ফেরা

তখনও আমি বেশ ছোট, টলোমলো আমার
ছোট্ট পৃথিবীর মতোই
স্বর্গীয় খেলা ফেলে পরীর ডানায় উড়তাম আর
দিগন্ত দেখতে যেতেম হালট পেরিয়ে,
পানি মাড়িয়ে নদীর ওপারে,
যেখানে আকাশ মাটিতে ঠেকেছে।

তেমনই এক দিনে, হঠাৎ আবিষ্কার করলাম
আমার ঘুড়িতে ঝুলছে রোদবালিকার অস্তিত্ব।
কেন? কীভাবে? জানি নি, জানতে চাই নি
হতচকিত হয়ে শুধু দেখেছি— আমার
এক বিঘে জমি আর আমার দখলে নেই!

সেই যে শুরু, তখন থেকেই…

এরপরে কেটে গেছে হাজারো শতাব্দী— মনঃকুটিরে।
কত জোয়ার-ভাঁটা এসেছে, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসেও
আমি অটুট আছি আমার মতোই।

আমি বড় হচ্ছি, আমার পৃথিবীটাও বড় হচ্ছে— ধূসর;
নিশিছায়ার প্রথম করমর্দনের মতোই।


তখনও আমি বেশ ছোট, টলোমলো আমার
ছোট্ট পৃথিবীর মতোই
স্বর্গীয় খেলা ফেলে পরীর ডানায় উড়তাম আর
দিগন্ত দেখতে যেতেম হালট পেরিয়ে,
পানি মাড়িয়ে নদীর ওপারে,
যেখানে আকাশ মাটিতে ঠেকেছে।

তেমনই এক দিনে, হঠাৎ আবিষ্কার করলাম
আমার ঘুড়িতে ঝুলছে রোদবালিকার অস্তিত্ব।
কেন? কীভাবে? জানি নি, জানতে চাই নি
হতচকিত হয়ে শুধু দেখেছি— আমার
এক বিঘে জমি আর আমার দখলে নেই!

সেই যে শুরু, তখন থেকেই…

এরপরে কেটে গেছে হাজারো শতাব্দী— মনঃকুটিরে।
কত জোয়ার-ভাঁটা এসেছে, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসেও
আমি অটুট আছি আমার মতোই।

আমি বড় হচ্ছি, আমার পৃথিবীটাও বড় হচ্ছে— ধূসর;
নিশিছায়ার প্রথম করমর্দনের মতোই।

সেদিনকার অক্ষিতারার ঝিলিক অবহেলা করে
ফিরে এসেছি সুবিদিত আপন
সীমানায়। চৈত্রের রোদটুকু পুষেছি
অবয়বহীন ভূখণ্ডে।

এরপর আর বিদগ্ধ দিগন্ত দেখি নি, ছেঁড়া ঘুড়ি
কে কার ওড়ায়— একবারও ছুঁই নি সেদিন।
সেদিন থেকে উচ্ছিষ্ট রঙধনুর সন্দিগ্ধ চারায়
ভুলেও পানি ঢালা হয় নি।

আয়নায় তাই আমার প্রতিবিম্ব দেখি না আর
মরোমরো নিঃশাখ তরুটি আজও আছে,
চারিদিকে স্মৃতিচারণার দিগ্বিদিক হা-হুতাশ!

January 2014 a.d

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *