একটি অবৈধ সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈধতা ও দেশের ভবিষ্যত

দেশের এমন রাজনৈতিক পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা বোকামি ব্যতীত কিছু নয়। তবুও যারা আশার বেসাতি সজিয়ে সিটিকর্পোরেশ্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে তারা মূলত দাবার মাঠে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক চালের কাছে ধরাশায়ী হয়ে গেছে। ইতিপূর্বে যেসব রাজনৈতিক দল বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারকে অবৈধ সরকার হিসবে দোষারোপ করেছে সেইসব দলগুলো অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সরকারকে বৈধতা প্রদান করলো। এর খেসারত দেশের কথিত বিরোধীদল বিএনপি’র পাশাপাশি নির্বাচনে আস্থাবান বামপন্থী ও অনান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোর ভালোভাবে চুকাতে হবে।


দেশের এমন রাজনৈতিক পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা বোকামি ব্যতীত কিছু নয়। তবুও যারা আশার বেসাতি সজিয়ে সিটিকর্পোরেশ্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে তারা মূলত দাবার মাঠে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক চালের কাছে ধরাশায়ী হয়ে গেছে। ইতিপূর্বে যেসব রাজনৈতিক দল বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারকে অবৈধ সরকার হিসবে দোষারোপ করেছে সেইসব দলগুলো অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সরকারকে বৈধতা প্রদান করলো। এর খেসারত দেশের কথিত বিরোধীদল বিএনপি’র পাশাপাশি নির্বাচনে আস্থাবান বামপন্থী ও অনান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোর ভালোভাবে চুকাতে হবে।

বর্তমানে দেশের দিকে তাকালে খুব ভালোভাবেই সেই আভাস পাওয়া যায় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অংগসংগঠন গুলো কিভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সকলের কাছেই দৃশ্যমান। এই নির্বাচন নিসন্দেহে আওয়ামিলীগকে আরো তীব্র মাত্রায় ফ্যাসীবাদী করে তুলবে। একটি বিষয় ভাবলে খুব অবাক লাগে শুধুমাত্র জামাত-শিবির জুজু দেখিয়ে কিভাবে আওয়ামীলীগ দেশের বিভিন্ন বামপন্থী দলগুলোর কাছে নিজের অবস্থান জায়েজ করে নিলো? এর পিছনে অবশ্য একটি বড় কারণ দেশের বড় কিছু নামধারী কমিউনিস্ট পার্টির আওয়ামী প্রীতি, যারা বহুদিন ধরে পর্দার আড়ালে থেকে আওয়ামীলীগের স্বার্থ রক্ষা করে যাচ্ছে।

যাই হোক আগামীতে আরো বেশি ক্রসফায়ার,গুম, রাজনৈতিক নির্যাতন দর্শনের জন্য সবাই প্রস্তুত থাকুন। বোধকরি আন্দলনে দাড়াবার জায়াগা থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *