নারী পুরুষ থেকে তোমরা মানুষ হবে কবে ?

ধর্ষনের কারন হিসেবে যারা পোশাককে দ্বায়ী করেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন ৭ বছর বয়সী “ছোট্ট লঙ্কার ” পড়নে কি এমন আপত্তিকর পোশাক ছিল যা দেখে তার বাবার বন্ধুর( যাকে বাবার মতই শ্রদ্ধা করতো বাচ্চা মেয়েটি ) কাম বাসনা জাগতে পারে ? তার শরীরে কি এমন যৌনউত্তেজনাকর জিনিস ছিল যা দেখে একজন পুরুষের মাঝে পশুত্ব জেগে উঠতে পারে ? অথচ এই বাচ্চা মেয়েটিকে ছলে বলে কৌশলে চেষ্টা করা হয়েছে যৌন হয়রানি করার । ৭ বছরের বাচ্চা মেয়েটির মনে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে আতংক যেই সেই আতংক নয় ‘পুরুষাতংক’ ! ঐটুকুন বয়স থেকে তার মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে পুরুষ মানে মানুষ নয় ,অন্য প্রজাতির প্রানী যার কিনা মেয়ে মানুষ দেখলেই লিঙ্গ উথিত হয়ে যায় তা ৭ বছরের বাচ্চা হলেও ! সুশীল সমাজ নিশ্চয় বলবেন নিশ্চয় তোমার পোশাকে সমস্যা ছিল যা দেখে তার তেতুলীয় অনুভুতি জেগে উঠেছিল ! যারা এখনো ধর্ষনের জন্য নারীর পোশাককে দ্বায়ী করেন তাদের মুখে একদলা থুতু ছিটিয়ে দিয়ে আমি বলতে চাই জানোয়রের দল তোরা ধর্ষকের চেয়েও নিকৃষ্ট , তোরাই নারীকে ভোগ্যপণ্য আর পুরুষদের জানোয়ার বানিয়েছিস । সমস্যাটা বাচ্চা মেয়েটির পোশাকে ছিলনা , ছিল মানুষের মত দেখতে পশুটির মনে , তাই বলছি এখনো সময় আছে তোরা নারী/ পুরুষ থেকে মানুষ হয়ে ওঠ , সুস্থ হয়ে ওঠ , সামনে তোদের খুব খারাপ সময় আসছে , জানিস তো দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাড়াতে হয় আর সেই দিন বেশি দূরে নয় যেদিন ধর্ষকের সাথে তোদের (সুশীল সমাজ যারা ধর্ষনের বৈধতা দিতে চায়) ও লিঙ্গ কর্তন করা হবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *