ধিক্কারের নীতি ও কিছু আবদার………

বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না সাগর-রুনির খুনীরা।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না ত্বকির খুনীরা।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না শেয়ার বাজার নিয়ে দূর্নীতি আর কেলেংকারীতে মেতে ওঠা ভন্ডরা।
বাংলাদেশে জামিনে পালিয়ে যায় বিশ্বজিতের খুনীরা।
বাংলাদেশে বিকাশের মতো সন্ত্রাসীরা কোটি কোটি টাকার খেলায় জামিন পায়।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয়না মসজিদ, মন্দির আর শহীদ মিনার ভাঙ্গা অপরাধীরা।
বাংলাদেশে পুলিশকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে বা ইট দিয়ে মাথা থেতলে দিয়ে কেউ গ্রেফতার হয় না।
বাংলাদেশে মহা মধুররা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কে দিয়েও গ্রেফতার হয় না।

বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না সাগর-রুনির খুনীরা।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না ত্বকির খুনীরা।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয় না শেয়ার বাজার নিয়ে দূর্নীতি আর কেলেংকারীতে মেতে ওঠা ভন্ডরা।
বাংলাদেশে জামিনে পালিয়ে যায় বিশ্বজিতের খুনীরা।
বাংলাদেশে বিকাশের মতো সন্ত্রাসীরা কোটি কোটি টাকার খেলায় জামিন পায়।
বাংলাদেশে গ্রেফতার হয়না মসজিদ, মন্দির আর শহীদ মিনার ভাঙ্গা অপরাধীরা।
বাংলাদেশে পুলিশকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে বা ইট দিয়ে মাথা থেতলে দিয়ে কেউ গ্রেফতার হয় না।
বাংলাদেশে মহা মধুররা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কে দিয়েও গ্রেফতার হয় না।
বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘরবাড়ি, ফসল পুড়িয়ে দিয়ে কেউ গ্রেফতার হয়না।
বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে বাচাল বলেও কেউ গ্রেফতার হয়না।
বাংলাদেশে দেশে ঋণ খেলাপীরা গ্রেফতার হয়না।
বাংলাদেশে অশ্লীল ওয়েবসাইট চালকেরা গ্রেফতার হয় না।
বাংলাদেশে ধর্মের নামে অধর্ম পালনকারীরা গ্রেফতার হয় না।

শুধু গ্রেফতার হয় সত্যের যুদ্ধে লড়াই করা কিছু মানুষ। আজ যারা খুব খুশী হচ্ছেন ব্লগারদের গ্রেফতার দেখে, অপেক্ষা করুন। আপনারা কেউ বাদ যাবেন না। কয়েকদিন পর ফেসবুক ব্যাবহারের অপরাধে আপনাদেরকেও ধর্মীয় অনুভূতির গ্যারাকলে ফেলে গ্রেফতার করবে

তার উপরে তেরটি মামার বাড়ির আবদার ও আপনি যা পারেনঃ–>

১. সংবিধানে ‘আল্লাহ’র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরান-সুন্নাহ্‌ বিরোধী সকল আইন বাতিল করতে হবে।

২. আল্লাহ্‌, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করতে হবে।

৩. কথিত শাহবাগী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সা.)-র শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী কুলাঙ্গার ব্লগার ও ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার নামে সকল বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সকল বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

৫. ইসলামবিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৬. সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

৭. মসজিদের নগরী ঢাকাকে মূর্তির নগরীতে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে হবে।

৮. জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং ওয়াজ-নসিহত ও ধর্মীয় কার্যকলাপে বাধাদান বন্ধ করতে হবে।

৯. রেডিও, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দাড়ি-টুপি ও ইসলামী কৃষ্টি-কালচার নিয়ে হাসি-ঠাট্টা এবং নাটক-সিনেমায় খল ও নেতিবাচক চরিত্রে ধর্মীয় লেবাস-পোশাক পরিয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মনে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব সৃষ্টির অপপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।

১০. পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এনজিও এবং খ্রিস্টান মিশনারীদের ধর্মান্তকরণসহ সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

১১. রাসুলপ্রেমিক প্রতিবাদী আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র এবং তৌহিদী জনতার ওপর হামলা, দমন-পীড়ন, নির্বিচার গুলিবর্ষণ এবং গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।

১২. সারা দেশের কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, ওলামা-মাশায়েখ এবং মসজিদের ইমাম-খতিবকে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দানসহ তাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।

১৩. অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত সকল আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে মুক্তিদান, দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণসহ দুষ্কৃতকারীদেরকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

ঘুরে দাঁড়ান, তা না হলে সবাইকে বাস করতে হবে ধর্মের নামে পাকিস্তান নামক এক নরককুন্ডে। ধর্ম নিয়ে রাজনীতে করতে গিয়ে পাকিস্তানের অবস্থাটা একবার চোখ মেলে দেখুন। সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। কথাগুলো সাধারণ ধার্মিকদের কানে কানে খুব করে বলা উচিত। বলার মত বাস্তবতা না থাকলে একটা দেয়ালিকা বের করে স্কুল, মাদ্রাসা বা হাটে বাজারে সেঁটে দিন। পাকিস্তানে ধর্মীয় কারণে প্রতিদিনের খুন জখম ও হত্যার চালচিত্র চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন। বাংলার সাধারণ মানুষ খুনোখুনি পছন্দ করে না। ওদের ধর্মের ভয় দেখিয়ে, ধর্মীয় রাজনীতিতে টেনে আনার যাবতীয় উদ্যোগ-আয়োজনকে বিনাশ করুন।

আর না হয় মেনে নিন……………

নিউজ সোর্সঃ লুক্স ভাই

২ thoughts on “ধিক্কারের নীতি ও কিছু আবদার………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *