দোকান খুলে বসে আছি, কারোর দেখা নেই

সকাল থেকে দোকান খুলে বসে আছি, কারোর দেখা নেই।
আমার গল্পগুলো বেলা পেরোনোর সাথে সাথে বাসি হয়ে যাচ্ছে।
ফিরিয়ে দেব না বলে শরত্‍চন্দ্রের হাট থেকে কিনে এনেছিলাম গল্পগুলো।
ঐ যে আমার গল্পের রাজকুমারী আছে না?
লম্বা কালো চুল।
আর ঐ যে এক্কা দোক্কা খেলা ছোট্ট পুতুলের মতো মেয়েটা?
ওরা এখন বড় হয়ে গেছে অনেক
স্বয়ম্বর ডাকতে হবে অথচ একটা লোকের দেখা নেই।
সেই সকাল থেকে দোকান খুলে বসে আছি কারো দেখা নেই।
মিথ্যুক রাখাল ছেলেটাকে বাঘ খেয়ে গেলো কেউ কিচ্ছু করলো না
দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলোও না কেউ
এতটুকু তো বলতে পারতো যে,
“মিথ্যে বলেছো খোকা
দিয়েছ অনেক ধোকা
এবার বিপদ তোমার ঘাড়ে
বুঝবে তুমি হাড়ে হাড়ে।”

সকাল থেকে দোকান খুলে বসে আছি, কারোর দেখা নেই।
আমার গল্পগুলো বেলা পেরোনোর সাথে সাথে বাসি হয়ে যাচ্ছে।
ফিরিয়ে দেব না বলে শরত্‍চন্দ্রের হাট থেকে কিনে এনেছিলাম গল্পগুলো।
ঐ যে আমার গল্পের রাজকুমারী আছে না?
লম্বা কালো চুল।
আর ঐ যে এক্কা দোক্কা খেলা ছোট্ট পুতুলের মতো মেয়েটা?
ওরা এখন বড় হয়ে গেছে অনেক
স্বয়ম্বর ডাকতে হবে অথচ একটা লোকের দেখা নেই।
সেই সকাল থেকে দোকান খুলে বসে আছি কারো দেখা নেই।
মিথ্যুক রাখাল ছেলেটাকে বাঘ খেয়ে গেলো কেউ কিচ্ছু করলো না
দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলোও না কেউ
এতটুকু তো বলতে পারতো যে,
“মিথ্যে বলেছো খোকা
দিয়েছ অনেক ধোকা
এবার বিপদ তোমার ঘাড়ে
বুঝবে তুমি হাড়ে হাড়ে।”
সেই সকাল থেকে দোকান খুলে বসে আছি, কারো দেখাই নেই!
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির এর সত্য পঁচে গন্ধ হয়েছে
অর্জুনের তীর বেঁকে গিয়ে ছুঁতে পারেনি মাছটা পর্যন্ত!
এদিকে এজিদ এখনো জ্বলতে জ্বলতে বলছে “এজিদ কাহারো বধ্য নয়!”
শোনার মতো কেউ কি নেই?
আমার গল্প পঁচে বাসি হলো
শোনার মতো কেউ কি নেই?

২ thoughts on “দোকান খুলে বসে আছি, কারোর দেখা নেই

    1. শুনতে চায় না কেউ ভাই। ধর্মকথা
      শুনতে চায় না কেউ ভাই। ধর্মকথা হোক, রূপকথা হোক। সবাই বলতে ভালোবাসে। শোনাতে ভালোবাসে। বাসি হোক, পচা হোক, অর্ধেক হোক কিংবা মিথ্যে হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *