখাবো কিন্তু আপনারা বলবেন এসব ধর্মবিরোধী কথা। এর থেকে বরং আপনারা বিশ্বাসের চর্চা করেন, জ্ঞানের ব্যাপারটা আমাদের জন্য ছেরে দিন। বিজ্ঞানকে ধর্মের সাথে মিলিয়ে ভন্ডামি ছারেন।

হুমায়ুন আজাদ একটা কথা বলেছিলো..

“যারা ধর্মের পিছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খোঁজে তারা ধার্মিক ও নয়, বিজ্ঞানী ও নয় ”

কথাটা কতখানি সত্যি তা আপনাদের দেখলে বুঝা যায়।

৫ thoughts on “নাস্তিকদের ঘৃণা করছেন? তাদের জ্ঞানকেও ঘৃনা করুন তাহলে!

  1. তারমানে দাঁড়াচ্ছে ইসলাম ধর্ম
    তারমানে দাঁড়াচ্ছে ইসলাম ধর্ম মানুষকে ঘৃনা করার শিক্ষা দেয়। জোর করে মানুষের উপর ধর্মের বিশ্বাস চাপানো হয়। ধর্মে স্বাধীন মত প্রকাশের কোন স্বাধীনতা নাই। যুক্তি ছাড়া অন্ধভাবে বিশ্বাস করার নামই ইসলাম। আপনার পোস্টের মুল বক্তব্য এটাই। উল্লেখিত ব্যক্তিগন একই কথা বলার কারনে আজ ধর্মের শত্রু। আইএস বা বোকো হারামের মত ধর্মীয় উগ্রগোস্টির কারনে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত যতজন মুসলমান মারা গেছে, সেই তুলনায় কত পার্সেন্ট মুসলমান বা মানুষ মারা গেছে আপনার উল্লেখিত মানুষগুলোর কারণে? বলেনতো দেখি! এই পৃথিবীতে মানবসভ্যতার জন্য কারা ভয়ঙ্কর? কারা বেশি ক্ষতিকর?

    মুক্ত ও স্বাধীন চিন্তার বিরুদ্ধে ধর্মের এই ফ্যাসিস্ট অবস্থানের কারণে মুহাম্মদের ইসলাম ধর্ম আজ হুমকির মুখে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধর্মের নামে এসব হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানির কারণে ইসলাম ধর্মকে স্বাধীনচেতা মানুষেরা বয়কট করেছে, এই হার বর্তমানে আরো বেড়েছে। ধার্মিকদের এবং ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভয়ের জায়গা এটাই। যত পারেন ধর্মের নামে ঘৃণার বিষ ছড়াতে থাকেন। আখেরা লাভটা হচ্ছে মুক্তচিন্তার।

  2. যাদের নাম বললেন তাদের
    যাদের নাম বললেন তাদের অস্বিকার করতে চাইলে তাদের অবদান গুলোকেও বয়কট করতে হবে । ওকে ফাইন সব ছেড়ে ছুড়ে চলে যান প্রস্তর যুগে কে বাধা দিছে ? খালি ইহুদি নাস্তিকদের (!!) আবিষ্কার ইন্টারনেট দিয়া তাদের বিরুদ্ধে ছাগলামি করা থিকা বিরত থাকুন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *