ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার

রক্তের বিনিময়ের দেশ, বাংলাদেশ।
সবার বাগস্বাধীনতা নষ্ট করার জন্যে নয়, সবার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।
মানবতা, মানবপ্রেম আর মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনের জন্য।
আমি লিখবো, দেশের জন্য…
আমি লিখবো, দশের জন্য…
আমার স্বপ্ন বাংলাদেশ নিয়ে…
আমার স্বপ্ন মানুষ কে নিয়ে…
আমি এমন কোনো কাজ করবো না, যা আমার মানুষ আমার দ্বারায় কষ্ট পায়।
আমি এমন কিছু করবো না, যা আমার জাতি আমার দ্বারায় আঘাত পায়।
প্রত্যেকটা মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম বা স্রষ্টা কে ভালোবাসে, সম্মান করে, বিশ্বাস করে। এটা তার একান্তই ব্যক্তিগত বিশ্ব্যাবাসের ব্যাপার।
আমার সেখানে বাঁ হাত দেওয়াটা অবশ্যই শিষ্টাচারিতা…
আমি একটা মানুষ কে অপছন্দ করতে পারি, কিন্ত তার ক্ষতি স্বাধন তো কাম্য নয়।
আমি একটা মানুষের সকল কিছু গ্রহন করা সম্ভব নয়, তাই বলে তার ব্যক্তিগত সম্পদের আঘাত হানা সত্যিই মহত্বের লক্ষন নয়।
বাংলাদেশের প্রায় মানুষ ধর্মের প্রতি আনুগতশীল। ধর্ম কে তারা নিজের জীবন দিয়ে ভালোবাসে, বিশ্বাস করে।
আপনি আপনার ধর্ম কে বিশ্বাস বা ভালোবাসতে না পারেন, কিন্তু অপরের ধর্ম কে নিয়ে নোংরা মন্তব্য করা আদৌ সচেতন বা মানুষের জন্য কল্যাণকর বলে আমার কাছে মনে হয় না।
আজ আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধারা লাখো সমস্যা সামনে নিয়ে রাজপথে শ্লোগানে শ্লোগানে একে অপরের হাত ধরে সামনের দিকে এগুচ্ছি…
আমাদের লক্ষ্য, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন ও স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবির-রাজাকারদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার।
লাভ কি প্রশ্ন করলে কে কিভাবে উত্তর দিবে জানি না।
তবে আমার কথা আমার স্বপ্নের মত পরিস্কার…
মানুষের প্রতি মানুষের সম্মান, জীবের প্রতি প্রেম, অসাম্প্রদায়িক দেশ, আগামী প্রজন্মের জন্য বৈষম্যহীন রাষ্ট্র এবং ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার প্রতিষ্ঠার জন্য।
আমরা সে সময় থেকে আধুনিক যুগে এসেও কি দেখছি,
জামায়াত ইসলাম ধর্ম কে ব্যবহার করে তাদের ফায়দা অর্জন করে। ধর্মের কথা বলে সাধারণ মানুষের বিশ্বানুভূতির প্রতি আঘাত করে মানুষের মাঝে একটা দাঙ্গা সৃষ্টি করা। ধর্মের কথা বলে সহজ-সরল মানুষের কাছে ভালো মানুষের পোশাক পড়া…

কিন্তু আমি তো ভালো মানুষের পোশাক পড়তে চাই না। আমি ভালো মানুষের পোশাকের আড়ালে ভন্ড লোকের ভন্ডামী খুলে দিতে চাই। দেশ ও জাতি কে সচেতন করতে চাই। যা অপরের জন্য অকল্যাণ কর তাই প্রকাশ করতে চাই। সেটা ব্লগে হতে পারে, পত্রিকার এক কলাম হতে পারে, শিক্ষা সেমিনার বা কবিতায়র পংত্তি হতে পারে।
হতে পারে আলোচনার আড্ডাতেও…

জামায়াত-ই-ইসলাম ও তাদের নেতাকর্মীরা ইসলাম কে প্রতিষ্ঠিত করার নামে ইসলামের শান্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ধর্ম কে ব্যবহার করা, বিভেদ সৃষ্টি করা, মউদুদী মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত করার মাধ্যমে সাধার মানুষ কে জিম্মি করে ক্ষতায় যাওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
শুধু জামায়াত-ই-ইসলামই নয়, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দলের অন্তড়ালে মূলত ধর্মীও পূজীতে নিজেদের কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ক্ষমতা, ক্ষমতা এবং ক্ষমতা…
ইসলামীক দলের বাইরে আমার যারা তথাকথিত গণতান্ত্রিক সংগঠনের নেতা হিসেবে নিজেদের ইসলামী মাইন্ডের নেতা হিসেবে জনগণের সামনে উপস্থান করি, তারা নিজেদের প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই তাদের ইসলামী মূল্যবোধটুকু আর গোপন থাকে না। নিজের অজান্তেই তা বেড়িয়ে পড়ে তাদের ভন্ডামী।
এটা শুধু সহজ-সরল মানুষের সাথে ভন্ডামী খেলা…
আমরা যারা তথাকথিত আস্তিক-নাস্তিক বলে বিখ্যাত খ্যাতি অর্জন করেছি,

আমরা মুখোশ পড়া ভদ্রলোক হতে পারি না। ইসলামের পোশাকের আড়ালে শান্তি নষ্ট করতে পারি না। মানুষ কে পুড়িয়ে মারতে পারি না। জবাই করা, রগ কাটা, অগ্নীসংযোগ করা, অপরের সম্পদে নিজে ধনবান হতে পারিনা। সাধারন মানুষ কে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে জিম্মি করতে পারি না। নারীর সম্ব্রম নিয়ে পাকিস্তানীদের ব্যাবহারিক পণ্য বানাতে পারি না।

আমরা ইসলামী পোশাকের আড়ালে ভন্ডামী জানি না।
আমরা ধর্মের কথার আড়ালে ষড়যন্ত্র করি না।
আমরা ধর্ম কে নিয়ে ব্যবসা করি না।
আর যদি তাই হয়,
তাহলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে বলবো,
তথাকথিত আস্তিক-নাস্তিকের আড়ালে ভন্ডামী করছি…
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আড়ালে ষড়যন্ত্র করছি…
মানুষের মাঝে ভিভাজন সৃষ্টি করছি…
মানুষের মূল্যবোধ কে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছি…
বিশ্বাস হয় না। আমরা কোনো ইসলামী দলের ভন্ড পোশাক পড়তে পারি না। বোমা মেরে মানুষের জীবন নিতে পারি না।

না ! না ! না ! না… পারি না।

আপনি আমাকে সম্মান করলে আমি আপনাকে ভালোবাসবো।
আপনি আমার মা-মাটি-দেশ কে ভালোবাসলে আমি আপনার মা-মাটি-দেশ কে মূল্যায়ন করবো।
আপনি আমার ধর্ম কে শ্রদ্ধা করলে আমি আপনার ধর্ম কে সম্মান করবো।

যেখানে মা-মাটি-দেশ
সেখানে থাকবে না রেশা রেশ

১ thought on “ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *