চেতনার আলোয় খুঁজে ফিরি পথের দিশা

একের পর এক শহীদ রুমী স্কোয়াডের সহযোদ্ধারা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।নিলয়, আলিফ, শুভ্র জ্যোতি, দ্বীপ-রুমী স্কোয়াডের বীরেরা অনশন মঞ্চ থেকে এখন হাসপাতালে।গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানিক ফিরে এলেও পুনরায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ফিরতে হয়েছে।তবু সুদৃঢ় মনোবলে অনড় অবস্থানে লক্ষ্যে অবিচল প্রত্যেক অনশনকারী।
৯৯ ঘন্টা পার করেছে এই অনশন।চতুর্থ দিন শেষ হয়ে পঞ্চম দিনের লড়াইয়ে আছে রুমী স্কোয়াড।এই কদিনে স্যালাইন আর পানি ছাড়া আর কিছুই পেটে যায় নি।বাড়ীতে রান্না করে মা বসে থাকেন।তাদের পেটেও কিছু পড়ে না,প্রতিদিন নফল রোজা রাখছেন।

একের পর এক শহীদ রুমী স্কোয়াডের সহযোদ্ধারা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।নিলয়, আলিফ, শুভ্র জ্যোতি, দ্বীপ-রুমী স্কোয়াডের বীরেরা অনশন মঞ্চ থেকে এখন হাসপাতালে।গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানিক ফিরে এলেও পুনরায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ফিরতে হয়েছে।তবু সুদৃঢ় মনোবলে অনড় অবস্থানে লক্ষ্যে অবিচল প্রত্যেক অনশনকারী।
৯৯ ঘন্টা পার করেছে এই অনশন।চতুর্থ দিন শেষ হয়ে পঞ্চম দিনের লড়াইয়ে আছে রুমী স্কোয়াড।এই কদিনে স্যালাইন আর পানি ছাড়া আর কিছুই পেটে যায় নি।বাড়ীতে রান্না করে মা বসে থাকেন।তাদের পেটেও কিছু পড়ে না,প্রতিদিন নফল রোজা রাখছেন।
ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ থেকে শুরু হওয়া প্রজন্মের আন্দোলন মানুষের প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে প্রত্যাশা হতাশায় রূপ নেয়।কর্মসূচি নির্ধারনে একের পর এক ব্যর্থতা রাস্তায় নেমে আসা মানুষকে আবার ঘরমুখো করে।পথিক যখন পথ হারিয়ে পথ থুঁজে থুঁজে ক্লান্ত হয়ে পড়ে,যখন দিনের আলো নিভে গিয়ে চারদিক আঁধারে ঢেকে যায় তখন সে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়ে পড়ে,খুঁজে পায় না আর পথের দিশা।কিন্তু প্রজন্মের পথিকেরা পথ হারালেও পথের দিশা খুঁজে পেতে তাদের বেশিক্ষণ লাগে না।যতই আঁধার ঘনিয়ে আসুক পথ তারা খুঁজে পাবেই।কারণ তাদের কাছে রয়েছে চেতনার মশাল।চেতনার আলোতেই ওরা পথ খুঁজে পায়।শহীদ রুমী স্কোয়াড এই চেতনার মশালকেই আকড়ে ধরে আছে।যতক্ষণ লাখো শহীদের চেতনাকে আকড়ে ধরে আছি ততক্ষণ রুমী স্কোয়াড হারবে না।আমরা যৌক্তিক কারণ এবং ন্যায্য দাবিতে সচেতনভাবেই এ মৃত্যুপথে হাটছি।আমরা জানি কী রকম ভয়াবহ হতে পারে আমাদের পরিণতি।তবু আমরা বলতে চাই,দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত হাসি মুখে এ পথেই আমরা অগ্রসর হব।

৬ thoughts on “চেতনার আলোয় খুঁজে ফিরি পথের দিশা

  1. কি বলব… ভাষা খুঁজে পাচ্ছি
    কি বলব… ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। কায়মনোবাক্যে শুধুই কামনা করছি দেশপ্রেমিক একটাও তাজা প্রাণ ঝরে পড়ার আগেই যেন সরকারের সুমতি হয়। আপনাদের ইস্পাত কঠিন দৃঢ়টাকে স্যালুট জানাই।

  2. বিরোধী দল ক্ষমতায় যাওয়ার
    বিরোধী দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য চাচ্ছেন হরতাল-অবরোধে মৃত্যুবরণ করা তাজা আরও কতগুলো লাশ ! আর বর্তমান সরকার চাচ্ছেন শহীদ রুমী স্কোয়াডের না খেয়ে মরা কতগুলো লাশ ! এছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারছি না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *