ইসলাম ২

প্রচণ্ড দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলছি, ধর্মবেবসা কেবল জামাত-ই করতাছেনারে মমিন ! আরও আছে …কেউ ধানের শিস থোতায় বাইন্ধা দাঁড়ী বানাইছে আর কেউ নৌকা উল্টায় টুপি পড়ছে এই যা ।

খোদার কসম আমার ইসলাম কোনভাবেই বিপন্ন না ; বিপন্ন তরা । এবং এর মূল্য দিতে হবে ।আজ আমি লজিত অথচ নাস্তিকের কথা জিবনে গণায় ধরিনাই কারন –

”আর ইজ্জত শুধু আল্লাহর,তাঁহার রাসুলের এবং মুমিনদের ।”(মুনাফিকুন,আয়াত-৮)
সুরার নাম-ই মুনাফিকের আর মুনাফিক কাফেরদের উদ্দাশ্যে আল্লাহই এই ঘোষণা দিয়া দিছেন,সুতরাং মুমিনদের নাস্তিক থাবড়ায়া এক্সট্রা ইজ্জত আদায়ের কিছু নাই ।

আল্লাহ জাল্লা শানুহু রাসুল ﷺ কে বলছেন-

প্রচণ্ড দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলছি, ধর্মবেবসা কেবল জামাত-ই করতাছেনারে মমিন ! আরও আছে …কেউ ধানের শিস থোতায় বাইন্ধা দাঁড়ী বানাইছে আর কেউ নৌকা উল্টায় টুপি পড়ছে এই যা ।

খোদার কসম আমার ইসলাম কোনভাবেই বিপন্ন না ; বিপন্ন তরা । এবং এর মূল্য দিতে হবে ।আজ আমি লজিত অথচ নাস্তিকের কথা জিবনে গণায় ধরিনাই কারন –

”আর ইজ্জত শুধু আল্লাহর,তাঁহার রাসুলের এবং মুমিনদের ।”(মুনাফিকুন,আয়াত-৮)
সুরার নাম-ই মুনাফিকের আর মুনাফিক কাফেরদের উদ্দাশ্যে আল্লাহই এই ঘোষণা দিয়া দিছেন,সুতরাং মুমিনদের নাস্তিক থাবড়ায়া এক্সট্রা ইজ্জত আদায়ের কিছু নাই ।

আল্লাহ জাল্লা শানুহু রাসুল ﷺ কে বলছেন-
”নিশ্চয় আমি আপনার পূর্বেকার লোকদের মধ্যে এবং এমন কোন রাসুল তাঁহাদের মধ্যে আসেনাই যাঁহার সহিত তাঁহারা বিদ্রুপ করেনাই ।”(হিজর-,আয়াত-১০)

কিন্তু আজ আমি প্রচণ্ড গর্বের সাথে বলতে পারি আমার মুমিন(!)ভায়েরা নবীগণের বিদ্রুপের প্রতিশোধ নবীদের মতই নিচ্ছেন(নাআউজুবিল্লাহ) । আসুন দেখি রাসুল ﷺ কি ধরণের প্রতিশোধ নিছেন-

এক চরিত্রের মানুষ আছে যারা মিথ্যা বলেনা । মানুষকে বিভ্রান্ত করার ক্ষমতা তাদের দেয়া হয়নি ,এই ধরনের মানুষ নিজেতো বিভ্রান্ত হয়িনা,অন্যকেও বিভ্রান্ত করতে পারেনা। অথচ প্রকৃতির আজিব খেয়ালে তারাই বিভ্রান্ত হয় আর অবিশ্বাসের পাত্র হয়।ঠিক এমনি এক অবস্থায় বাল্যকালে আলামিন উপাধি পাওয়া লোকটি হেরা গুহার সেই রাতটির পর মুহুরতেই অবিশ্বাস আর ঠাট্টা বিদ্রুপের পাত্র হয়ে গেল ।মক্কায় দাওয়াত দেয়াকালিন সময়ে বিদ্রুপ করলেও (অই বর্তমানে ব্লগারের কুরুচিপূর্ণ কথা আরকি) আবু তালেবের কল্যানে চড়াও হওয়ার সাহস পায়নাই ।তার মৃত্যুর পর সে সুবিধাও হুটে গেল । হুজুরﷺএর আবার এক অভ্যাস উনি বর্তমান জামানার মত খানকা বানায় গদির উপর বইসা মাহফিল করতেননা । এক ঝরের রাতে আবু জেহেলের বাসায় গেলেন । মরুভূমির ঝর,প্রচন্ড বাতাসে পাথর উড়ে এমন রাত।দরজায় নক দিতেই জেহেল তার স্ত্রিরে লইল আজ রাতে যেই আসুক আমি তাঁকে সাহায্য করব । কিন্তু খুইলা দেখে সেই পুরান কাহিনি ।মুহাম্মাদﷺ আর তাঁর কলেমার দাওয়াত ।তবু জিগাইল কি চাই? রাসুলﷺবললেন বল-আশহাদু আল্লা লা … অমনি ধাক্কা দিয়া ফালায় দিল । তিনি বললেন কমবেশি এমন -”আজকে তুমি আমারে ফালায় দিলা,এমন দিন আসব যেদিন জাহান্নামে তমারে ফালায় দিবে, আমি সেইদিনের বেইজ্জতি থেকা বাচাইতে আসছি ।” কিসের কি,মুখের উপর দরজা বন্ধ ।

তায়েফের ঘটনা বলতে তায়েফবাসী নিষেধ করে,প্রচন্ড লজ্জিত হয় । দেখা যাক, কি পরিমাণ জরিমানা আর হাজতবাসের কারনে তারা লজ্জিত !

সেখানের তিন জন পাতিনেতার সাথে কথা বলতে গেলেন আর তিনজনি বিদ্রূপ আর উপহাসে খেদায় দিল,সম্ভ্রান্ত নেতা হইয়া মেহমানদারীর ধার ধারল না। আমাদের হেফাজতে ইসলামীর মোল্লারা তো এক্কাঠি সরেস! সেই পাতিনেতাগণ তো অন্তত আলোচনায় বসছে আর তাদের গায়ে নাপাক লাগার ভয়ে তারা আলুচুনাও করেনাই। নিরাশ হয়ে রাসুলﷺ যখন ফিরছিলেন উপরন্তু সেই পাতিরা মহল্লার মাস্তান নিয়োগ দিল যারা একাধারছে পাথর পিকেটিং করল । রক্ত ঝরতে ঝরতে একসময় পায়ের জুতার সাথে লেপ্টে গেল । তিনি বিড়বিড় করতে লাগ্লেন – আল্লাহ,আমি তুমি যদি আমার উপর অসন্তুষ্ট না হও আমি কারর পরোয়া করিনা ।জিব্রাইল(আ) উপস্থিত।আপনি যদি বলেন দুই দিকের পাহাড় মিলাইয়া পাব্লিকরে ময়দা পিসা দেই তাহাই সই ।অথবা যে কোন শাস্তি আপনি চান ইহাই সই । আল্লাহ সব সময়ই নবীদের সাথে জটিল সব এক্সপেরিমেন্ট করছেন । আমাদের হেফাজতে ইসলামি হইলে বলিত মিলাইয়া দেউ! সুদ,ঘুস,ধোঁকাবাজি এইসবের বেপারে হেফাজতের কোন কর্মসূচী থাকিবে না,কেবল কুরুচিপূর্ণ গালাগাল শুনিলে চিলে কান লউক আর কাউয়ায় লউক কতল করিয়া দেউ । যাক,রাসুলﷺ তখন বললেন কমবেশি এমন – হে আল্লাহ আপনি এদেরকে মাফ,করেন তাদের বংশধরদের মাফ করেন এবং তাঁদের পরবর্তীদেরকেও । তাদের বংশধরদের মধ্যে হয়ত এমন কেউ পয়দা হবে যে আল্লাহর ইবাদাত করবে । এই ঘটানায় কিনা কে জানে মেরাজের রাতে আল্লাহর সামনে যাওয়ার সময় তিনি জুতা খুলতে যাচ্ছিলেন,আল্লাহ সম্ভবত বললেন হে আমার হাবিব! আপনি জুতা খুলবেননা,আপনার জুতা মোবারকের ধুলায় আমার আরশ ধন্য হোক ।

২য় হিজ্রিতে বদর যুদ্ধের পর সাহাবাদের নিয়ে পরামর্শ শুরু হইল । বন্দিদের নিয়া কি করা যায় ? বেশিরভাগের মত ওমর(রা)ও এই রায়ের পক্ষে ছিলেন যে তারা যেও অন্যায় এতদিন সাহাবাদের সাথে করছে তার বদলা নেওয়া হউক।এতদিনে বেলাল,খাব্বাব,আম্মার,আবু যার ও অন্যান্য সাহাবা(রা)দের নৃশংস অত্যাচারের প্রতিশোধের এই সুযোগ । একমাত্র আবু বকর(রা) বললেন ক্ষমা করে দেয়া হউক । মুহূর্তেই আমার নবীরﷺ চেহারা উজ্জ্বল হয়ে গেল তিনি বললেন,এইমাত্র আল্লাহ জানাইছেন ,তোমার ইচ্ছাই আল্লাহর ইচ্ছা ।হযরত উমর(রা) সহ সবাই এই ফয়সালার উপর মন থেকে জমে গেলেন ।

৮ম হিজরিতে মক্কা বিজয়ের পরতো এলাহি কান্ড । গণহত্যা আর লুটপাট তো দূরে থাক,সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হল । সারা দুনিয়ায় দাবানলের মত ইসলাম ছড়ায় গেল ।

অনেক আগের ঘটনা,কন্যা হযরত যায়নাব (রা) দূর থেকে দৌড়ায় এসে দেখলেন রাসুল ﷺ গাঁয়ের ধুলাবালি ঝাড়ছেন,থুথু লেগে আছে, আছে মুখ মলিন । তিনি সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন তোমরা এমন কর কেন,আমার আব্বার কথা ভাল না লাগলে শুনবা না । রাসুল(স) বললেন বেটি,সবর কর । একদিন এই ইসলাম দুনিয়ার সনস্ত কাঁচাপাকা ঘরে প্রবেশ করবে ।

এই ছিল রাসুল ﷺ এর প্রতিশোধ । এই প্রতিশোধ রাসুল ﷺ এর সুন্নত।এইসাব ঘটনা বহুত আছে , আমরা সবাই জানি । সমস্যা হইল এইসাব দিয়া কুটি কুটি টেকা পামু কেমনে ? কেমনে বসমু গদিতে ?

আইচ্ছা কেউ যদি রাস্তায় মাইর খায় তাইলে বেশি অপমান হইব না নিজের পোলার হাতে মাইর খাইলে বেশি অপমান হইব ?
কাফেরের কুরুচিপূর্ণ কথায় আমার নবীﷺ বেশি অপমানিত হইব না নিজের উম্মাতের সুন্নতের খেলাফ কাজে বেশি অপমান হইব ? মাইন্ড ইট ভাইলোগ ।
:মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

৪ thoughts on “ইসলাম ২

    1. ৭১ এ কি হইসে ? জনগণ কে
      ৭১ এ কি হইসে ? জনগণ কে আস্তিক,কে নাস্তিক,কে মালাউন দেখে নাই,একি সাথে ঘুরছে,খেলছে। কোন প্রতিবেশি কেউরে আইয়া কয়নাই,দাদা চেইন খুলেন নুনুটা দেখি/দাদা বলেন দেখি চাইর কলমা ।তাইলে কারা দেখছে?
      এতদিন যাবত ব্লগে ফেসবুকে খামচা-খামচি কইরা একসাথেই তো ছিলাম আমরা । কেউ তো মামলা করেনাই।কেউ তো কাউরে খুন করেনাই।তাইলে কারা করতাছে ? কারা এই সুযুগ দিতাছে ?

  1. একটাই কথা কওয়া যায়, মাইরালা
    একটাই কথা কওয়া যায়, মাইরালা আমারে মাইরালা…মহানবী দ্যাখেন অখন অগো উপর লাঃনত বর্ষন করতেসেন তার আদর্শ বিকৃতির দুঃখে..

Leave a Reply to রাইন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *